কুবি প্রতিনিধি

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী ফরহাদ মিয়া কাওছারের ওপর ছাত্রলীগের হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন শিক্ষার্থীরা। আজ মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলচত্বরে বেলা ১১টায় মানববন্ধন করেন গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থীরা।
মারুফ শেখের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবি জানান। প্রশাসনকে দ্রুত বিচার ও নিরাপদ ক্যাম্পাস নিশ্চিতকরণের দাবি জানান। এ ছাড়াও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে গভীর রাতে সংগঠিত বর্বরোচিত হামলার প্রতিবাদ জানান।
হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী সোয়াইব হোসাইন আলামিন বলেন, ‘গতকাল আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে একটা ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটেছে। আমার জুনিয়র ফরহাদ কাওসারের ওপর অতর্কিত হামলা করেছে। হামলাকারী রাফির ছাত্রত্ব নেই। অবৈধভাবে হলে রয়েছে। প্রশাসন যেন দ্রুত হামলাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়।’
মানববন্ধনে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী আসমা ইসলাম বলেন, ‘সাধারণ শিক্ষার্থীরা যদি অধিকার আদায়ের জন্য আন্দোলন করে, এতে দোষ কোথায়? আমাদের বিভাগের যে জুনিয়র শিক্ষার্থী ফরহাদ কাওছারের ওপর হামলা করা হয়েছে। এটা খুবই নিন্দনীয়। প্রশাসন যেন দ্রুত হামলাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়।’
বিল্লাল হোসেন স্বাধীন বলেন, ‘ফরহাদের ওপর পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী অতর্কিত হামলা চালায়। তাদের ক্যাম্পাস থেকে বহিষ্কার করতে হবে। প্রশাসনকে এ ব্যাপারে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পদক্ষেপ নিতে হবে। যদি প্রশাসন ব্যবস্থা না নেয়, তাহলে আমরা আরও কঠোর অবস্থানে যাব। আমাদের বিভাগের যারা জড়িত আছে, তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।’
গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান কাজী এম আনিছুল ইসলাম শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অনলাইনে যুক্ত হন। এ ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘আমি গতকাল বিভিন্ন মাধ্যমে জেনেছি, ফরহাদ অসংলগ্ন কিছু করেনি। বেআইনিভাবে তাঁর ফোন চেক করা এবং মারধরের মাধ্যমে দুটি ফৌজদারি অপরাধ করেছে হামলাকারীরা। উপাচার্য এবং প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যদের সঙ্গে কথা হয়েছে। তাঁরা আমাকে বিচারের ব্যাপারে আশ্বস্ত করেছেন।’
উল্লেখ্য, গত রোববার রাত ৮টার দিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক ফরহাদ কাউসার শহর থেকে ক্যাম্পাসে হলে আসার পথে ছাত্রলীগের আটজন কর্মী তাঁকে ডেকে নিয়ে ফোন চেক এবং তাঁকে মারধর করেন।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী ফরহাদ মিয়া কাওছারের ওপর ছাত্রলীগের হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন শিক্ষার্থীরা। আজ মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলচত্বরে বেলা ১১টায় মানববন্ধন করেন গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থীরা।
মারুফ শেখের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবি জানান। প্রশাসনকে দ্রুত বিচার ও নিরাপদ ক্যাম্পাস নিশ্চিতকরণের দাবি জানান। এ ছাড়াও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে গভীর রাতে সংগঠিত বর্বরোচিত হামলার প্রতিবাদ জানান।
হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী সোয়াইব হোসাইন আলামিন বলেন, ‘গতকাল আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে একটা ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটেছে। আমার জুনিয়র ফরহাদ কাওসারের ওপর অতর্কিত হামলা করেছে। হামলাকারী রাফির ছাত্রত্ব নেই। অবৈধভাবে হলে রয়েছে। প্রশাসন যেন দ্রুত হামলাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়।’
মানববন্ধনে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী আসমা ইসলাম বলেন, ‘সাধারণ শিক্ষার্থীরা যদি অধিকার আদায়ের জন্য আন্দোলন করে, এতে দোষ কোথায়? আমাদের বিভাগের যে জুনিয়র শিক্ষার্থী ফরহাদ কাওছারের ওপর হামলা করা হয়েছে। এটা খুবই নিন্দনীয়। প্রশাসন যেন দ্রুত হামলাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়।’
বিল্লাল হোসেন স্বাধীন বলেন, ‘ফরহাদের ওপর পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী অতর্কিত হামলা চালায়। তাদের ক্যাম্পাস থেকে বহিষ্কার করতে হবে। প্রশাসনকে এ ব্যাপারে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পদক্ষেপ নিতে হবে। যদি প্রশাসন ব্যবস্থা না নেয়, তাহলে আমরা আরও কঠোর অবস্থানে যাব। আমাদের বিভাগের যারা জড়িত আছে, তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।’
গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান কাজী এম আনিছুল ইসলাম শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অনলাইনে যুক্ত হন। এ ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘আমি গতকাল বিভিন্ন মাধ্যমে জেনেছি, ফরহাদ অসংলগ্ন কিছু করেনি। বেআইনিভাবে তাঁর ফোন চেক করা এবং মারধরের মাধ্যমে দুটি ফৌজদারি অপরাধ করেছে হামলাকারীরা। উপাচার্য এবং প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যদের সঙ্গে কথা হয়েছে। তাঁরা আমাকে বিচারের ব্যাপারে আশ্বস্ত করেছেন।’
উল্লেখ্য, গত রোববার রাত ৮টার দিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক ফরহাদ কাউসার শহর থেকে ক্যাম্পাসে হলে আসার পথে ছাত্রলীগের আটজন কর্মী তাঁকে ডেকে নিয়ে ফোন চেক এবং তাঁকে মারধর করেন।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৪ ঘণ্টা আগে