কক্সবাজার প্রতিনিধি

কক্সবাজারে উখিয়ায় রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে অভিযান চালিয়ে ইয়াবা বড়ি ও গুলিসহ দুজনকে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। তাঁরা সম্পর্কে দেবর-ভাবি। তবে অভিযান টের পেয়ে পিস্তলসহ ওই নারীর স্বামী পালিয়ে গেছেন।
গতকাল রোববার রাতে উপজেলার বালুখালী ৯ নম্বর ক্যাম্পের সি-ব্লকে এই অভিযান চালানো হয়। আটক ব্যক্তিরা হলেন উখিয়ার বালুখালী ৯ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সি-ব্লকের বাসিন্দা আবু বক্করের ছেলে মো. সেলিম (২৩) এবং তাঁর ভাইয়ের স্ত্রী আসাম আক্তার (২০)।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর কক্সবাজার জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক এ কে এম দিদারুল আলম আজকের পত্রিকাকে বলেন, বালুখালী ৯ নম্বর ক্যাম্পের এক ব্যক্তির বসতঘরে মিয়ানমার থেকে পাচার করা মাদকের মজুত রয়েছে–এমন খবর পায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। পরে বিষয়টি রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এপিবিএন পুলিশের সংশ্লিষ্টদের জানিয়ে যৌথভাবে অভিযান চালানো হয়।
দিদারুল আলম আরও বলেন, অভিযানের সময় সন্দেহজনক বসতঘরটি ঘিরে ফেললে তিন-চার ব্যক্তি দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। এ সময় ধাওয়া করে তাঁদের মধ্য থেকে দুজনকে আটক করা সম্ভব হয়। পরে ঘরটি তল্লাশি চালিয়ে লুকিয়ে রাখা অবস্থায় ২০ হাজার ইয়াবা, বিদেশি পিস্তলের ১০টি গুলি জব্দ করা হয়।
আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের এই কর্মকর্তা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মিয়ানমার থেকে মাদকের চালান এনে তাঁরা ক্যাম্পে মজুত রাখতেন। পরে সেখান থেকে কক্সবাজার শহরের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন স্থানে মাদকগুলো পাচার করে আসছিলেন। অভিযানকালে আটক আসমা আক্তারের স্বামী মো. জামাল বিদেশি পিস্তলসহ পালিয়ে যান। তাঁদের বিরুদ্ধে উখিয়া থানায় মামলা করা হয়েছে।

কক্সবাজারে উখিয়ায় রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে অভিযান চালিয়ে ইয়াবা বড়ি ও গুলিসহ দুজনকে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। তাঁরা সম্পর্কে দেবর-ভাবি। তবে অভিযান টের পেয়ে পিস্তলসহ ওই নারীর স্বামী পালিয়ে গেছেন।
গতকাল রোববার রাতে উপজেলার বালুখালী ৯ নম্বর ক্যাম্পের সি-ব্লকে এই অভিযান চালানো হয়। আটক ব্যক্তিরা হলেন উখিয়ার বালুখালী ৯ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সি-ব্লকের বাসিন্দা আবু বক্করের ছেলে মো. সেলিম (২৩) এবং তাঁর ভাইয়ের স্ত্রী আসাম আক্তার (২০)।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর কক্সবাজার জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক এ কে এম দিদারুল আলম আজকের পত্রিকাকে বলেন, বালুখালী ৯ নম্বর ক্যাম্পের এক ব্যক্তির বসতঘরে মিয়ানমার থেকে পাচার করা মাদকের মজুত রয়েছে–এমন খবর পায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। পরে বিষয়টি রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এপিবিএন পুলিশের সংশ্লিষ্টদের জানিয়ে যৌথভাবে অভিযান চালানো হয়।
দিদারুল আলম আরও বলেন, অভিযানের সময় সন্দেহজনক বসতঘরটি ঘিরে ফেললে তিন-চার ব্যক্তি দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। এ সময় ধাওয়া করে তাঁদের মধ্য থেকে দুজনকে আটক করা সম্ভব হয়। পরে ঘরটি তল্লাশি চালিয়ে লুকিয়ে রাখা অবস্থায় ২০ হাজার ইয়াবা, বিদেশি পিস্তলের ১০টি গুলি জব্দ করা হয়।
আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের এই কর্মকর্তা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মিয়ানমার থেকে মাদকের চালান এনে তাঁরা ক্যাম্পে মজুত রাখতেন। পরে সেখান থেকে কক্সবাজার শহরের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন স্থানে মাদকগুলো পাচার করে আসছিলেন। অভিযানকালে আটক আসমা আক্তারের স্বামী মো. জামাল বিদেশি পিস্তলসহ পালিয়ে যান। তাঁদের বিরুদ্ধে উখিয়া থানায় মামলা করা হয়েছে।

খুব সকালে কড়া নিরাপত্তার মাধ্যমে চিন্ময়সহ ২৩ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিজিবি মিলিয়ে শতাধিক সদস্য আদালত প্রাঙ্গণে মোতায়েন করা হয়। খুব কম সময়ের মধ্যে আদালতে মামলার কার্যক্রম শেষ করা হয়।
১৪ মিনিট আগে
ফাওজুল কবির খান বলেন, ‘আপনি যদি বাংলাদেশের মঙ্গল চান, আপনি যদি রাজপথের সহিংসতা দেখতে না চান, যদি মানুষের খুন দেখতে না চান—তাহলে অবশ্যই ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবেন। দেশের চাবি আপনার হাতে। এই জন্যই আমাদের গণভোটের প্রচারণায় ভোটের গাড়ি।
১৭ মিনিট আগে
বাড্ডায় সড়ক ছেড়ে গেছেন অবরোধরত ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালকেরা। এতে কুড়িল-রামপুরা সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাড্ডার ফুজি টাওয়ার এলাকায় অবরোধ কর্মসূচি শুরু করেন তাঁরা।
২৯ মিনিট আগে
অনেকটা মানসিক রোগীর মতো আচরণ করলেও খুব ঠান্ডা মাথায় এক বৃদ্ধা, এক নারী ও এক কিশোরীসহ ছয়জনকে খুন করেছেন মশিউর রহমান ওরফে সম্রাট (৪০)। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি এসব খুনের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
৩৭ মিনিট আগে