নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী বলেছেন, ‘সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনে খন্দকার মাহবুব হোসেনকে আমরা উজ্জ্বল নক্ষত্র হিসেবে গ্রহণ করেছিলাম। সেই উজ্জ্বল নক্ষত্র খসে পড়ল। আমরা দেখেছি, খন্দকার মাহবুব কোনো মামলায় হেরে গিয়েও হাসতে হাসতে চলে এসেছেন। এটা আমাদের অনুপ্রাণিত করেছে।’ এ সময় খন্দকার মাহবুবের মৃত্যুতে সোমবার দ্বিতীয়ার্ধে উচ্চ আদালতের বিচারকাজ বন্ধ থাকবে বলে জানান প্রধান বিচারপতি।
সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেনের জানাজায় অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন প্রধান বিচারপতি। আজ রোববার সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি প্রাঙ্গণে এই জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করার জন্য আদালতের প্রতি চাপ সৃষ্টি করার চেষ্টা কখনো করেননি খন্দকার মাহবুব। তিনি অত্যন্ত ভালো মানুষ ছিলেন। যাবজ্জীবন সাজা কত দিন খাটতে হবে, এটা তাঁর শুনানির মধ্য দিয়েই সিদ্ধান্ত হয়েছে।’
পরে সোমবার দ্বিতীয়ার্ধে উচ্চ আদালতের বিচারকাজ বন্ধ থাকবে বলে ঘোষণা দেন প্রধান বিচারপতি।
এদিকে জানাজায় সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের বিচারপতি, অ্যাটর্নি জেনারেল, আইনজীবী, সুপ্রিম কোর্ট বারের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ বিপুলসংখ্যক মানুষ অংশ নেন। জানাজা শেষে প্রধান বিচারপতি কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। এরপর আইনজীবী সমিতিসহ বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়।
এর আগে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, মিরপুরে খন্দকার মাহবুব হোসেন চক্ষু হাসপাতাল ও বিএনপি অফিসের সামনে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার রাত ১০টা ৪০ মিনিটে মারা যান ফৌজদারি আইন বিশেষজ্ঞ খন্দকার মাহবুব হোসেন। এর আগে ফুসফুসে হঠাৎ পানি আসায় গত ২৬ ডিসেম্বর তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হওয়ায় নেওয়া হয় লাইফ সাপোর্টে।

প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী বলেছেন, ‘সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনে খন্দকার মাহবুব হোসেনকে আমরা উজ্জ্বল নক্ষত্র হিসেবে গ্রহণ করেছিলাম। সেই উজ্জ্বল নক্ষত্র খসে পড়ল। আমরা দেখেছি, খন্দকার মাহবুব কোনো মামলায় হেরে গিয়েও হাসতে হাসতে চলে এসেছেন। এটা আমাদের অনুপ্রাণিত করেছে।’ এ সময় খন্দকার মাহবুবের মৃত্যুতে সোমবার দ্বিতীয়ার্ধে উচ্চ আদালতের বিচারকাজ বন্ধ থাকবে বলে জানান প্রধান বিচারপতি।
সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেনের জানাজায় অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন প্রধান বিচারপতি। আজ রোববার সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি প্রাঙ্গণে এই জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করার জন্য আদালতের প্রতি চাপ সৃষ্টি করার চেষ্টা কখনো করেননি খন্দকার মাহবুব। তিনি অত্যন্ত ভালো মানুষ ছিলেন। যাবজ্জীবন সাজা কত দিন খাটতে হবে, এটা তাঁর শুনানির মধ্য দিয়েই সিদ্ধান্ত হয়েছে।’
পরে সোমবার দ্বিতীয়ার্ধে উচ্চ আদালতের বিচারকাজ বন্ধ থাকবে বলে ঘোষণা দেন প্রধান বিচারপতি।
এদিকে জানাজায় সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের বিচারপতি, অ্যাটর্নি জেনারেল, আইনজীবী, সুপ্রিম কোর্ট বারের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ বিপুলসংখ্যক মানুষ অংশ নেন। জানাজা শেষে প্রধান বিচারপতি কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। এরপর আইনজীবী সমিতিসহ বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়।
এর আগে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, মিরপুরে খন্দকার মাহবুব হোসেন চক্ষু হাসপাতাল ও বিএনপি অফিসের সামনে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার রাত ১০টা ৪০ মিনিটে মারা যান ফৌজদারি আইন বিশেষজ্ঞ খন্দকার মাহবুব হোসেন। এর আগে ফুসফুসে হঠাৎ পানি আসায় গত ২৬ ডিসেম্বর তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হওয়ায় নেওয়া হয় লাইফ সাপোর্টে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৪ ঘণ্টা আগে