কুমিল্লা প্রতিনিধি

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ২০১৫ সালে পেট্রলবোমা হামলা ও কাভার্ড ভ্যানে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় করা হত্যা ও নাশকতার তিনটি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে এসব মামলায় বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধেও মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লার জেলা সরকারি কৌঁসুলি (জেলা পিপি) মো. কাইমুল হক রিংকু। আজ সোমবার বিকেলে সাংবাদিকদের তিনি এসব তথ্য জানান।
পিপি কাইমুল হক রিংকু বলেন, ২০১৫ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি চৌদ্দগ্রাম উপজেলার জগমোহনপুর এলাকায় মহাসড়কে একটি যাত্রীবাহী বাসে পেট্রলবোমা হামলায় আট যাত্রী নিহত হন। ঘটনার পর হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি পৃথক মামলা করা হয়। মামলার বাদী ছিলেন তৎকালীন চৌদ্দগ্রাম থানার পুলিশ কর্মকর্তা নুরুজ্জামান হাওলাদার।
তদন্ত শেষে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াসহ ৭৮ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দেওয়া হয়। পরে আদালতে শুনানিতে খালেদা জিয়ার সম্পৃক্ততার কোনো প্রমাণ না পাওয়ায় কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-২-এর বিচারক সফিকুল ইসলাম তাঁকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন। কারণ, ঘটনার সময় তিনি গুলশানের নিজ বাসায় অবরুদ্ধ অবস্থায় ছিলেন।
অপরদিকে ২০১৫ সালের ২৫ জানুয়ারি চৌদ্দগ্রামের হায়দারপুর এলাকায় কাভার্ড ভ্যান পোড়ানোর ঘটনায় করা আরেকটি নাশকতার মামলায় বেগম খালেদা জিয়াসহ ৩২ জনকে আসামি করা হয়। পরে এই মামলায় আরও ১০ জনের নাম যুক্ত করে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। এ মামলার বাদীও ছিলেন একই কর্মকর্তা, এসআই নুরুজ্জামান হাওলাদার। শুনানিতে এই মামলায়ও খালেদা জিয়ার সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ না পাওয়ায় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-১-এর বিচারক আফরোজা শিউলি তাঁকে অব্যাহতি দেন।
জেলা পিপি কাইমুল হক রিংকু আরও জানান, ওই সময়কার মামলাগুলো তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে করা হয়েছিল বলে বিবেচনায় নিয়ে আইন মন্ত্রণালয়ে মামলা প্রত্যাহারের আবেদন করা হয়। মন্ত্রণালয় আবেদনটি গ্রহণ করে মামলা তিনটি প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছে। ফলে এখন থেকে চৌদ্দগ্রাম থানায় বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের বিরুদ্ধে আর কোনো মামলা নেই।

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ২০১৫ সালে পেট্রলবোমা হামলা ও কাভার্ড ভ্যানে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় করা হত্যা ও নাশকতার তিনটি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে এসব মামলায় বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধেও মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লার জেলা সরকারি কৌঁসুলি (জেলা পিপি) মো. কাইমুল হক রিংকু। আজ সোমবার বিকেলে সাংবাদিকদের তিনি এসব তথ্য জানান।
পিপি কাইমুল হক রিংকু বলেন, ২০১৫ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি চৌদ্দগ্রাম উপজেলার জগমোহনপুর এলাকায় মহাসড়কে একটি যাত্রীবাহী বাসে পেট্রলবোমা হামলায় আট যাত্রী নিহত হন। ঘটনার পর হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি পৃথক মামলা করা হয়। মামলার বাদী ছিলেন তৎকালীন চৌদ্দগ্রাম থানার পুলিশ কর্মকর্তা নুরুজ্জামান হাওলাদার।
তদন্ত শেষে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াসহ ৭৮ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দেওয়া হয়। পরে আদালতে শুনানিতে খালেদা জিয়ার সম্পৃক্ততার কোনো প্রমাণ না পাওয়ায় কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-২-এর বিচারক সফিকুল ইসলাম তাঁকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন। কারণ, ঘটনার সময় তিনি গুলশানের নিজ বাসায় অবরুদ্ধ অবস্থায় ছিলেন।
অপরদিকে ২০১৫ সালের ২৫ জানুয়ারি চৌদ্দগ্রামের হায়দারপুর এলাকায় কাভার্ড ভ্যান পোড়ানোর ঘটনায় করা আরেকটি নাশকতার মামলায় বেগম খালেদা জিয়াসহ ৩২ জনকে আসামি করা হয়। পরে এই মামলায় আরও ১০ জনের নাম যুক্ত করে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। এ মামলার বাদীও ছিলেন একই কর্মকর্তা, এসআই নুরুজ্জামান হাওলাদার। শুনানিতে এই মামলায়ও খালেদা জিয়ার সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ না পাওয়ায় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-১-এর বিচারক আফরোজা শিউলি তাঁকে অব্যাহতি দেন।
জেলা পিপি কাইমুল হক রিংকু আরও জানান, ওই সময়কার মামলাগুলো তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে করা হয়েছিল বলে বিবেচনায় নিয়ে আইন মন্ত্রণালয়ে মামলা প্রত্যাহারের আবেদন করা হয়। মন্ত্রণালয় আবেদনটি গ্রহণ করে মামলা তিনটি প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছে। ফলে এখন থেকে চৌদ্দগ্রাম থানায় বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের বিরুদ্ধে আর কোনো মামলা নেই।

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী সরকারি আরএসকেএইচ ইনস্টিটিউশন মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রবেশদ্বারের পাশেই সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে নির্মাণ করা হয় একটি পাবলিক টয়লেট (ওয়াশ ব্লক)। কিন্তু উদ্বোধনের পর প্রায় আড়াই বছরেও ১৬ লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে নির্মিত...
৩৮ মিনিট আগে
ফিরোজ দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে ঢাকায় থেকে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকের কারবার করে আসছিলেন। ঢাকায় তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকায় প্রায় পাঁচ বছর আগে তিনি টঙ্গিবাড়ীর দক্ষিণ বেতকা গ্রামে খালুর বাড়িতে এসে বসবাস শুরু করেন। সেখানে থেকেই তিনি মাদকের কারবার চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
৪১ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৬ ঘণ্টা আগে