টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি

কক্সবাজারের টেকনাফে অবৈধভাবে সাগরপথে মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ডে পাচারের চেষ্টাকালে শিশুসহ ২৬ নারী-পুরুষ রোহিঙ্গাকে উদ্ধার করেছে থানা-পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল হালিম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এ সময় পাচারকাজে জড়িত থাকায় নারীসহ পাঁচ দালালকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন-টেকনাফ সদর ইউনিয়নের মহেশখালীয়া পাড়ার মো. শফিকের স্ত্রী সাবেকুন্নাহার (২৩), উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মৃত হায়দার আলীর ছেলে জাহেদ হোসেন (২০), সাবরাং ইউনিয়নের শাহপরীরদ্বীপ মাঝেরপাড়ার মৃত আবুল কালামের ছেলে আবদুর রহিম (৩৫), মো. সালামের ছেলে জাহেদ হোসেন (২৯) ও সদর ইউনিয়নের মহেশখালীয়াপাড়ার মৃত মোহাম্মদ ইসহাকের ছেলে নুরুল ইসলাম (৬০)।
উদ্ধারকৃতরা হলেন-মো. রফিক (১৬), মো. রিয়াজ (১৮), আবদুল্লাহ (১৯), শাহ আলম (১৭), কোরবান আলী (১৮), নজির আহম্মদ (৩৬), নুর কুদ্দুস (২৩), মোহাম্মদ জোহার (১৭), মো. ইয়াসিন (১৩), আবদুর রশিদ (২৯), নাছির উদ্দীন (২০), আনোয়ার ইব্রাহিম (১৮), মো. জাকের (১৯), মো. ইমরান (১৫), মো. বনি (২২), মো. আয়াছ (১৪), ওসমান গণি (১৯), রমিজা (২৪), মো. আমিন (৮), মো. আলম (৬), নূর সাদিয়া (২), মো. ওমর (৩ মাস), তসলিমা (২৬), শাহামিম (৭), ছমিরা (১৯) ও ইয়াছমিন (১৯)।
এ বিষয়ে ওসি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারি আজ ভোরে মানবপাচার করা হবে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে সদর ইউনিয়নের মহেশখালীয়াপাড়ার শফিকের বসতঘরে অভিযান চালানো হয়। এ সময় ১৭ পুরুষ, চার নারী ও পাঁচ শিশুসহ মোট ২৬ জনকে উদ্ধার করা হয়। তাঁদের সকলকে থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশ্যে এক জায়গায় জড়ো করা হচ্ছিল। পরে উদ্ধারকৃতদের নিজ নিজ ক্যাম্পে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
ওসি আরও বলেন, ঘটনাস্থল থেকে মানবপাচার কাজে জড়িত চার পুরুষ ও এক নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে ৪২ হাজার ৫০০ টাকা ও একটি কাপড় ভর্তি ট্রলিব্যাগ জব্দ করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

কক্সবাজারের টেকনাফে অবৈধভাবে সাগরপথে মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ডে পাচারের চেষ্টাকালে শিশুসহ ২৬ নারী-পুরুষ রোহিঙ্গাকে উদ্ধার করেছে থানা-পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল হালিম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এ সময় পাচারকাজে জড়িত থাকায় নারীসহ পাঁচ দালালকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন-টেকনাফ সদর ইউনিয়নের মহেশখালীয়া পাড়ার মো. শফিকের স্ত্রী সাবেকুন্নাহার (২৩), উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মৃত হায়দার আলীর ছেলে জাহেদ হোসেন (২০), সাবরাং ইউনিয়নের শাহপরীরদ্বীপ মাঝেরপাড়ার মৃত আবুল কালামের ছেলে আবদুর রহিম (৩৫), মো. সালামের ছেলে জাহেদ হোসেন (২৯) ও সদর ইউনিয়নের মহেশখালীয়াপাড়ার মৃত মোহাম্মদ ইসহাকের ছেলে নুরুল ইসলাম (৬০)।
উদ্ধারকৃতরা হলেন-মো. রফিক (১৬), মো. রিয়াজ (১৮), আবদুল্লাহ (১৯), শাহ আলম (১৭), কোরবান আলী (১৮), নজির আহম্মদ (৩৬), নুর কুদ্দুস (২৩), মোহাম্মদ জোহার (১৭), মো. ইয়াসিন (১৩), আবদুর রশিদ (২৯), নাছির উদ্দীন (২০), আনোয়ার ইব্রাহিম (১৮), মো. জাকের (১৯), মো. ইমরান (১৫), মো. বনি (২২), মো. আয়াছ (১৪), ওসমান গণি (১৯), রমিজা (২৪), মো. আমিন (৮), মো. আলম (৬), নূর সাদিয়া (২), মো. ওমর (৩ মাস), তসলিমা (২৬), শাহামিম (৭), ছমিরা (১৯) ও ইয়াছমিন (১৯)।
এ বিষয়ে ওসি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারি আজ ভোরে মানবপাচার করা হবে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে সদর ইউনিয়নের মহেশখালীয়াপাড়ার শফিকের বসতঘরে অভিযান চালানো হয়। এ সময় ১৭ পুরুষ, চার নারী ও পাঁচ শিশুসহ মোট ২৬ জনকে উদ্ধার করা হয়। তাঁদের সকলকে থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশ্যে এক জায়গায় জড়ো করা হচ্ছিল। পরে উদ্ধারকৃতদের নিজ নিজ ক্যাম্পে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
ওসি আরও বলেন, ঘটনাস্থল থেকে মানবপাচার কাজে জড়িত চার পুরুষ ও এক নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে ৪২ হাজার ৫০০ টাকা ও একটি কাপড় ভর্তি ট্রলিব্যাগ জব্দ করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৩ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৪ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে