শহিদুল ইসলাম, শিবালয় (মানিকগঞ্জ)

আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মানিকগঞ্জ-১ (ঘিওর-দৌলতপুর-শিবালয়) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন লাভের প্রত্যাশায় ফরম কিনেছেন ৮ জন। এদের মধ্যে নৌকার টিকিট কে পাচ্ছেন তা নিয়ে তৃণমূলে দলীয় নেতা-কর্মীরা রয়েছেন বেশ উদ্বিগ্ন।
দলীয় মনোনয়ন লাভের আশায় এ আসনে নৌকার মনোনয়ন ফরম ক্রয় ও জমা দিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগ সদস্য এএম. নাঈমুর রহমান দুর্জয়, জেলা আওয়ামী লীগ সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য এবিএম. আনোয়ারুল হক, জেলা আওয়ামী লীগ উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও কেন্দ্রীয় যুবলীগ সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সালাউদ্দিন মাহমুদ জাহিদ, জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম, স্বেচ্ছাসেবক লীগ কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও দৌলতপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. নুরুল ইসলাম রাজা, শিবালয় উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা রেজাউর রহমান খান জানু, দৌলতপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ সদস্য মো. শফিকুল ইসলাম শফিক এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কৃষি ও সমবায় বিষয়ক উপকমিটির সদস্য মোহাম্মদ শিহাব উদ্দিন।
সর্বশেষ কার হাতে যাবে নৌকার টিকিট এ নিয়ে তৃণমূলে নেতা-কর্মীরা বেশ উদ্বেগে রয়েছেন। তবে কৌশলে তাঁদের কাছে টানার চেষ্টা চালাচ্ছেন মনোনয়ন প্রত্যাশীরা।
দলীয় বিভিন্ন সূত্র আজকের পত্রিকাকে জানিয়েছেন, মনোনয়ন লাভের প্রত্যাশায় যারাই ফরম সংগ্রহ করছেন না কেন, দলের তৃণমূলের নেতা-কর্মী বান্ধবের হাতেই নৌকার টিকিট তুলে দেবেন দলীয় সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আর তার দেওয়া সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত।
শিবালয়-ঘিওর ও দৌলতপুর উপজেলা আওয়ামী লীগসহ সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তাঁদের বড় অংশ এ প্রতিবেদককে জানিয়েছেন, বর্তমান সংসদ সদস্য এএম নাইমুর রহমান দুর্জয়ের পুনরায় নৌকার টিকিট পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছ। এ ক্ষেত্রে বাকি নেতা-কর্মীরা বলছেন ভিন্ন কথা।
তাঁদের বক্তব্য, গত কয়েক বছরে দলীয় নেতা-কর্মীদের পাশ কাটিয়ে দুর্জয় তাঁর পরিবার ও পছন্দের লোকজন দিয়ে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নসহ বৈধ-অবৈধ নানা ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনা করেছেন। শিবালয়ে হাইটেক পার্ক, আন্তর্জাতিক মানের ক্রিকেট স্টেডিয়াম, পাওয়ার প্ল্যান্টসহ বিভিন্ন মেগা প্রকল্পের প্রতিশ্রুতি দিলেও তা বাস্তবায়নে নানা নাটকীয়তায় ক্ষুব্ধ জনসাধারণ।
প্রকল্প ও অনুদানে অংশী হতে না পারায় নিজ পরিবারের মধ্যেও চলছে গৃহদাহ। এরই মধ্যে মাঠের দায়িত্বশীল অনেক নেতা-কর্মী বয়কট করছে তাঁর নানা মিটিং-মিছিল ও সমাবেশ। সব মিলিয়ে দুর্জয় পুনরায় মনোনয়ন পেলে মনোনয়নপ্রত্যাশী বাকিদের বেশির ভাগ তা প্রত্যাখ্যান করে দল বা অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীদের মতামতের ভিত্তিতে বিকল্প কিছু করবেন—এমনটাই স্থানীয়দের মুখে শোনা যাচ্ছে। তবে মনোনয়নপ্রত্যাশীরা কেউ এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।
নাম পদবি প্রকাশ না করার শর্তে দলের সিনিয়র কয়েকজন নেতা বলেছেন, বর্তমান এমপি দলের ত্যাগী ও দায়িত্বশীল অনেককে কাছে টানতে না পারায় নতুনদের কদর বেড়েছে। মনোনয়নপ্রত্যাশী নতুন দু’একজনের সভা-সমাবেশে লোকসমাগম বাড়ছে। এসব মিলিয়ে কে পাচ্ছেন নৌকা টিকিট তা নিয়ে তৃণমূলে নেতা–কর্মীরা বেশ উদ্বিগ্ন রয়েছেন।

আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মানিকগঞ্জ-১ (ঘিওর-দৌলতপুর-শিবালয়) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন লাভের প্রত্যাশায় ফরম কিনেছেন ৮ জন। এদের মধ্যে নৌকার টিকিট কে পাচ্ছেন তা নিয়ে তৃণমূলে দলীয় নেতা-কর্মীরা রয়েছেন বেশ উদ্বিগ্ন।
দলীয় মনোনয়ন লাভের আশায় এ আসনে নৌকার মনোনয়ন ফরম ক্রয় ও জমা দিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগ সদস্য এএম. নাঈমুর রহমান দুর্জয়, জেলা আওয়ামী লীগ সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য এবিএম. আনোয়ারুল হক, জেলা আওয়ামী লীগ উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও কেন্দ্রীয় যুবলীগ সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সালাউদ্দিন মাহমুদ জাহিদ, জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম, স্বেচ্ছাসেবক লীগ কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও দৌলতপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. নুরুল ইসলাম রাজা, শিবালয় উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা রেজাউর রহমান খান জানু, দৌলতপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ সদস্য মো. শফিকুল ইসলাম শফিক এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কৃষি ও সমবায় বিষয়ক উপকমিটির সদস্য মোহাম্মদ শিহাব উদ্দিন।
সর্বশেষ কার হাতে যাবে নৌকার টিকিট এ নিয়ে তৃণমূলে নেতা-কর্মীরা বেশ উদ্বেগে রয়েছেন। তবে কৌশলে তাঁদের কাছে টানার চেষ্টা চালাচ্ছেন মনোনয়ন প্রত্যাশীরা।
দলীয় বিভিন্ন সূত্র আজকের পত্রিকাকে জানিয়েছেন, মনোনয়ন লাভের প্রত্যাশায় যারাই ফরম সংগ্রহ করছেন না কেন, দলের তৃণমূলের নেতা-কর্মী বান্ধবের হাতেই নৌকার টিকিট তুলে দেবেন দলীয় সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আর তার দেওয়া সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত।
শিবালয়-ঘিওর ও দৌলতপুর উপজেলা আওয়ামী লীগসহ সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তাঁদের বড় অংশ এ প্রতিবেদককে জানিয়েছেন, বর্তমান সংসদ সদস্য এএম নাইমুর রহমান দুর্জয়ের পুনরায় নৌকার টিকিট পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছ। এ ক্ষেত্রে বাকি নেতা-কর্মীরা বলছেন ভিন্ন কথা।
তাঁদের বক্তব্য, গত কয়েক বছরে দলীয় নেতা-কর্মীদের পাশ কাটিয়ে দুর্জয় তাঁর পরিবার ও পছন্দের লোকজন দিয়ে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নসহ বৈধ-অবৈধ নানা ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনা করেছেন। শিবালয়ে হাইটেক পার্ক, আন্তর্জাতিক মানের ক্রিকেট স্টেডিয়াম, পাওয়ার প্ল্যান্টসহ বিভিন্ন মেগা প্রকল্পের প্রতিশ্রুতি দিলেও তা বাস্তবায়নে নানা নাটকীয়তায় ক্ষুব্ধ জনসাধারণ।
প্রকল্প ও অনুদানে অংশী হতে না পারায় নিজ পরিবারের মধ্যেও চলছে গৃহদাহ। এরই মধ্যে মাঠের দায়িত্বশীল অনেক নেতা-কর্মী বয়কট করছে তাঁর নানা মিটিং-মিছিল ও সমাবেশ। সব মিলিয়ে দুর্জয় পুনরায় মনোনয়ন পেলে মনোনয়নপ্রত্যাশী বাকিদের বেশির ভাগ তা প্রত্যাখ্যান করে দল বা অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীদের মতামতের ভিত্তিতে বিকল্প কিছু করবেন—এমনটাই স্থানীয়দের মুখে শোনা যাচ্ছে। তবে মনোনয়নপ্রত্যাশীরা কেউ এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।
নাম পদবি প্রকাশ না করার শর্তে দলের সিনিয়র কয়েকজন নেতা বলেছেন, বর্তমান এমপি দলের ত্যাগী ও দায়িত্বশীল অনেককে কাছে টানতে না পারায় নতুনদের কদর বেড়েছে। মনোনয়নপ্রত্যাশী নতুন দু’একজনের সভা-সমাবেশে লোকসমাগম বাড়ছে। এসব মিলিয়ে কে পাচ্ছেন নৌকা টিকিট তা নিয়ে তৃণমূলে নেতা–কর্মীরা বেশ উদ্বিগ্ন রয়েছেন।

রাজধানীর কদমতলী এলাকায় শাহাবুদ্দিন (৪০) নামে এক ভাঙ্গারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে কদমতলী কুদার বাজার আদর্শ সড়ক এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। মুমূর্ষু অবস্থায় স্বজনরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসলে চিকিৎসক রাত সাড়ে ১১টার দিকে মৃত ঘোষণা করেন।
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ কর্মীদের বিএনপিতে ভেড়ানোর অভিযোগ উঠেছে খোদ দলটির কোনো কোনো নেতার বিরুদ্ধে। এ নিয়ে দলীয় নেতারা একে অপরকে দায়ী করছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এ বিষয়ে কথা চালাচালি হচ্ছে। এদিকে আওয়ামী লীগ কর্মীদের দলে ভেড়ানোকে আশঙ্কাজনক বলছেন বিএনপির শীর্ষ নেতারা।
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নাটোর-২ (সদর-নলডাঙ্গা) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও সাবেক উপমন্ত্রী রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুর প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মাঠে রয়েছেন তাঁর স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন। ১ জানুয়ারি যাচাই-বাছাই শেষে নির্বাচন কমিশন রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু ও সাবিনা ইয়াসমিনসহ...
১ ঘণ্টা আগে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে শেরপুরের তিনটি নির্বাচনী এলাকাতেই স্বতন্ত্র প্রার্থীদের চাপে পড়েছে বিএনপি। আর দীর্ঘদিন একক প্রার্থী নিয়ে মাঠে থাকলেও জোটের প্রার্থী ঘোষণা নিয়ে চাপে পড়েছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন জোটও।
২ ঘণ্টা আগে