বুড়িচং (কুমিল্লা) প্রতিনিধি

কুমিল্লার বুড়িচংয়ে সবজি ব্যবসায়ী মনির হোসেনকে হত্যার ঘটনায় মৃতের স্ত্রীর প্রেমিক নূর আলমকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি পুলিশ। গতকাল বুধবার রাতে তাঁকে বুড়িচং থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
সবজি ব্যবসায়ী মনির হোসেন দাউদকান্দি পৌরসভার তুরাজভাঙ্গা এলাকার বাসিন্দা।
গ্রেপ্তারকৃত নূর আলম দাউদকান্দির তুরাজভাঙ্গা গ্রামের ফজলুর রহমানের ছেলে। তিনি একজন পিকআপচালক।
গতকাল রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে ডিবি পুলিশ জানায়, গত ১০ সেপ্টেম্বর মনির হোসেনের মরদেহ বুড়িচং উপজেলার মোকাম ইউনিয়নের পরিহলপাড়া চেয়ারম্যানবাড়ির রাস্তার পাশ থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় তাঁর মা রেহানা বেগম বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে বুড়িচং থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলাটির তদন্ত শুরু করে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।
তদন্তে দেখা যায়, মনির হোসেনের স্ত্রী নাজমার সঙ্গে নূর আলম মিয়ার দেড় বছর ধরে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক চলছিল। এ নিয়ে মনির হোসেনের সঙ্গে নাজমার মনোমালিন্যের সৃষ্টি হয়। এরই জেরে নাজমা দুই ছেলেকে নিয়ে তাঁর বোন বিউটির বাড়িতে চলে যান। সেখানে নুর আলমের সঙ্গে নাজমার সম্পর্ক আরও গভীর হয়।
পরে পারিবারিকভাবে কথা বলে নাজমা পুনরায় দুই ছেলেকে নিয়ে তাঁর স্বামীর বাড়িতে ফিরে আসেন। বিষয়টি জানতে পেরে নুর আলম নাজমাকে তাঁর কাছে চলে যেতে বলেন। নাজমা স্বামীর ঘর ছেড়ে আর কোথাও যাবে না জানালে ঘাতক নুর আলম ক্ষিপ্ত হয়ে মনির হোসেনকে খুন করেন।
এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বুড়িচং থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জাহিদ হাসান বলেন, আসামি নূর আলম হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। তা ছাড়া তিনি হত্যার বিষয়ে যেসব তথ্য দিয়েছেন, তা যাচাইবাছাই করা হচ্ছে। আরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে সাত দিন রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে।
বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ রহমান বলেন, গ্রেপ্তার নূর আলম বর্তমানে জেলহাজতে রয়েছেন। তাঁকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করলে আরও তথ্য পাওয়া যাবে।

কুমিল্লার বুড়িচংয়ে সবজি ব্যবসায়ী মনির হোসেনকে হত্যার ঘটনায় মৃতের স্ত্রীর প্রেমিক নূর আলমকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি পুলিশ। গতকাল বুধবার রাতে তাঁকে বুড়িচং থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
সবজি ব্যবসায়ী মনির হোসেন দাউদকান্দি পৌরসভার তুরাজভাঙ্গা এলাকার বাসিন্দা।
গ্রেপ্তারকৃত নূর আলম দাউদকান্দির তুরাজভাঙ্গা গ্রামের ফজলুর রহমানের ছেলে। তিনি একজন পিকআপচালক।
গতকাল রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে ডিবি পুলিশ জানায়, গত ১০ সেপ্টেম্বর মনির হোসেনের মরদেহ বুড়িচং উপজেলার মোকাম ইউনিয়নের পরিহলপাড়া চেয়ারম্যানবাড়ির রাস্তার পাশ থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় তাঁর মা রেহানা বেগম বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে বুড়িচং থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলাটির তদন্ত শুরু করে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।
তদন্তে দেখা যায়, মনির হোসেনের স্ত্রী নাজমার সঙ্গে নূর আলম মিয়ার দেড় বছর ধরে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক চলছিল। এ নিয়ে মনির হোসেনের সঙ্গে নাজমার মনোমালিন্যের সৃষ্টি হয়। এরই জেরে নাজমা দুই ছেলেকে নিয়ে তাঁর বোন বিউটির বাড়িতে চলে যান। সেখানে নুর আলমের সঙ্গে নাজমার সম্পর্ক আরও গভীর হয়।
পরে পারিবারিকভাবে কথা বলে নাজমা পুনরায় দুই ছেলেকে নিয়ে তাঁর স্বামীর বাড়িতে ফিরে আসেন। বিষয়টি জানতে পেরে নুর আলম নাজমাকে তাঁর কাছে চলে যেতে বলেন। নাজমা স্বামীর ঘর ছেড়ে আর কোথাও যাবে না জানালে ঘাতক নুর আলম ক্ষিপ্ত হয়ে মনির হোসেনকে খুন করেন।
এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বুড়িচং থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জাহিদ হাসান বলেন, আসামি নূর আলম হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। তা ছাড়া তিনি হত্যার বিষয়ে যেসব তথ্য দিয়েছেন, তা যাচাইবাছাই করা হচ্ছে। আরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে সাত দিন রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে।
বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ রহমান বলেন, গ্রেপ্তার নূর আলম বর্তমানে জেলহাজতে রয়েছেন। তাঁকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করলে আরও তথ্য পাওয়া যাবে।

খুব সকালে কড়া নিরাপত্তার মাধ্যমে চিন্ময়সহ ২৩ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিজিবি মিলিয়ে শতাধিক সদস্য আদালত প্রাঙ্গণে মোতায়েন করা হয়। খুব কম সময়ের মধ্যে আদালতে মামলার কার্যক্রম শেষ করা হয়।
১৩ মিনিট আগে
ফাওজুল কবির খান বলেন, ‘আপনি যদি বাংলাদেশের মঙ্গল চান, আপনি যদি রাজপথের সহিংসতা দেখতে না চান, যদি মানুষের খুন দেখতে না চান—তাহলে অবশ্যই ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবেন। দেশের চাবি আপনার হাতে। এই জন্যই আমাদের গণভোটের প্রচারণায় ভোটের গাড়ি।
১৭ মিনিট আগে
বাড্ডায় সড়ক ছেড়ে গেছেন অবরোধরত ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালকেরা। এতে কুড়িল-রামপুরা সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাড্ডার ফুজি টাওয়ার এলাকায় অবরোধ কর্মসূচি শুরু করেন তাঁরা।
২৮ মিনিট আগে
অনেকটা মানসিক রোগীর মতো আচরণ করলেও খুব ঠান্ডা মাথায় এক বৃদ্ধা, এক নারী ও এক কিশোরীসহ ছয়জনকে খুন করেছেন মশিউর রহমান ওরফে সম্রাট (৪০)। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি এসব খুনের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
৩৬ মিনিট আগে