নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের এক চিকিৎসকের অনিয়ম প্রসঙ্গে বক্তব্য নিতে গিয়ে হেনস্তার শিকার হওয়ার অভিযোগ করেছেন এক সাংবাদিক। অনলাইন নিউজ পোর্টাল ঢাকা পোস্টের নিজস্ব প্রতিবেদক তানভীরুল ইসলামের অভিযোগ, হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. নাজমুল হক তাঁর সঙ্গে অসদাচরণ করেছেন।
তানভীরুল ইসলাম জানান, আজ সোমবার বেলা আড়াইটার দিকে পরিচালকের কক্ষে এই ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী সাংবাদিক জানান, হাসপাতালটির এক চিকিৎসকের অনিয়মের অভিযোগের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে গতকাল রোববার দুপুরে হাসপাতালের পরিচালকের বক্তব্য নিতে যান তিনি। তবে ব্যস্ততা দেখিয়ে পরদিন (সোমবার) বেলা ২টায় হাসপাতালে গিয়ে দেখা করতে বলেন তিনি। সে অনুযায়ী বেলা ২টার দিকে হাসপাতালে পরিচালকের কক্ষে গিয়ে কথা বলেন। একপর্যায়ে পরিচালক উত্তেজিত হয়ে ওঠেন।
সাংবাদিক তানভীরুল ইসলাম বলেন, ‘আমি পরিচালকের অনুমতি নিয়েই তাঁর বক্তব্য ভিডিও করা শুরু করি এবং প্রশ্ন করতে থাকি। তিনি আমার থেকে শুরুতেই প্রশ্নগুলোর বিষয়ে জানতে চান এবং নোট করেন। এরপর কথা প্রসঙ্গে আমি ভিডিও এবং নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরও দুই চিকিৎসক থেকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করার কথা বলতেই তিনি খ্যাপে যান এবং ভিডিও বন্ধ করতে বলেন। এরপর তিনি নিজের চেয়ার থেকে উঠে এসে আমার মোবাইল কেড়ে নেন, সঙ্গে “অসভ্য”, “ফাজিল”সহ নানা ধরনের গালিগালাজ করতে থাকেন।’
তানভীর বলেন, ‘একপর্যায়ে আমি সাক্ষাৎকার বন্ধ করে চলে আসতে চাইলে তিনি আমাকে বসিয়ে রাখেন এবং ঢাকা পোস্টের ঢামেক প্রতিনিধিকে হাসপাতালে আসার জন্য অন্য কর্মচারীকে ফোন করতে বলেন। যতক্ষণ পর্যন্ত সে না আসবে ততক্ষণ আমাকে বসে থাকতে হবেও বলেন পরিচালক।’ পরিচালক তাঁর মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে ভিডিওসহ নিউজের বিভিন্ন তথ্য মুছে দিয়েছেন বলেও অভিযোগ করে তিনি।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ঢামেক হাসপাতালের পরিচালক মো. নাজমুল হক আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘উনি কোনোভাবে সংক্ষুব্ধ হতে পারেন, এটা দোষের কিছু নয়। যে বিষয়ে তিনি জানতে চেয়েছিলেন সেটি আমার এখতিয়ারবহির্ভূত ছিল। কিন্তু তিনি পীড়াপীড়ি করছিলেন, আমি বলার চেষ্টা করেছি এটা আমার এখতিয়ারের বাইরে। তবে হ্যাঁ, এটা নিয়ে কিছুটা ভুল-বোঝাবুঝি হতে পারে। আশা করি, এটার এখানেই অবসান হবে।’
প্রতিষ্ঠানের কারও বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ পেলে পরিচালকের কাছেই তো যাবে। এ ক্ষেত্রে হেনস্তার শিকার হওয়া দুঃখজনক কি না, জানতে চাইলে পরিচালক বলেন, ‘আমি চেষ্টা করব সব তথ্য দিতে। এটা আসলে ভুল-বোঝাবুঝি হয়েছে, এটা এখানেই সমাধান হবে।’

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের এক চিকিৎসকের অনিয়ম প্রসঙ্গে বক্তব্য নিতে গিয়ে হেনস্তার শিকার হওয়ার অভিযোগ করেছেন এক সাংবাদিক। অনলাইন নিউজ পোর্টাল ঢাকা পোস্টের নিজস্ব প্রতিবেদক তানভীরুল ইসলামের অভিযোগ, হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. নাজমুল হক তাঁর সঙ্গে অসদাচরণ করেছেন।
তানভীরুল ইসলাম জানান, আজ সোমবার বেলা আড়াইটার দিকে পরিচালকের কক্ষে এই ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী সাংবাদিক জানান, হাসপাতালটির এক চিকিৎসকের অনিয়মের অভিযোগের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে গতকাল রোববার দুপুরে হাসপাতালের পরিচালকের বক্তব্য নিতে যান তিনি। তবে ব্যস্ততা দেখিয়ে পরদিন (সোমবার) বেলা ২টায় হাসপাতালে গিয়ে দেখা করতে বলেন তিনি। সে অনুযায়ী বেলা ২টার দিকে হাসপাতালে পরিচালকের কক্ষে গিয়ে কথা বলেন। একপর্যায়ে পরিচালক উত্তেজিত হয়ে ওঠেন।
সাংবাদিক তানভীরুল ইসলাম বলেন, ‘আমি পরিচালকের অনুমতি নিয়েই তাঁর বক্তব্য ভিডিও করা শুরু করি এবং প্রশ্ন করতে থাকি। তিনি আমার থেকে শুরুতেই প্রশ্নগুলোর বিষয়ে জানতে চান এবং নোট করেন। এরপর কথা প্রসঙ্গে আমি ভিডিও এবং নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরও দুই চিকিৎসক থেকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করার কথা বলতেই তিনি খ্যাপে যান এবং ভিডিও বন্ধ করতে বলেন। এরপর তিনি নিজের চেয়ার থেকে উঠে এসে আমার মোবাইল কেড়ে নেন, সঙ্গে “অসভ্য”, “ফাজিল”সহ নানা ধরনের গালিগালাজ করতে থাকেন।’
তানভীর বলেন, ‘একপর্যায়ে আমি সাক্ষাৎকার বন্ধ করে চলে আসতে চাইলে তিনি আমাকে বসিয়ে রাখেন এবং ঢাকা পোস্টের ঢামেক প্রতিনিধিকে হাসপাতালে আসার জন্য অন্য কর্মচারীকে ফোন করতে বলেন। যতক্ষণ পর্যন্ত সে না আসবে ততক্ষণ আমাকে বসে থাকতে হবেও বলেন পরিচালক।’ পরিচালক তাঁর মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে ভিডিওসহ নিউজের বিভিন্ন তথ্য মুছে দিয়েছেন বলেও অভিযোগ করে তিনি।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ঢামেক হাসপাতালের পরিচালক মো. নাজমুল হক আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘উনি কোনোভাবে সংক্ষুব্ধ হতে পারেন, এটা দোষের কিছু নয়। যে বিষয়ে তিনি জানতে চেয়েছিলেন সেটি আমার এখতিয়ারবহির্ভূত ছিল। কিন্তু তিনি পীড়াপীড়ি করছিলেন, আমি বলার চেষ্টা করেছি এটা আমার এখতিয়ারের বাইরে। তবে হ্যাঁ, এটা নিয়ে কিছুটা ভুল-বোঝাবুঝি হতে পারে। আশা করি, এটার এখানেই অবসান হবে।’
প্রতিষ্ঠানের কারও বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ পেলে পরিচালকের কাছেই তো যাবে। এ ক্ষেত্রে হেনস্তার শিকার হওয়া দুঃখজনক কি না, জানতে চাইলে পরিচালক বলেন, ‘আমি চেষ্টা করব সব তথ্য দিতে। এটা আসলে ভুল-বোঝাবুঝি হয়েছে, এটা এখানেই সমাধান হবে।’

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৪ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৪ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৪ ঘণ্টা আগে