
চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মা নদীর পানি দুই দিনে প্রায় ২০ সেন্টিমিটার কমেছে। বাড়িঘর থেকে পানি নামতে শুরু করায় বন্যাকবলিত মানুষের দুর্ভোগ কমেছে। তবে নিম্নাঞ্চল ও কৃষিজমিতে এখনো পানি রয়েছে। পানি কমার সঙ্গে পদ্মা নদীতে ভাঙনের শঙ্কা থাকায় পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রেখেছে প্রশাসন।

রাজশাহীর বাঘা উপজেলার চকরাজাপুর ইউনিয়নে পদ্মার মধ্যে থাকা ১৫টি চরের প্রায় ২০ হাজার মানুষ গত এক সপ্তাহ ধরে পানিবন্দী। পানি ঢুকে পড়ায় চরাঞ্চলের মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। এ অবস্থায় ছয়টি সরকারি প্রাথমিক ও দুটি উচ্চ বিদ্যালয়ে অনির্দিষ্টকালের ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পদ্মা নদীর পানি গত ৯ ঘণ্টায় ১ সেন্টিমিটার কমেছে। আজ রোববার সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে পানির উচ্চতা ১৩ দশমিক ০৬ সেন্টিমিটার থেকে কমে ১৩ দশমিক ০৫ সেন্টিমিটার হয়েছে। পানি বিপৎসীমার ৭৫ সেন্টিমিটার নিচে থাকলেও বন্যাদুর্গত এলাকায় মানুষের দুর্ভোগ কমেনি।

উজানের ঢলে চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মা নদীর পানি টানা সাত দিন ধরে বাড়ছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় পানি বেড়েছে ১১ সেন্টিমিটার। সদর ও শিবগঞ্জ উপজেলার পাঁচ ইউনিয়নের প্রায় আড়াই হাজার পরিবার পানিবন্দী। প্লাবিত হয়েছে ৩৬২ হেক্টর ফসলি জমি ও ১৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।