চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি

কক্সবাজারের চকরিয়ায় দেড় বছরের শিশুকে রেখে হত্যা মামলার এক নারী সাক্ষীকে অপহরণ করেছে সন্ত্রাসীরা। গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত পৌনে ১টার দিকে সাহারবিল ইউনিয়নের গুরুইন্যা কাটা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। সন্ত্রাসীরা পুলিশ পরিচয়ে বাড়িতে ঢুকে লুটপাট চালায় এবং চার নারীকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে।
অপহৃত নারীর নাম আয়েশা আক্তার (৩০)। তিনি গুরুইন্যা কাটা গ্রামের আব্দুল মালেকের স্ত্রী এবং দেড় বছরের এক সন্তানের মা। ২৪ ঘণ্টা পার হলেও তাঁকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
এজাহার অনুযায়ী, সন্ত্রাসীরা পুলিশ পরিচয়ে বাড়িতে ঢুকে পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা চালায়। আহতরা হলেন নুরুজা বেগম (৪০), মরিয়ম বেগম (৩৫), ফারজানা ইয়াছমিন (১৯) ও আয়েশা ছিদ্দিকা (১৮)। আহতরা বর্তমানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।
এ সময় সন্ত্রাসীরা নগদ ১ লাখ ২৬ হাজার টাকা এবং ১ ভরি স্বর্ণালংকার লুট করে। এরপর রক্তাক্ত অবস্থায় আয়েশা আক্তারকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়।
মামলার এজাহারে, গত ২৮ এপ্রিল সাহারবিল ইউনিয়নের রামপুরে আব্দুল করিম নামে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এই হত্যার ঘটনায় করা মামলার অন্যতম সাক্ষী ছিলেন আয়েশা। এ ঘটনায় নিহত করিমের ছেলে আলী আহমদ চলতি বছরের ১ মে চকরিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।
মামলার আসামিরা মামলা তুলে নিতে বাদী ও সাক্ষীদের নিয়মিত হুমকি দিয়ে আসছিল। এ কারণে হত্যা মামলার বাদী আলী আহমদ এলাকা ছাড়তে বাধ্য হন, আর তাঁর এক ভাই অন্য মামলায় বর্তমানে জেলহাজতে রয়েছেন।
ঘটনার পর চকরিয়া থানায় ১৫ জনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মিজানুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি জানান, অপহৃত আয়েশা আক্তারকে উদ্ধারে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হচ্ছে।
চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মঞ্জুর কাদের ভূঁইয়া বলেন, ‘আক্রান্ত পরিবারের পক্ষ থেকে এজাহার পাওয়া গেছে। প্রাথমিক তদন্ত শেষে এজাহারটি মামলা হিসেবে গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি অপহৃতাকে উদ্ধারে পুলিশ তৎপর রয়েছে।’
আজ শুক্রবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন চকরিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) এম এম রকীব উর রাজা এবং থানার ওসি। পুলিশ বলছে, তাঁরা সব ধরনের ব্যবস্থা নিচ্ছে। তবে এখনো অপহৃতকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
এ ঘটনার পর সাহারবিল এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয়রা দ্রুত অপহৃতকে উদ্ধারের পাশাপাশি অপরাধীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।

কক্সবাজারের চকরিয়ায় দেড় বছরের শিশুকে রেখে হত্যা মামলার এক নারী সাক্ষীকে অপহরণ করেছে সন্ত্রাসীরা। গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত পৌনে ১টার দিকে সাহারবিল ইউনিয়নের গুরুইন্যা কাটা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। সন্ত্রাসীরা পুলিশ পরিচয়ে বাড়িতে ঢুকে লুটপাট চালায় এবং চার নারীকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে।
অপহৃত নারীর নাম আয়েশা আক্তার (৩০)। তিনি গুরুইন্যা কাটা গ্রামের আব্দুল মালেকের স্ত্রী এবং দেড় বছরের এক সন্তানের মা। ২৪ ঘণ্টা পার হলেও তাঁকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
এজাহার অনুযায়ী, সন্ত্রাসীরা পুলিশ পরিচয়ে বাড়িতে ঢুকে পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা চালায়। আহতরা হলেন নুরুজা বেগম (৪০), মরিয়ম বেগম (৩৫), ফারজানা ইয়াছমিন (১৯) ও আয়েশা ছিদ্দিকা (১৮)। আহতরা বর্তমানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।
এ সময় সন্ত্রাসীরা নগদ ১ লাখ ২৬ হাজার টাকা এবং ১ ভরি স্বর্ণালংকার লুট করে। এরপর রক্তাক্ত অবস্থায় আয়েশা আক্তারকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়।
মামলার এজাহারে, গত ২৮ এপ্রিল সাহারবিল ইউনিয়নের রামপুরে আব্দুল করিম নামে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এই হত্যার ঘটনায় করা মামলার অন্যতম সাক্ষী ছিলেন আয়েশা। এ ঘটনায় নিহত করিমের ছেলে আলী আহমদ চলতি বছরের ১ মে চকরিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।
মামলার আসামিরা মামলা তুলে নিতে বাদী ও সাক্ষীদের নিয়মিত হুমকি দিয়ে আসছিল। এ কারণে হত্যা মামলার বাদী আলী আহমদ এলাকা ছাড়তে বাধ্য হন, আর তাঁর এক ভাই অন্য মামলায় বর্তমানে জেলহাজতে রয়েছেন।
ঘটনার পর চকরিয়া থানায় ১৫ জনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মিজানুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি জানান, অপহৃত আয়েশা আক্তারকে উদ্ধারে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হচ্ছে।
চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মঞ্জুর কাদের ভূঁইয়া বলেন, ‘আক্রান্ত পরিবারের পক্ষ থেকে এজাহার পাওয়া গেছে। প্রাথমিক তদন্ত শেষে এজাহারটি মামলা হিসেবে গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি অপহৃতাকে উদ্ধারে পুলিশ তৎপর রয়েছে।’
আজ শুক্রবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন চকরিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) এম এম রকীব উর রাজা এবং থানার ওসি। পুলিশ বলছে, তাঁরা সব ধরনের ব্যবস্থা নিচ্ছে। তবে এখনো অপহৃতকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
এ ঘটনার পর সাহারবিল এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয়রা দ্রুত অপহৃতকে উদ্ধারের পাশাপাশি অপরাধীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে