নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বাংলাদেশের ৬৮টি জেলে অন্তত ৩০৪ জন শিশু তাঁদের মায়ের সঙ্গে কারাযাপন করছে। দণ্ডপ্রাপ্ত এসব মায়ের শিশুদের সুস্থ-স্বাভাবিক শারীরিক ও মানসিক বিকাশ নিশ্চিত করার জন্য সুনির্দিষ্ট বিধি-বিধান প্রণয়নের আহ্বান জানিয়েছে চাইল্ডস রাইটস অ্যাডভোকেসি কোয়ালিশন ইন বাংলাদেশ (সিআরএসি)।
আজ মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিবৃতিতে কোয়ালিশনের সচিবালয় আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) এ আহ্বান জানায়।
বিবৃতিতে বলা হয়, দেশের ৬৮টি জেলে অন্তত ৩০৪ জন শিশু তাঁদের মায়ের সঙ্গে কারাযাপন করছে। গত ১৪ ডিসেম্বর মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মায়ের সঙ্গে ১০ মাস বয়সী এক শিশুর হবিগঞ্জ জেলা কারাগারে ফাঁসির সেলে অবস্থান নিয়ে সম্প্রতি প্রকাশিত একটি সংবাদ প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে শিশুটির জন্য পর্যাপ্ত খাবার, স্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও অন্যান্য মৌলিক চাহিদা পূরণ নিশ্চিতে নির্দেশনা চেয়ে একটি রিট আবেদন দায়ের করা হয়।
রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে আদালত মায়েদের সঙ্গে কনডেম সেলে বসবাসকারী শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ নিশ্চিত করতে একটি প্রবিধান প্রণয়নের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না—তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন। চাইল্ডস রাইটস অ্যাডভোকেসি কোয়ালিশন ইন বাংলাদেশ শিশু অধিকার সুরক্ষায় এ বিষয়টিকে যথাযথ গুরুত্ব সহকারে বিবেচনায় নিয়ে দ্রুততার সঙ্গে দণ্ডপ্রাপ্ত মায়ের শিশুদের সুস্থ-স্বাভাবিক ও পরিপূর্ণ শারীরিক-মানসিক বিকাশে সুনির্দিষ্ট বিধি-বিধান প্রণয়নের জন্য আহ্বান জানায়।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ফাঁসির সেলের আয়তন প্রায় ১০ / ১০ ফুট, সেলগুলোতে পর্যাপ্ত আলো-বাতাস এবং সরাসরি পানির কোনো ব্যবস্থা নেই। দিনে দেড় ঘণ্টার জন্য সেলের তালা খুলে দেওয়া হয়। সারা রাত জ্বলে উচ্চ আলোসম্পন্ন বৈদ্যুতিক বাতি। একজন সশ্রম কারাবন্দী যে হারে খাবার পান ফাঁসির সেলে বন্দী মায়েদেরও একই নিয়মে খাবার দেওয়া হয়ে থাকে।
অন্যদিকে সম্প্রতি প্রকাশিত আরেকটি সংবাদে দেখা যায়, ঋণের নির্ধারিত কিস্তি পরিশোধ করতে ব্যর্থ হবার কারণে বরিশালের আগৈলঝাড়ায় পুলিশ এক মা ও তাঁর শিশুকে একত্রেই কারাগারে পাঠিয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, কারাগার কোনোভাবেই একটি শিশুর জন্য আদর্শ স্থান হতে পারে না। এটি অত্যন্ত দুঃখজনক যে দণ্ডপ্রাপ্ত মায়েদের সন্তানদের অধিকারের বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হয় না বরং বর্তমান ব্যবস্থায় এই শিশুদের তাঁদের মায়েদের সঙ্গে শাস্তি ভোগ করতে হচ্ছে, তাঁরা একটি স্বাভাবিক জীবন-যাপনের সুযোগ থেকে বঞ্চিত থেকে যাচ্ছে। এ অবস্থা কোনভাবেই কাম্য নয়। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক আইন অনুসারে, দেশের সকল শিশুর সুরক্ষা প্রদানে রাষ্ট্রের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
কোয়ালিশন মনে করে, বিদ্যমান আইনি কাঠামো দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের সন্তানদের অধিকার সুরক্ষার জন্য যথেষ্ট নয়। কোয়ালিশন তাই এই বিশেষ পরিস্থিতির শিকার শিশুদের ‘সর্বোত্তম স্বার্থ’ বিবেচনায় নিয়ে তাঁদের মানবাধিকার রক্ষা ও শারীরিক-মানসিক বিকাশ নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় আইন, প্রবিধান বা নীতিমালা প্রণয়নে দ্রুততার সঙ্গে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জোর দাবী জানায়।
চাইল্ডস রাইটস অ্যাডভোকেসি কোয়ালিশন ইন বাংলাদেশ ১০টি শিশু অধিকারভিত্তিক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংগঠন এবং নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত যারা ২০১৩ সাল থেকে শিশু অধিকার উন্নয়ন ও সুরক্ষায় কাজ করছে।

বাংলাদেশের ৬৮টি জেলে অন্তত ৩০৪ জন শিশু তাঁদের মায়ের সঙ্গে কারাযাপন করছে। দণ্ডপ্রাপ্ত এসব মায়ের শিশুদের সুস্থ-স্বাভাবিক শারীরিক ও মানসিক বিকাশ নিশ্চিত করার জন্য সুনির্দিষ্ট বিধি-বিধান প্রণয়নের আহ্বান জানিয়েছে চাইল্ডস রাইটস অ্যাডভোকেসি কোয়ালিশন ইন বাংলাদেশ (সিআরএসি)।
আজ মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিবৃতিতে কোয়ালিশনের সচিবালয় আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) এ আহ্বান জানায়।
বিবৃতিতে বলা হয়, দেশের ৬৮টি জেলে অন্তত ৩০৪ জন শিশু তাঁদের মায়ের সঙ্গে কারাযাপন করছে। গত ১৪ ডিসেম্বর মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মায়ের সঙ্গে ১০ মাস বয়সী এক শিশুর হবিগঞ্জ জেলা কারাগারে ফাঁসির সেলে অবস্থান নিয়ে সম্প্রতি প্রকাশিত একটি সংবাদ প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে শিশুটির জন্য পর্যাপ্ত খাবার, স্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও অন্যান্য মৌলিক চাহিদা পূরণ নিশ্চিতে নির্দেশনা চেয়ে একটি রিট আবেদন দায়ের করা হয়।
রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে আদালত মায়েদের সঙ্গে কনডেম সেলে বসবাসকারী শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ নিশ্চিত করতে একটি প্রবিধান প্রণয়নের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না—তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন। চাইল্ডস রাইটস অ্যাডভোকেসি কোয়ালিশন ইন বাংলাদেশ শিশু অধিকার সুরক্ষায় এ বিষয়টিকে যথাযথ গুরুত্ব সহকারে বিবেচনায় নিয়ে দ্রুততার সঙ্গে দণ্ডপ্রাপ্ত মায়ের শিশুদের সুস্থ-স্বাভাবিক ও পরিপূর্ণ শারীরিক-মানসিক বিকাশে সুনির্দিষ্ট বিধি-বিধান প্রণয়নের জন্য আহ্বান জানায়।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ফাঁসির সেলের আয়তন প্রায় ১০ / ১০ ফুট, সেলগুলোতে পর্যাপ্ত আলো-বাতাস এবং সরাসরি পানির কোনো ব্যবস্থা নেই। দিনে দেড় ঘণ্টার জন্য সেলের তালা খুলে দেওয়া হয়। সারা রাত জ্বলে উচ্চ আলোসম্পন্ন বৈদ্যুতিক বাতি। একজন সশ্রম কারাবন্দী যে হারে খাবার পান ফাঁসির সেলে বন্দী মায়েদেরও একই নিয়মে খাবার দেওয়া হয়ে থাকে।
অন্যদিকে সম্প্রতি প্রকাশিত আরেকটি সংবাদে দেখা যায়, ঋণের নির্ধারিত কিস্তি পরিশোধ করতে ব্যর্থ হবার কারণে বরিশালের আগৈলঝাড়ায় পুলিশ এক মা ও তাঁর শিশুকে একত্রেই কারাগারে পাঠিয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, কারাগার কোনোভাবেই একটি শিশুর জন্য আদর্শ স্থান হতে পারে না। এটি অত্যন্ত দুঃখজনক যে দণ্ডপ্রাপ্ত মায়েদের সন্তানদের অধিকারের বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হয় না বরং বর্তমান ব্যবস্থায় এই শিশুদের তাঁদের মায়েদের সঙ্গে শাস্তি ভোগ করতে হচ্ছে, তাঁরা একটি স্বাভাবিক জীবন-যাপনের সুযোগ থেকে বঞ্চিত থেকে যাচ্ছে। এ অবস্থা কোনভাবেই কাম্য নয়। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক আইন অনুসারে, দেশের সকল শিশুর সুরক্ষা প্রদানে রাষ্ট্রের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
কোয়ালিশন মনে করে, বিদ্যমান আইনি কাঠামো দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের সন্তানদের অধিকার সুরক্ষার জন্য যথেষ্ট নয়। কোয়ালিশন তাই এই বিশেষ পরিস্থিতির শিকার শিশুদের ‘সর্বোত্তম স্বার্থ’ বিবেচনায় নিয়ে তাঁদের মানবাধিকার রক্ষা ও শারীরিক-মানসিক বিকাশ নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় আইন, প্রবিধান বা নীতিমালা প্রণয়নে দ্রুততার সঙ্গে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জোর দাবী জানায়।
চাইল্ডস রাইটস অ্যাডভোকেসি কোয়ালিশন ইন বাংলাদেশ ১০টি শিশু অধিকারভিত্তিক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংগঠন এবং নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত যারা ২০১৩ সাল থেকে শিশু অধিকার উন্নয়ন ও সুরক্ষায় কাজ করছে।

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নে গুলিবিদ্ধ শিশু আফনান ও নাফ নদীতে মাইন বিস্ফোরণে আহত যুবক মো. হানিফের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে উপজেলা প্রশাসন। পাশাপাশি জেলা পরিষদের পক্ষ থেকেও আরও কিছু অনুদান দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
১৪ মিনিট আগে
ডা. মহিউদ্দিনকে কারাগার থেকে আজ আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. মিজানুর রহমান তাঁকে জুলাই আন্দোলনে মিরপুর থানার মাহফুজ আলম শ্রাবণ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।
২৭ মিনিট আগে
ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় খাগড়াছড়ি জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল মোমেন বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
১ ঘণ্টা আগে
আহত ব্যক্তিদের মধ্যে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই ফরিদ আহমেদ গুরুতর আহত হয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন। অন্য চার পুলিশ সদস্য প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুস সাকিব।
২ ঘণ্টা আগে