কুমিল্লা প্রতিনিধি

কুমিল্লায় কলসিভর্তি স্বর্ণ পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে এবং পরিবারের সদস্যদের বিপদের কথা বলে ৩০ ভরি স্বর্ণ আত্মসাৎ করেছে মাজারের খাদেম পরিচয়দানকারী একটি চক্র।
এ ঘটনায় আজ সোমবার মাজারের কথিত খাদেমসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার রামনাথপুর এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাজেশ বড়ুয়া।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ থানার রামনাথপুর মধ্যপাড়ার মৃত শাফিরুল ইসলামের ছেলে পারভেজ হোসেন (২২) একই এলাকার আইয়ুব আলীর ছেলে মো. আফজাল (৩০) ও মো. মান্নান গাছুর ছেলে মো. আরিফ (২২)।
জেলা গোয়েন্দা পুলিশ বলছে, কুমিল্লার লালমাই এলাকার ভুক্তভোগী আয়েশা বেগমকে ২৫ আগস্ট রাতে সিলেট শাহজালাল মাজারের পীর পরিচয় দিয়ে তাঁর মোবাইল ফোনে কল দেয়। পরে স্বর্ণভর্তি দুটি কলসির প্রলোভন দেখিয়ে এবং পরিবারের সদস্যদের বিপদের কথা বলে ৩০ ভরি স্বর্ণ আত্মসাৎ করে নিয়ে যায়। এ বিষয়ে প্রতারিত হয়ে আয়েশা বেগম গত ৫ সেপ্টেম্বর কুমিল্লার লালমাই থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন।
গ্রেপ্তারকৃতদের বরাত দিয়ে পুলিশ বলছে, আসামিরা এ ঘটনার কথা স্বীকার করেছেন এবং তাঁরা দীর্ঘদিন যাবৎ এভাবে মধ্যরাতে ফোন করে নিজেদের বিভিন্ন মাজারের পীর, বাবা আখ্যা দিয়ে গুপ্তধন পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভনসহ পরিবারের সদস্যদের অমঙ্গল হবে বলে প্রতারণার মাধ্যমে স্বর্ণালংকার, অর্থ আত্মসাৎ করে থাকেন। এ ছাড়া তাঁরা এসব প্রতারণার জন্য মধ্যরাত এবং ভোররাতকেই প্রাধান্য দেন।
জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাজেশ বড়ুয়া জানান, রাতে এই প্রতারক চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সোমবার বিকেলে তাঁদের আদালতে তোলা হলে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

কুমিল্লায় কলসিভর্তি স্বর্ণ পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে এবং পরিবারের সদস্যদের বিপদের কথা বলে ৩০ ভরি স্বর্ণ আত্মসাৎ করেছে মাজারের খাদেম পরিচয়দানকারী একটি চক্র।
এ ঘটনায় আজ সোমবার মাজারের কথিত খাদেমসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার রামনাথপুর এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাজেশ বড়ুয়া।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ থানার রামনাথপুর মধ্যপাড়ার মৃত শাফিরুল ইসলামের ছেলে পারভেজ হোসেন (২২) একই এলাকার আইয়ুব আলীর ছেলে মো. আফজাল (৩০) ও মো. মান্নান গাছুর ছেলে মো. আরিফ (২২)।
জেলা গোয়েন্দা পুলিশ বলছে, কুমিল্লার লালমাই এলাকার ভুক্তভোগী আয়েশা বেগমকে ২৫ আগস্ট রাতে সিলেট শাহজালাল মাজারের পীর পরিচয় দিয়ে তাঁর মোবাইল ফোনে কল দেয়। পরে স্বর্ণভর্তি দুটি কলসির প্রলোভন দেখিয়ে এবং পরিবারের সদস্যদের বিপদের কথা বলে ৩০ ভরি স্বর্ণ আত্মসাৎ করে নিয়ে যায়। এ বিষয়ে প্রতারিত হয়ে আয়েশা বেগম গত ৫ সেপ্টেম্বর কুমিল্লার লালমাই থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন।
গ্রেপ্তারকৃতদের বরাত দিয়ে পুলিশ বলছে, আসামিরা এ ঘটনার কথা স্বীকার করেছেন এবং তাঁরা দীর্ঘদিন যাবৎ এভাবে মধ্যরাতে ফোন করে নিজেদের বিভিন্ন মাজারের পীর, বাবা আখ্যা দিয়ে গুপ্তধন পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভনসহ পরিবারের সদস্যদের অমঙ্গল হবে বলে প্রতারণার মাধ্যমে স্বর্ণালংকার, অর্থ আত্মসাৎ করে থাকেন। এ ছাড়া তাঁরা এসব প্রতারণার জন্য মধ্যরাত এবং ভোররাতকেই প্রাধান্য দেন।
জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাজেশ বড়ুয়া জানান, রাতে এই প্রতারক চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সোমবার বিকেলে তাঁদের আদালতে তোলা হলে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৫ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৫ ঘণ্টা আগে