
কক্সবাজার থেকে ঢাকাগামী আইকন পরিবহনের একটি ডাবল ডেকার এসি বাসে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের রামুর কলঘর বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
রামু হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ পারভেজ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় বাসের যাত্রীদের নিরাপদে উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে বাসের ভেতর থেকে যাত্রীদের মালামালও উদ্ধার করে তাঁদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বাসে আগুন লাগার পর যাত্রীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে বাসের জানালার কাচ ভেঙে যাত্রীদের বের করে আনেন। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।
যাত্রীদের অভিযোগ, আগুন লাগার পর বাসটির চালক ও সহকারী বাস থেকে নেমে পালিয়ে যান। এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়েছেন কি না, তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি। আগুন লাগার পর মহাসড়কে কিছু সময় যান চলাচল ব্যাহত হয়।

বাসের যাত্রী রায়হান বলেন, ‘বাসে করে ঢাকা যাচ্ছিলাম। গাড়িতে আগুন লাগার বিষয়টি চালক বা চালকের সহকারী আমাদের জানাননি। প্রথমে পোড়া গন্ধ পাই। পরে আগুন দেখতে পাই। এরপর স্থানীয়রা আমাদের উদ্ধারে এগিয়ে আসেন।’
আরেক যাত্রী মো. সোহেল রানা বলেন, ‘পরিবারের সাতজন কক্সবাজারে বেড়াতে এসেছিলাম। গাড়ির ভেতরে আগুন লাগার পর ধোঁয়া ও পোড়া গন্ধে শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছিল। স্থানীয়রা জানালার কাচ ভেঙে আমাদের উদ্ধার করেন।’
রামু ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন অফিসার মো. আবদুল কাদের চৌধুরী বলেন, ‘যান্ত্রিক ত্রুটি ও ইঞ্জিন অতিরিক্ত গরম হয়ে যাওয়ার কারণে বাসটিতে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।’

অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বলেন, ড্রোনের মাধ্যমে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় মামলাও করা সম্ভব হবে। এর মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের ট্রাফিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা যাবে। একটি সংস্থা পরীক্ষামূলকভাবে আমাদের কাছে একটি ড্রোন দিয়েছে।
৬ মিনিট আগে
দেবাশীষ দত্ত ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের শেষকৃত্য ও দাফন পারিবারিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পৃথক ধর্মীয় রীতিতে সম্পন্ন হবে। দেবাশীষ দত্ত ও তাঁর শিশুসন্তান স্বর্ণশীষের সৎকার করা হবে। শনিবার রাত ৮টার দিকে কুষ্টিয়া মহাশ্মশানে বাবা-ছেলের সৎকারের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
২৪ মিনিট আগে
যে বয়সে মায়ের কোলে মুখ লুকিয়ে আর বাবার বুকে মাথা রেখে পৃথিবী চেনার কথা, সেই বয়সেই হাসপাতালের আইসিইউতে জীবন-মৃত্যুর লড়াইয়ে নেমেছিল সাড়ে পাঁচ মাসের মোহাম্মদ সাইফান। হামের পর একে একে দেখা দেয় শারীরিক নানা জটিলতা। শেষ পর্যন্ত জীবন বাঁচাতে তাকে রাখা হয় লাইফ সাপোর্টেও। কিন্তু সব চেষ্টা ব্যর্থ করে মা-বাবার
৩০ মিনিট আগে
নরসিংদীতে পারিবারিক কলহ ও স্ত্রীর ওপর অভিমান করে চার বছরের শিশুসন্তানকে কোলে নিয়ে চলন্ত ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়েছেন এক যুবক। এ ঘটনায় বাবা ও ছেলে দুজনেই গুরুতর আহত হয়েছেন। বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাঁদের চিকিৎসা চলছে। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে নরসিংদী শহরের আরশিনগর এলাকায়
১ ঘণ্টা আগে