চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি

বন্যার্তদের মধ্যে সরকারি ত্রাণ বিতরণ করতে গিয়ে কক্সবাজারের চকরিয়ায় নৌকা প্রতীকে ভোট চাইলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান।
প্রধানমন্ত্রীর জন্য দোয়া চেয়ে প্রতিমন্ত্রী জনগণের কাছে জানতে চান, ‘আগামী নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আপনারা চান? এ সময় জনগণ হ্যাঁ সূচক উত্তর দেন। মানুষের ভাগ্যোন্নয়ন ও উন্নয়ন ধরে রাখতে হলে আগামী নির্বাচন আবারও নৌকা প্রতীকে ভোট দিতে হবে।’ তিনি জনগণের কাছে সরকারের উন্নয়নের কথা তুলে ধরেন।
আজ শুক্রবার চকরিয়া উপজেলার কাকারা ইউনিয়নের পুলেরছড়া বন্যাদুর্গত এলাকা পরিদর্শন ও ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘চকরিয়ায় ভবিষ্যতে যাতে আর বন্যা না হয়, সে জন্য মাতামুহুরি নদী খনন ও দুই পাড়ে টেকসই বাঁধ নির্মাণ করা হবে। এখানকার পুরো ক্ষয়ক্ষতির চিত্র পাওয়ার পর আন্তমন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে কক্সবাজারের জন্য বরাদ্দ আরও বাড়ানো হবে।’
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান বলেন, ‘মাছ ধরার জন্য অনেকে স্লুইসগেট গেটে পানি আটকে রাখে, এটা জানার পর ডিসিকে জানিয়ে দিয়েছি, তারপর সব খুলে দেওয়া হয়েছে।’ কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শাহীন ইমরানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ
মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি তাজুল ইসলাম, সংসদ সদস্য জাফর আলম, আশেক উল্লাহ রফিক, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. মিজানুর রহমান, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ে অতিরিক্ত সচিব কে এম আবদুল ওয়াদুদ, চকরিয়া পৌরসভার মেয়র আলমগীর চৌধুরী প্রমুখ।
পরে প্রতিমন্ত্রী চকরিয়া ও পেকুয়া উপজেলার বন্যাকবলিত বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করেন।

বন্যার্তদের মধ্যে সরকারি ত্রাণ বিতরণ করতে গিয়ে কক্সবাজারের চকরিয়ায় নৌকা প্রতীকে ভোট চাইলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান।
প্রধানমন্ত্রীর জন্য দোয়া চেয়ে প্রতিমন্ত্রী জনগণের কাছে জানতে চান, ‘আগামী নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আপনারা চান? এ সময় জনগণ হ্যাঁ সূচক উত্তর দেন। মানুষের ভাগ্যোন্নয়ন ও উন্নয়ন ধরে রাখতে হলে আগামী নির্বাচন আবারও নৌকা প্রতীকে ভোট দিতে হবে।’ তিনি জনগণের কাছে সরকারের উন্নয়নের কথা তুলে ধরেন।
আজ শুক্রবার চকরিয়া উপজেলার কাকারা ইউনিয়নের পুলেরছড়া বন্যাদুর্গত এলাকা পরিদর্শন ও ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘চকরিয়ায় ভবিষ্যতে যাতে আর বন্যা না হয়, সে জন্য মাতামুহুরি নদী খনন ও দুই পাড়ে টেকসই বাঁধ নির্মাণ করা হবে। এখানকার পুরো ক্ষয়ক্ষতির চিত্র পাওয়ার পর আন্তমন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে কক্সবাজারের জন্য বরাদ্দ আরও বাড়ানো হবে।’
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান বলেন, ‘মাছ ধরার জন্য অনেকে স্লুইসগেট গেটে পানি আটকে রাখে, এটা জানার পর ডিসিকে জানিয়ে দিয়েছি, তারপর সব খুলে দেওয়া হয়েছে।’ কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শাহীন ইমরানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ
মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি তাজুল ইসলাম, সংসদ সদস্য জাফর আলম, আশেক উল্লাহ রফিক, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. মিজানুর রহমান, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ে অতিরিক্ত সচিব কে এম আবদুল ওয়াদুদ, চকরিয়া পৌরসভার মেয়র আলমগীর চৌধুরী প্রমুখ।
পরে প্রতিমন্ত্রী চকরিয়া ও পেকুয়া উপজেলার বন্যাকবলিত বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করেন।

যশোরের অভয়নগরে ৭৪টি অবৈধ কয়লার চুল্লি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। উপজেলার সিদ্ধিপাশা ইউনিয়নে ভৈরব নদের পাড় ঘেঁষে কয়লা তৈরির এসব অবৈধ চুল্লি গড়ে তোলা হয়েছিল। খুলনা পরিবেশ অধিদপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মমতাজ বেগম আজ সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত এই অভিযান চালান।
৯ মিনিট আগে
ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে চলন্ত ট্রেনের ধাক্কায় জুট মিলের শ্রমিক বহনকারী পিকআপে থাকা দুই ভাইসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন। তাঁদের মধ্যে পাঁচজনকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। হতাহত ব্যক্তিরা সবাই উপজেলার ডোবরা জনতা জুট মিলের শ্রমিক।
১৬ মিনিট আগে
কুড়িগ্রামের রৌমারী সীমান্তে ‘গুলিবর্ষণের’ পর মিস্টার আলী (২৫) নামের বাংলাদেশি এক যুবককে আটকের অভিযোগ উঠেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) বিরুদ্ধে। গতকাল রোববার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের খাটিয়ামারী সীমান্তের আন্তর্জাতিক সীমানা পিলার ১০৬২-এর নিকটবর্তী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
২০ মিনিট আগে
শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার বিলাসপুরে ঘরের মধ্যে বিস্ফোরণে দুজনের মৃত্যুর ঘটনায় এলাকাটিতে বড় ধরনের অভিযান চালিয়েছে পুলিশ ও সেনাবাহিনী। যৌথ অভিযানে ৪৫টি ককটেল, ককটেল তৈরির সরঞ্জাম ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন নারীসহ চারজনকে আটক করা হয়েছে।
২৪ মিনিট আগে