নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ফাইরুজ সাদাফ অবন্তিকার আত্মহত্যার পর বিশ্ববিদ্যালয়টিতে যৌন নিপীড়নের আরও অভিযোগ প্রকাশ পাচ্ছে। গত কয়েক বছরে সেখানে একাধিক শিক্ষার্থী ও নারী কর্মকর্তা যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছেন। এসব ঘটনায় তাঁরা অভিযোগও করেছিলেন। কিন্তু বিচার পাননি। এমনকি যথাযথ তদন্তও হয়নি।
অবন্তিকার আত্মহত্যা নিয়ে ক্ষোভ-বিক্ষোভের মধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয়টির ফিল্ম ও টেলিভিশন বিভাগের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ এনেছেন ওই বিভাগেরই শিক্ষার্থী কাজী ফারজানা মিম। নিজের পরিচয় প্রকাশে কোনো ধরনের রাখঢাক না করেই ক্যামেরার সামনে এই অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর করা অভিযোগের একটি ভিডিও এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
গতকাল রোববার বিশ্ববিদ্যালয়টিতে গিয়ে কথা হয় মিমের সঙ্গে। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘২০১৯ সালে যৌন হয়রানির ঘটনাটি ঘটে। ২০২১ সালের ডিসেম্বরে যৌন হয়রানি ও মানসিক অত্যাচারের অভিযোগ করেছি। আমার বিভাগের এক প্রভাষকের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ করেছিলাম। অভিযোগের পর কোনো কাজ না হওয়ায় সংবাদ সম্মেলন করি। এরপর তারা একটি তদন্ত কমিটি করে। দুই বছর চলে গেছে, কোনো সমাধান নাই। প্রক্টর অফিসে ২০ থেকে ২৫ বার গিয়েছি। তারা আপসে যেতে বলে। আমি আপসে যায়নি। পুরো বিষয়টা দফায় দফায় প্রমাণিত হওয়ার পরও কোনো বিচার পাই না।’
গত বছর বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের ২০১৯-২০ সেশনের এক ছাত্রীর সঙ্গে প্রেম ও শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন ওই বিভাগের এক সহকারী অধ্যাপক। স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ হওয়ায় ওই শিক্ষার্থীকে বিয়ে করার আশ্বাসও দেন তিনি। পরে বিয়ে করতে রাজি না হওয়ায় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগের চেয়ারম্যান বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দেন। কিন্তু সেই ঘটনা বিচার তো দূরের কথা, এখনো তদন্ত হয়নি।
জানতে চাইলে গণিত বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. শরীফুল আলম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা বিভাগের একাডেমিক সভা করে ঊর্ধ্বতনের কাছে অভিযোগটি পাঠিয়েছি। অভিযোগটি তদন্তের প্রক্রিয়া চলছে।’
শুধু শিক্ষার্থী নয়, যৌন নিপীড়নের শিকার হচ্ছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও। গত বছর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও ওয়ার্কার্স দপ্তরের এক নারী উপপরিচালককে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ উঠে এক প্রকল্প পরিচালকের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে অভিযোগপত্রও দেন ভুক্তভোগী। কিন্তু এ ঘটনার বিচার হয়নি এখনো।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌন নিপীড়ন প্রতিরোধে একটি সেল আছে। ওই সেলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. লাইসা আহমদ লিসা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমাদের কাছে গত তিন বছরে তিনটি অভিযোগ এসেছে। এর দুটির তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। তবে আইনি প্রক্রিয়ার কারণে সেগুলোর বিচার প্রক্রিয়া আটকে আছে। আরেকটি অভিযোগের তদন্ত চলছে। অভিযোগ এলে আমরা গুরুত্ব দিয়ে দেখার চেষ্টা করি।’
যৌন নিপীড়ন ও হয়রানির এসব অভিযোগের বিষয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক সাদেকা হালিম বলেন, অবন্তিকার আত্মহত্যার ঘটনার আগে বিশ্ববিদ্যালয়ে যত যৌন নিপীড়নের ঘটনার অভিযোগ উঠেছে, সব কটির সুষ্ঠু তদন্ত করা হবে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ফাইরুজ সাদাফ অবন্তিকার আত্মহত্যার পর বিশ্ববিদ্যালয়টিতে যৌন নিপীড়নের আরও অভিযোগ প্রকাশ পাচ্ছে। গত কয়েক বছরে সেখানে একাধিক শিক্ষার্থী ও নারী কর্মকর্তা যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছেন। এসব ঘটনায় তাঁরা অভিযোগও করেছিলেন। কিন্তু বিচার পাননি। এমনকি যথাযথ তদন্তও হয়নি।
অবন্তিকার আত্মহত্যা নিয়ে ক্ষোভ-বিক্ষোভের মধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয়টির ফিল্ম ও টেলিভিশন বিভাগের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ এনেছেন ওই বিভাগেরই শিক্ষার্থী কাজী ফারজানা মিম। নিজের পরিচয় প্রকাশে কোনো ধরনের রাখঢাক না করেই ক্যামেরার সামনে এই অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর করা অভিযোগের একটি ভিডিও এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
গতকাল রোববার বিশ্ববিদ্যালয়টিতে গিয়ে কথা হয় মিমের সঙ্গে। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘২০১৯ সালে যৌন হয়রানির ঘটনাটি ঘটে। ২০২১ সালের ডিসেম্বরে যৌন হয়রানি ও মানসিক অত্যাচারের অভিযোগ করেছি। আমার বিভাগের এক প্রভাষকের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ করেছিলাম। অভিযোগের পর কোনো কাজ না হওয়ায় সংবাদ সম্মেলন করি। এরপর তারা একটি তদন্ত কমিটি করে। দুই বছর চলে গেছে, কোনো সমাধান নাই। প্রক্টর অফিসে ২০ থেকে ২৫ বার গিয়েছি। তারা আপসে যেতে বলে। আমি আপসে যায়নি। পুরো বিষয়টা দফায় দফায় প্রমাণিত হওয়ার পরও কোনো বিচার পাই না।’
গত বছর বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের ২০১৯-২০ সেশনের এক ছাত্রীর সঙ্গে প্রেম ও শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন ওই বিভাগের এক সহকারী অধ্যাপক। স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ হওয়ায় ওই শিক্ষার্থীকে বিয়ে করার আশ্বাসও দেন তিনি। পরে বিয়ে করতে রাজি না হওয়ায় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগের চেয়ারম্যান বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দেন। কিন্তু সেই ঘটনা বিচার তো দূরের কথা, এখনো তদন্ত হয়নি।
জানতে চাইলে গণিত বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. শরীফুল আলম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা বিভাগের একাডেমিক সভা করে ঊর্ধ্বতনের কাছে অভিযোগটি পাঠিয়েছি। অভিযোগটি তদন্তের প্রক্রিয়া চলছে।’
শুধু শিক্ষার্থী নয়, যৌন নিপীড়নের শিকার হচ্ছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও। গত বছর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও ওয়ার্কার্স দপ্তরের এক নারী উপপরিচালককে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ উঠে এক প্রকল্প পরিচালকের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে অভিযোগপত্রও দেন ভুক্তভোগী। কিন্তু এ ঘটনার বিচার হয়নি এখনো।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌন নিপীড়ন প্রতিরোধে একটি সেল আছে। ওই সেলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. লাইসা আহমদ লিসা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমাদের কাছে গত তিন বছরে তিনটি অভিযোগ এসেছে। এর দুটির তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। তবে আইনি প্রক্রিয়ার কারণে সেগুলোর বিচার প্রক্রিয়া আটকে আছে। আরেকটি অভিযোগের তদন্ত চলছে। অভিযোগ এলে আমরা গুরুত্ব দিয়ে দেখার চেষ্টা করি।’
যৌন নিপীড়ন ও হয়রানির এসব অভিযোগের বিষয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক সাদেকা হালিম বলেন, অবন্তিকার আত্মহত্যার ঘটনার আগে বিশ্ববিদ্যালয়ে যত যৌন নিপীড়নের ঘটনার অভিযোগ উঠেছে, সব কটির সুষ্ঠু তদন্ত করা হবে।

তিন দিন ধরে রাজবাড়ীর পদ্মা নদীতে কুমির বিচরণ করতে দেখা গেছে। এতে নদীপাড়ের বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। তীরবর্তী এলাকায় নদীতে কখনো সকালে, কখনো দুপুরে কুমির ভেসে উঠছে বলে স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন। হঠাৎ পদ্মায় কুমির বিচরণের খবর শুনে তা দেখতে নদীতীরে ভিড় করছে উৎসুক জনতা।
১৪ মিনিট আগে
দীর্ঘ এক দশকের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে হাসি ফিরেছে সুমন-এনি দম্পতির ঘরে। আজ মঙ্গলবার একসঙ্গে জন্ম নেওয়া পাঁচ নবজাতককে নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন তাঁরা। এর আগে গত বৃহস্পতিবার ওই প্রসূতি পাঁচ সন্তান জন্ম দেন। তার মধ্যে তিনজন মেয়ে ও দুজন ছেলে।
৪০ মিনিট আগে
ট্রেড ইউনিয়নের নামে হয়রানি, খাদ্য মূল্যস্ফীতি, ওয়ান স্টপ সার্ভিসের অভাব ও নিয়মবহির্ভূত স্ট্রিট ফুডের বিস্তারে দেশের রেস্তোরাঁ খাত আগে থেকেই সংকটে ছিল। নতুন করে যোগ হয়েছে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) চরম সংকট। বাড়তি দাম দিয়েও সময়মতো মিলছে না এলপিজি। এতে অনেক রেস্তোরাঁই বন্ধের পথে রয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
শরীয়তপুর সদর উপজেলায় আলোচিত শিশু হৃদয় খান নিবিড় হত্যা মামলায় দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড ও একজনকে ২১ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুরে শরীয়তপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ শেখ হাফিজুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।
২ ঘণ্টা আগে