
কুমিল্লার ঐতিহাসিক লালমাই পাহাড়ে সফল ভাবে শেষ হয়েছে আকিজ বাইসাইকেল কুমিল্লা এমটিবি চ্যালেঞ্জ ২০২৪। ট্রায়াথলন ড্রিমার্স ও টিম কোটবাড়ী আয়োজিত এই সাইকেল রেসে অংশ নেন ১৫০ জন রেসার। দেশের ৬৪ জেলা থেকে রেসাররা অংশ নেন এ ইভেন্টে।
আজ শুক্রবার রেস শুরু হয় সকাল ৬টায় কুমিল্লার কোটবাড়ীর সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে। এরপর যথাক্রমে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, ডাইনো পার্ক মোড়, রাজ খাল, আদিমামুড়া পাহাড়-জামমুড়া-উজিরপুর পাহাড় হয়ে মোট ২১ কিলোমিটার পাহাড়ি, আপহিল ও ডাউনহিল রাস্তা অতিক্রম করে এটি শেষ হয় সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে।
ছেলেদের মধ্যে সবচেয়ে কম সময়ে রেস শেষ করেন রাকিবুল ইসলাম। তিনি সময় নেন ৫৩ মিনিট ৩৪ দশমিক ১০ সেকেন্ড। আর মেয়েদের মধ্যে সবচেয়ে কম সময়ে রেস শেষ করেন তাবাসসুম ফেরদৌস। তিনি সময় নেন ১ ঘণ্টা ১১ মিনিট ২১ দশমিক ১৬ সেকেন্ড।
ট্রায়াথলন ড্রিমার্স ও টিম কোটবাড়ী আয়োজিত এই সাইকেল রেসের স্লোগান ‘রেস টু সেভ মাউন্টেন’। ১২০ জন রেসার সফলভাবে কাট অব টাইমের মধ্যে রেস শেষ করেন। রেস শেষে পুরুষ ও নারী ক্যাটাগরিতে মোট ১৩ জনকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। রেস শেষে বিজয়ীদের হাতে মেডেল, পুরস্কার ও ক্রেস্ট তুলে দেন অতিথি এবং আয়োজক কমিউনিটির সদস্যরা।
আকিজ বাইসাইকেল কুমিল্লা এমটিবি চ্যালেঞ্জ ২০২৪–এর টাইটেল স্পনসর আকিজ বাইসাইকেল, হসপিটালিটি পার্টনার সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। এ ছাড়া সহযোগী পার্টনার হিসেবে ছিল লং সিং ও ক্যাট, ভলান্টিয়ার সাপোর্ট, দুই চাকায় বাংলাদেশ। হাইড্রেশন পার্টনার হিসেবে ছিল ভোল্টেজ ইলেকট্রো লাইটস ড্রিংকস, প্রোডাকশন পার্টনার আপলিফট বাংলাদেশ, আইটি সলিউশন পার্টনার এক্সপ্রেস সলিউশন লিমিটেড এবং নিউট্রিশন পার্টনার ছিল নিউট্রি+। গিফট পার্টনার বাইকশপ বিডি, ফোর সিজন বিডি, সাইকেল ম্যাকানিক্স এবং ফারুক সাইকেল সার্ভিসিং। এ ইভেন্টের মিডিয়া পার্টনার ছিল আজকের পত্রিকা।

কুমিল্লার ঐতিহাসিক লালমাই পাহাড়ে সফল ভাবে শেষ হয়েছে আকিজ বাইসাইকেল কুমিল্লা এমটিবি চ্যালেঞ্জ ২০২৪। ট্রায়াথলন ড্রিমার্স ও টিম কোটবাড়ী আয়োজিত এই সাইকেল রেসে অংশ নেন ১৫০ জন রেসার। দেশের ৬৪ জেলা থেকে রেসাররা অংশ নেন এ ইভেন্টে।
আজ শুক্রবার রেস শুরু হয় সকাল ৬টায় কুমিল্লার কোটবাড়ীর সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে। এরপর যথাক্রমে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, ডাইনো পার্ক মোড়, রাজ খাল, আদিমামুড়া পাহাড়-জামমুড়া-উজিরপুর পাহাড় হয়ে মোট ২১ কিলোমিটার পাহাড়ি, আপহিল ও ডাউনহিল রাস্তা অতিক্রম করে এটি শেষ হয় সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে।
ছেলেদের মধ্যে সবচেয়ে কম সময়ে রেস শেষ করেন রাকিবুল ইসলাম। তিনি সময় নেন ৫৩ মিনিট ৩৪ দশমিক ১০ সেকেন্ড। আর মেয়েদের মধ্যে সবচেয়ে কম সময়ে রেস শেষ করেন তাবাসসুম ফেরদৌস। তিনি সময় নেন ১ ঘণ্টা ১১ মিনিট ২১ দশমিক ১৬ সেকেন্ড।
ট্রায়াথলন ড্রিমার্স ও টিম কোটবাড়ী আয়োজিত এই সাইকেল রেসের স্লোগান ‘রেস টু সেভ মাউন্টেন’। ১২০ জন রেসার সফলভাবে কাট অব টাইমের মধ্যে রেস শেষ করেন। রেস শেষে পুরুষ ও নারী ক্যাটাগরিতে মোট ১৩ জনকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। রেস শেষে বিজয়ীদের হাতে মেডেল, পুরস্কার ও ক্রেস্ট তুলে দেন অতিথি এবং আয়োজক কমিউনিটির সদস্যরা।
আকিজ বাইসাইকেল কুমিল্লা এমটিবি চ্যালেঞ্জ ২০২৪–এর টাইটেল স্পনসর আকিজ বাইসাইকেল, হসপিটালিটি পার্টনার সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। এ ছাড়া সহযোগী পার্টনার হিসেবে ছিল লং সিং ও ক্যাট, ভলান্টিয়ার সাপোর্ট, দুই চাকায় বাংলাদেশ। হাইড্রেশন পার্টনার হিসেবে ছিল ভোল্টেজ ইলেকট্রো লাইটস ড্রিংকস, প্রোডাকশন পার্টনার আপলিফট বাংলাদেশ, আইটি সলিউশন পার্টনার এক্সপ্রেস সলিউশন লিমিটেড এবং নিউট্রিশন পার্টনার ছিল নিউট্রি+। গিফট পার্টনার বাইকশপ বিডি, ফোর সিজন বিডি, সাইকেল ম্যাকানিক্স এবং ফারুক সাইকেল সার্ভিসিং। এ ইভেন্টের মিডিয়া পার্টনার ছিল আজকের পত্রিকা।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে