কুমিল্লা প্রতিনিধি

কুমিল্লায় ব্যবসায়ী রাজু হত্যা মামলায় চারজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ৫ম আদালতের বিচারক মোছা ফরিদা ইয়াসমিন এ রায় দেন। একই সঙ্গে আদালত প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করেছেন।
মামলায় রাষ্ট্র পক্ষের অতিরিক্ত কৌশলী (এপিপি) মো. রফিকুল ইসলাম রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন–উপজেলার উত্তর ত্রিশ গ্রামের রফিক মিয়া, একই উপজেলার মির্জানগর গ্রামের সুমন মিয়া, আবদুল মান্নান ও ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার মাধবপুর গ্রামের নাজমুল শিকদার।
মামলা সূত্রে জানা যায়, জেলার মুরাদনগর উপজেলার কোম্পানীগঞ্জ বাজারে কাপড়ের ব্যবসা করত নিহত রাজু। তার প্রতিবেশী মোবাইল দোকানদার রফিকুল ইসলামের কাছে সে সাড়ে তিন লাখ টাকা পায়। এ আর্থিক লেনদেন নিয়ে তাদের সঙ্গে বিরোধ সৃষ্টি হয়।
এ বিরোধের জেরে রফিকুল স্থানীয় কসাই সুমনকে সঙ্গে নিয়ে হত্যার পরিকল্পনা করেন। সে অনুযায়ী ২০১৩ সালের ২ ডিসেম্বর রাজুকে মোবাইল ফোনে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়। তাঁর মাথা বিচ্ছিন্ন করে সেফটি ট্যাংকে ফেলে দেওয়া হয়। দেহটি মাটি চাপা দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা মো. মোস্তফা বাদী হয়ে মুরাদনগর থানায় আটজনকে সন্দেহভাজন আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ তদন্ত করে হত্যার সঙ্গে জড়িত চারজনকে আসামিকে করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।
বে বিষয়ে এপিপি মো. রফিকুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী রফিকুল ইসলাম নিহত ব্যবসায়ী রাজুর পাওনা টাকা ফেরত না দেওয়ায় তার সঙ্গে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এ জন্য তিনি কসাই সুমনসহ অন্যদের ভাড়া করেন। সবাই রাজুকে হাত–পা চেপে ধরে আর কসাই সুমন ছড়ি দিয়ে গলা বিচ্ছিন্ন করে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এ বিষয়ে সবাই আদালতে স্বীকারোক্তি দেন। এ হত্যা মামলায় ৪৭ জন সাক্ষীর মধ্যে ২২ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষে ২২ সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাদের মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রদান করেন আদালত। এ ছাড়া প্রত্যককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। রায় ঘোষণাকালে সব আসামি পলাতক ছিলেন।’

কুমিল্লায় ব্যবসায়ী রাজু হত্যা মামলায় চারজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ৫ম আদালতের বিচারক মোছা ফরিদা ইয়াসমিন এ রায় দেন। একই সঙ্গে আদালত প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করেছেন।
মামলায় রাষ্ট্র পক্ষের অতিরিক্ত কৌশলী (এপিপি) মো. রফিকুল ইসলাম রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন–উপজেলার উত্তর ত্রিশ গ্রামের রফিক মিয়া, একই উপজেলার মির্জানগর গ্রামের সুমন মিয়া, আবদুল মান্নান ও ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার মাধবপুর গ্রামের নাজমুল শিকদার।
মামলা সূত্রে জানা যায়, জেলার মুরাদনগর উপজেলার কোম্পানীগঞ্জ বাজারে কাপড়ের ব্যবসা করত নিহত রাজু। তার প্রতিবেশী মোবাইল দোকানদার রফিকুল ইসলামের কাছে সে সাড়ে তিন লাখ টাকা পায়। এ আর্থিক লেনদেন নিয়ে তাদের সঙ্গে বিরোধ সৃষ্টি হয়।
এ বিরোধের জেরে রফিকুল স্থানীয় কসাই সুমনকে সঙ্গে নিয়ে হত্যার পরিকল্পনা করেন। সে অনুযায়ী ২০১৩ সালের ২ ডিসেম্বর রাজুকে মোবাইল ফোনে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়। তাঁর মাথা বিচ্ছিন্ন করে সেফটি ট্যাংকে ফেলে দেওয়া হয়। দেহটি মাটি চাপা দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা মো. মোস্তফা বাদী হয়ে মুরাদনগর থানায় আটজনকে সন্দেহভাজন আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ তদন্ত করে হত্যার সঙ্গে জড়িত চারজনকে আসামিকে করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।
বে বিষয়ে এপিপি মো. রফিকুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী রফিকুল ইসলাম নিহত ব্যবসায়ী রাজুর পাওনা টাকা ফেরত না দেওয়ায় তার সঙ্গে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এ জন্য তিনি কসাই সুমনসহ অন্যদের ভাড়া করেন। সবাই রাজুকে হাত–পা চেপে ধরে আর কসাই সুমন ছড়ি দিয়ে গলা বিচ্ছিন্ন করে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এ বিষয়ে সবাই আদালতে স্বীকারোক্তি দেন। এ হত্যা মামলায় ৪৭ জন সাক্ষীর মধ্যে ২২ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষে ২২ সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাদের মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রদান করেন আদালত। এ ছাড়া প্রত্যককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। রায় ঘোষণাকালে সব আসামি পলাতক ছিলেন।’

এবার রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছ থেকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পেলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের দুই ইউনিয়ন) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন, ঔদ্ধত্যপূর্ণ ও অসৌজন্যমূলক আচরণ করে...
১৭ মিনিট আগে
খুব সকালে কড়া নিরাপত্তার মাধ্যমে চিন্ময়সহ ২৩ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিজিবি মিলিয়ে শতাধিক সদস্য আদালত প্রাঙ্গণে মোতায়েন করা হয়। খুব কম সময়ের মধ্যে আদালতে মামলার কার্যক্রম শেষ করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
ফাওজুল কবির খান বলেন, ‘আপনি যদি বাংলাদেশের মঙ্গল চান, আপনি যদি রাজপথের সহিংসতা দেখতে না চান, যদি মানুষের খুন দেখতে না চান—তাহলে অবশ্যই ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবেন। দেশের চাবি আপনার হাতে। এই জন্যই আমাদের গণভোটের প্রচারণায় ভোটের গাড়ি।
১ ঘণ্টা আগে
বাড্ডায় সড়ক ছেড়ে গেছেন অবরোধরত ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালকেরা। এতে কুড়িল-রামপুরা সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাড্ডার ফুজি টাওয়ার এলাকায় অবরোধ কর্মসূচি শুরু করেন তাঁরা।
১ ঘণ্টা আগে