বন্দর (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি

সেলিম ওসমান ‘গাঁজার নৌকা’ বলেননি। তাঁর বক্তব্য বিকৃত করে প্রচার করা হয়েছে। সম্প্রতি জাতীয় পার্টির দলীয় সাংসদ সেলিম ওসমানের বক্তব্য নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার পরিপ্রেক্ষিতে এ দাবি করেছেন বন্দর উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান ও জেলা জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক সানাউল্লাহ সানু।
তিনি বলেন, সেলিম ওসমান গাঁজার নৌকা বলেন নাই। উনি বলেছেন, গাঁজাখোরকে নৌকা দিয়েছে, এই নৌকা তো তালগাছে উঠবে!
আজ শুক্রবার বন্দরের বুরুন্দি ঈদগাহ এলাকায় কলাগাছিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও জাপা সমর্থীত প্রার্থী দেলোয়ার প্রধানের উঠান বৈঠকে এ মন্তব্য করেন সানাউল্লাহ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন নাসিকের ২৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আফজাল হোসেন।
সানাউল্লাহ সানু বলেন, আমি আপনাদের ভোটে নির্বাচিত হয়েছি। আমিও কলাগাছিয়ার ভোটার। আমরা চাই উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকে। এর জন্য আমাদের দেলোয়ার প্রধানকে দরকার। আমাদের মাননীয় সংসদ সদস্য নৌকাকে ফেলে দেয় নাই। নৌকা চারটা রাখছে। আমাদের তিনটা লাঙ্গল রাখছে। তাঁদেরকে ওপরে রাখছে কারণ তাঁরা সরকার। কারণ আমরা মহাজোটের অংশ। আমাদের ছাড়া যদি আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করতে পারে তাহলে দেশ ছেড়ে চলে যাব। আমাদের অবহেলা করবেন না বা ছোট ভাববেন না। আমরা সরকারের অংশীদার। মহাজোটে থেকে বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করছি। আজ যদি বিরোধী দল থেকে সরে দাঁড়াই, তাহলে কাল জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে।
সেলিম ওসমানের বক্তব্য ‘বিকৃত’ করা হয়েছে দাবি করে এ জাপা নেতা বলেন, আমাদের সংসদ সদস্য নবীগঞ্জে গার্লস স্কুলের উদ্বোধনের দিন এই কথা বলেন নাই যে, গাঁজার নৌকা তালগাছে। উনি বলেছেন, গাঁজাখোরকে নৌকা দিয়েছে, এই নৌকা তো তালগাছে উঠবে। কিন্তু কীভাবে এটা মডিফাই কইরা সেকেন্ডের মধ্যে ভাইরাল কইরা দিল! মানে আমাগো লগে নৌকার যুদ্ধ লাগাইতে চায়। এটা ঠিক না। আমাদের দুইটা এমপি নারায়ণগঞ্জে। যারা নামাজ পড়েন, ইসলামকে ভালোবাসেন, তাঁরা দেলোয়ারকে লাঙ্গল মার্কায় ভোট দিবেন। আমরা কারও গীবত বা বকাবাজি করতে চাই না।
উল্লেখ্য, গতকাল ২৮ অক্টোবর নবীগঞ্জ গার্লস স্কুলের নবনির্মিত নাসরিন ওসমান ভবনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সেলিম ওসমান বলেন, ‘আমার সাথে তিন জন মানুষ কাজ করেছেন। একজন মুকুল, আরেকজন আমার বন্ধু প্রয়াত আবু জাহের সাহেব, আরেকজন বিশিষ্ট নেতা উপজেলা চেয়ারম্যান (এমএ রশিদ)। উনি আজ এখানে নেই, উনি কলাগাইচ্ছায় (কলাগাছিয়া ইউনিয়ন) গাঞ্জার নৌকা তালগাছে উঠাইতে গেছেন। উনার বুঝা উচিত, এইটারে (নৌকার প্রার্থী কাজিম উদ্দিন) আজকে চেয়ারম্যান বানালে কয়েকদিন পরেই থাকবে না। কোনো লুটেরাকে চেয়ারম্যান বানায়া আপনার কোনো লাভ হবে না। গাঞ্জার নৌকা কখনও তালগাছ দিয়ে উঠবে না।’
তাঁর এমন বক্তব্য গণমাধ্যমে প্রকাশ হলে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা শুরু হয়। সেই সমালোচনার বিপরীতে সেলিম ওসমানের পক্ষে সাফাই গাইতে গিয়ে প্রকাশ্যে দেওয়া বক্তব্য অস্বীকার করলেন জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক সানাউল্লাহ সানু।

সেলিম ওসমান ‘গাঁজার নৌকা’ বলেননি। তাঁর বক্তব্য বিকৃত করে প্রচার করা হয়েছে। সম্প্রতি জাতীয় পার্টির দলীয় সাংসদ সেলিম ওসমানের বক্তব্য নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার পরিপ্রেক্ষিতে এ দাবি করেছেন বন্দর উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান ও জেলা জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক সানাউল্লাহ সানু।
তিনি বলেন, সেলিম ওসমান গাঁজার নৌকা বলেন নাই। উনি বলেছেন, গাঁজাখোরকে নৌকা দিয়েছে, এই নৌকা তো তালগাছে উঠবে!
আজ শুক্রবার বন্দরের বুরুন্দি ঈদগাহ এলাকায় কলাগাছিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও জাপা সমর্থীত প্রার্থী দেলোয়ার প্রধানের উঠান বৈঠকে এ মন্তব্য করেন সানাউল্লাহ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন নাসিকের ২৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আফজাল হোসেন।
সানাউল্লাহ সানু বলেন, আমি আপনাদের ভোটে নির্বাচিত হয়েছি। আমিও কলাগাছিয়ার ভোটার। আমরা চাই উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকে। এর জন্য আমাদের দেলোয়ার প্রধানকে দরকার। আমাদের মাননীয় সংসদ সদস্য নৌকাকে ফেলে দেয় নাই। নৌকা চারটা রাখছে। আমাদের তিনটা লাঙ্গল রাখছে। তাঁদেরকে ওপরে রাখছে কারণ তাঁরা সরকার। কারণ আমরা মহাজোটের অংশ। আমাদের ছাড়া যদি আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করতে পারে তাহলে দেশ ছেড়ে চলে যাব। আমাদের অবহেলা করবেন না বা ছোট ভাববেন না। আমরা সরকারের অংশীদার। মহাজোটে থেকে বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করছি। আজ যদি বিরোধী দল থেকে সরে দাঁড়াই, তাহলে কাল জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে।
সেলিম ওসমানের বক্তব্য ‘বিকৃত’ করা হয়েছে দাবি করে এ জাপা নেতা বলেন, আমাদের সংসদ সদস্য নবীগঞ্জে গার্লস স্কুলের উদ্বোধনের দিন এই কথা বলেন নাই যে, গাঁজার নৌকা তালগাছে। উনি বলেছেন, গাঁজাখোরকে নৌকা দিয়েছে, এই নৌকা তো তালগাছে উঠবে। কিন্তু কীভাবে এটা মডিফাই কইরা সেকেন্ডের মধ্যে ভাইরাল কইরা দিল! মানে আমাগো লগে নৌকার যুদ্ধ লাগাইতে চায়। এটা ঠিক না। আমাদের দুইটা এমপি নারায়ণগঞ্জে। যারা নামাজ পড়েন, ইসলামকে ভালোবাসেন, তাঁরা দেলোয়ারকে লাঙ্গল মার্কায় ভোট দিবেন। আমরা কারও গীবত বা বকাবাজি করতে চাই না।
উল্লেখ্য, গতকাল ২৮ অক্টোবর নবীগঞ্জ গার্লস স্কুলের নবনির্মিত নাসরিন ওসমান ভবনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সেলিম ওসমান বলেন, ‘আমার সাথে তিন জন মানুষ কাজ করেছেন। একজন মুকুল, আরেকজন আমার বন্ধু প্রয়াত আবু জাহের সাহেব, আরেকজন বিশিষ্ট নেতা উপজেলা চেয়ারম্যান (এমএ রশিদ)। উনি আজ এখানে নেই, উনি কলাগাইচ্ছায় (কলাগাছিয়া ইউনিয়ন) গাঞ্জার নৌকা তালগাছে উঠাইতে গেছেন। উনার বুঝা উচিত, এইটারে (নৌকার প্রার্থী কাজিম উদ্দিন) আজকে চেয়ারম্যান বানালে কয়েকদিন পরেই থাকবে না। কোনো লুটেরাকে চেয়ারম্যান বানায়া আপনার কোনো লাভ হবে না। গাঞ্জার নৌকা কখনও তালগাছ দিয়ে উঠবে না।’
তাঁর এমন বক্তব্য গণমাধ্যমে প্রকাশ হলে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা শুরু হয়। সেই সমালোচনার বিপরীতে সেলিম ওসমানের পক্ষে সাফাই গাইতে গিয়ে প্রকাশ্যে দেওয়া বক্তব্য অস্বীকার করলেন জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক সানাউল্লাহ সানু।

সোমবার বিকেলে র্যাব-৭-এর একটি আভিযানিক দল মেজর জালিস মাহমুদ খানের নেতৃত্বে সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তারের উদ্দেশ্যে অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে মাইকে ঘোষণা দিয়ে ৪০০ থেকে ৫০০ দুষ্কৃতকারী র্যাব সদস্যদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।
১২ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আচরণবিধি লঙ্ঘন করায় শেরপুর-১ (সদর) আসনে বিএনপি, জামায়াত, স্বতন্ত্রসহ তিন প্রার্থীকে শোকজ (কারণ দর্শানোর নোটিশ) করেছে নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি। গতকাল সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় শোকজের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর-১ আসনের নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক...
২৭ মিনিট আগে
১৩ ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকার পরে অবশেষে মুক্ত হলেন সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) উপাচার্য (ভিসি) ও উপ-উপাচার্য (প্রোভিসি)। গতকাল সোমবার দিবাগত রাত ১টায় শাকসুর দাবিতে আন্দোলনকারীরা কর্মসূচি সাময়িক স্থগিত করে আন্দোলনস্থল ত্যাগ করলে তাঁরা মুক্ত হন।
৩ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ যাত্রাবাড়ী ও ডেমরা থানা নিয়ে গঠিত ঢাকা-৫ আসন। ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে বিরাট ভূমিকা পালন করেন এই এলাকার শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ। ওই আন্দোলনের বিজয়ে তাঁরা যেমন বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন তেমনি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও জয়-পরাজয়ের হিসাব নির্ধারণে শিক্ষার্থীসহ তরুণ ভোট
৮ ঘণ্টা আগে