রামু (কক্সবাজার) প্রতিনিধি

কক্সবাজারের রামুর গর্জনিয়া ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে নোটিশ টাঙিয়ে চারটি ওয়ার্ডের সেবা বন্ধের আদেশ দিয়েছেন গর্জনিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান চৌধুরী বাবুল। তিনি আওয়ামী লীগ থেকে নির্বাচিত চেয়ারম্যান।
স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ২৯ আগস্ট কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে সারা দেশের মতো গর্জনিয়া ইউনিয়ন বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। এতেই ক্ষেপেছেন গর্জনিয়া ইউপি চেয়ারম্যান। গত বুধবার গর্জনিয়ার ১, ৩, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সব সেবা বন্ধ করার আদেশ দিয়ে পরিষদ প্রাঙ্গণে নোটিশ টাঙিয়ে দিয়েছেন তিনি। এ নিয়ে সাধারণ মানুষও ক্ষুব্ধ।
গর্জনিয়ার মাঝিরকাটা ও থিমছড়ির একাধিক সেবাপ্রার্থী ও মৌলভীরকাটার মিজানুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, জন্মনিবন্ধনসহ নানা প্রয়োজনীয় কাগজপত্রে চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান স্বাক্ষর না করে তিরস্কার করে তাড়িয়ে দিচ্ছেন। ইউপি সেবা পাচ্ছেন না তাঁরা।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এ ব্যাপারে গর্জনিয়া ইউনিয়ন পরিষদের একজন সদস্য জানান, চেয়ারম্যানের এ ধরনের সিদ্ধান্ত অযৌক্তিক। এতে সাধারণ জনগণ অত্যন্ত কষ্ট পাচ্ছে। তাই তিনি অযৌক্তিক নোটিশটি ছিঁড়ে ফেলেছেন। তবে এখনো চেয়ারম্যান স্বাক্ষর না দেওয়ায় অনেক কাজ আটকে আছে।
এ ব্যাপারে গর্জনিয়া ইউনিয়নের বিএনপির একাধিক নেতাকর্মী আজকের পত্রিকাকে বলেন, আন্দোলন করা যার যার নাগরিক অধিকার, তাই বলে ইউপি চেয়ারম্যান সেবা বন্ধ করতে পারেন না। এরকম চেয়ারম্যান এর আগে কখনো ছিলেন না।
এদিকে আওয়ামী লীগের নেতারাও চেয়ারম্যানের এমন কাণ্ডে বিব্রত। রামু উপজেলা আওয়ামী লীগের বিভিন্ন স্তরের একাধিক নেতা আজকের পত্রিকাকে বলেন, আওয়ামী লীগ মনোনীত গর্জনিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান বাবুল চৌধুরীর এমন কাণ্ডে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে। আওয়ামী লীগ নেতারা দ্রুত সময়ের মধ্যে সর্বস্তরের নাগরিক সেবা চালুর দাবি জানান।
সেবা বন্ধের বিষয়ে জানতে গর্জনিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান বাবুল চৌধুরীর সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘রাগের মাথায় এমন কথা বলেছি। হঠাৎ করে বিএনপির এমন আন্দোলনে যাওয়ার কী দরকার আছে?’ তবে সেবা বন্ধ করার কথা অস্বীকার করেন এই চেয়ারম্যান।

কক্সবাজারের রামুর গর্জনিয়া ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে নোটিশ টাঙিয়ে চারটি ওয়ার্ডের সেবা বন্ধের আদেশ দিয়েছেন গর্জনিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান চৌধুরী বাবুল। তিনি আওয়ামী লীগ থেকে নির্বাচিত চেয়ারম্যান।
স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ২৯ আগস্ট কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে সারা দেশের মতো গর্জনিয়া ইউনিয়ন বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। এতেই ক্ষেপেছেন গর্জনিয়া ইউপি চেয়ারম্যান। গত বুধবার গর্জনিয়ার ১, ৩, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সব সেবা বন্ধ করার আদেশ দিয়ে পরিষদ প্রাঙ্গণে নোটিশ টাঙিয়ে দিয়েছেন তিনি। এ নিয়ে সাধারণ মানুষও ক্ষুব্ধ।
গর্জনিয়ার মাঝিরকাটা ও থিমছড়ির একাধিক সেবাপ্রার্থী ও মৌলভীরকাটার মিজানুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, জন্মনিবন্ধনসহ নানা প্রয়োজনীয় কাগজপত্রে চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান স্বাক্ষর না করে তিরস্কার করে তাড়িয়ে দিচ্ছেন। ইউপি সেবা পাচ্ছেন না তাঁরা।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এ ব্যাপারে গর্জনিয়া ইউনিয়ন পরিষদের একজন সদস্য জানান, চেয়ারম্যানের এ ধরনের সিদ্ধান্ত অযৌক্তিক। এতে সাধারণ জনগণ অত্যন্ত কষ্ট পাচ্ছে। তাই তিনি অযৌক্তিক নোটিশটি ছিঁড়ে ফেলেছেন। তবে এখনো চেয়ারম্যান স্বাক্ষর না দেওয়ায় অনেক কাজ আটকে আছে।
এ ব্যাপারে গর্জনিয়া ইউনিয়নের বিএনপির একাধিক নেতাকর্মী আজকের পত্রিকাকে বলেন, আন্দোলন করা যার যার নাগরিক অধিকার, তাই বলে ইউপি চেয়ারম্যান সেবা বন্ধ করতে পারেন না। এরকম চেয়ারম্যান এর আগে কখনো ছিলেন না।
এদিকে আওয়ামী লীগের নেতারাও চেয়ারম্যানের এমন কাণ্ডে বিব্রত। রামু উপজেলা আওয়ামী লীগের বিভিন্ন স্তরের একাধিক নেতা আজকের পত্রিকাকে বলেন, আওয়ামী লীগ মনোনীত গর্জনিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান বাবুল চৌধুরীর এমন কাণ্ডে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে। আওয়ামী লীগ নেতারা দ্রুত সময়ের মধ্যে সর্বস্তরের নাগরিক সেবা চালুর দাবি জানান।
সেবা বন্ধের বিষয়ে জানতে গর্জনিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান বাবুল চৌধুরীর সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘রাগের মাথায় এমন কথা বলেছি। হঠাৎ করে বিএনপির এমন আন্দোলনে যাওয়ার কী দরকার আছে?’ তবে সেবা বন্ধ করার কথা অস্বীকার করেন এই চেয়ারম্যান।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২৫ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে