কুমিল্লা প্রতিনিধি

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনের ভোটকেন্দ্রের বাইরে ঈগল প্রতীকের সমর্থকদের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কির মধ্যে নৌকার সমর্থক এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। আজ রোববার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার গুনাইঘর (দ.) ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ৭৭ নং কাশারিখোলা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রের বাইরে এ ঘটনা ঘটে।
মৃত নোয়াব আলী (৬০) কাশারীখোলা গ্রামের মৃত আবদি মিয়ার ছেলে। তিনি নৌকা প্রতীকের সমর্থক ছিলেন বলে তাঁর ছেলে মো. জুয়েল রানার দাবি।
জুয়েল রানা আজকের পত্রিকাকে বলেন, তার বাবা সকালে ভোট দিয়ে কেন্দ্র থেকে ফেরার পর তার চাচা মো. সেলিম মাস্টারের (নৌকা সমর্থক) সঙ্গে ভোট নিয়ে কথা বলছিলেন।
জুয়েল রানা বলেন, ‘এ সময় ঈগল প্রতীকের কয়েকজন সমর্থক এসে আমার বাবাকে ধাক্কা দিয়ে বাবার গলায় প্যাঁচানো গামছা ধরে হ্যাঁচকা টান দিলে তিনি মাটিতে পড়ে যান। তুলে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এ আলী হাসান আজকের পত্রিকাকে বলেন, দেবিদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসার আগেই নোয়াব আলী মারা যান। তাঁর শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন ছিল না।
মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে ময়নাতদন্তে বিস্তারিত জানা যাবে।
দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নয়ন মিয়া আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে একজন মৃত ব্যক্তি হাসপাতালে আছে মর্মে সংবাদ পেয়েছি, ডাক্তার বলেছেন, তাঁর শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন নেই। মৃত্যুর ঘটনাটি রাজনৈতিক সহিংসতায় নাকি অন্য কোনো ঘটনায়, তা তদন্তের পূর্বে কিছু বলা যাবে না।’
সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিগার সুলতানা জানান, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট আসার পরই মৃত্যুর বিষয় নিশ্চিত বলা যাবে।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনের ভোটকেন্দ্রের বাইরে ঈগল প্রতীকের সমর্থকদের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কির মধ্যে নৌকার সমর্থক এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। আজ রোববার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার গুনাইঘর (দ.) ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ৭৭ নং কাশারিখোলা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রের বাইরে এ ঘটনা ঘটে।
মৃত নোয়াব আলী (৬০) কাশারীখোলা গ্রামের মৃত আবদি মিয়ার ছেলে। তিনি নৌকা প্রতীকের সমর্থক ছিলেন বলে তাঁর ছেলে মো. জুয়েল রানার দাবি।
জুয়েল রানা আজকের পত্রিকাকে বলেন, তার বাবা সকালে ভোট দিয়ে কেন্দ্র থেকে ফেরার পর তার চাচা মো. সেলিম মাস্টারের (নৌকা সমর্থক) সঙ্গে ভোট নিয়ে কথা বলছিলেন।
জুয়েল রানা বলেন, ‘এ সময় ঈগল প্রতীকের কয়েকজন সমর্থক এসে আমার বাবাকে ধাক্কা দিয়ে বাবার গলায় প্যাঁচানো গামছা ধরে হ্যাঁচকা টান দিলে তিনি মাটিতে পড়ে যান। তুলে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এ আলী হাসান আজকের পত্রিকাকে বলেন, দেবিদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসার আগেই নোয়াব আলী মারা যান। তাঁর শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন ছিল না।
মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে ময়নাতদন্তে বিস্তারিত জানা যাবে।
দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নয়ন মিয়া আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে একজন মৃত ব্যক্তি হাসপাতালে আছে মর্মে সংবাদ পেয়েছি, ডাক্তার বলেছেন, তাঁর শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন নেই। মৃত্যুর ঘটনাটি রাজনৈতিক সহিংসতায় নাকি অন্য কোনো ঘটনায়, তা তদন্তের পূর্বে কিছু বলা যাবে না।’
সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিগার সুলতানা জানান, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট আসার পরই মৃত্যুর বিষয় নিশ্চিত বলা যাবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৩ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৪ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে