কক্সবাজার প্রতিনিধি

কক্সবাজার পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র (বিদ্রোহী) মেয়র পদপ্রার্থী হওয়ায় মাসেদুল হক রাশেদকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। আজ শনিবার সন্ধ্যায় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান দলীয় এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।
জেলা আওয়ামী লীগ জানায়, আগামী ১২ জুন অনুষ্ঠেয় কক্সবাজার পৌরসভা নির্বাচনে দল থেকে ৭ জন মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন। সবাই দলের সিদ্ধান্ত মেনে দলীয় প্রার্থী মো. মাহবুবুর রহমান চৌধুরীর পক্ষে কাজ করছেন।
কিন্তু মাসেদুল হক রাশেদ বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিনেও তিনি মাঠ থেকে সরে দাঁড়াননি। মাসেদুল সদ্য বিলুপ্ত জেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।
কক্সবাজার শহরে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে প্রভাবশালী হিসেবে পরিচিত রাশেদের পরিবার। তাঁর বাবা প্রয়াত একেএম মোজাম্মেল হক জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন।
রাশেদের তিন ভাই ও এক বোন দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে রয়েছেন। এদের মধ্যে শাহীনুল হক মার্শাল গত বছর জেলা পরিষদ নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। ছোট ভাই কায়সারুল হক জুয়েল সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান। আরেক ভাই জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম সোহেল।
বিদ্রোহী প্রার্থী মাসেদুল হক রাশেদ বলেন, পৌরবাসীর দাবির প্রেক্ষিতে তিনি প্রার্থী হয়েছেন। যেহেতু এটা স্থানীয় নির্বাচন। এখানে দলীয় বিষয় প্রভাব পড়বে না।

কক্সবাজার পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র (বিদ্রোহী) মেয়র পদপ্রার্থী হওয়ায় মাসেদুল হক রাশেদকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। আজ শনিবার সন্ধ্যায় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান দলীয় এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।
জেলা আওয়ামী লীগ জানায়, আগামী ১২ জুন অনুষ্ঠেয় কক্সবাজার পৌরসভা নির্বাচনে দল থেকে ৭ জন মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন। সবাই দলের সিদ্ধান্ত মেনে দলীয় প্রার্থী মো. মাহবুবুর রহমান চৌধুরীর পক্ষে কাজ করছেন।
কিন্তু মাসেদুল হক রাশেদ বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিনেও তিনি মাঠ থেকে সরে দাঁড়াননি। মাসেদুল সদ্য বিলুপ্ত জেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।
কক্সবাজার শহরে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে প্রভাবশালী হিসেবে পরিচিত রাশেদের পরিবার। তাঁর বাবা প্রয়াত একেএম মোজাম্মেল হক জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন।
রাশেদের তিন ভাই ও এক বোন দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে রয়েছেন। এদের মধ্যে শাহীনুল হক মার্শাল গত বছর জেলা পরিষদ নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। ছোট ভাই কায়সারুল হক জুয়েল সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান। আরেক ভাই জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম সোহেল।
বিদ্রোহী প্রার্থী মাসেদুল হক রাশেদ বলেন, পৌরবাসীর দাবির প্রেক্ষিতে তিনি প্রার্থী হয়েছেন। যেহেতু এটা স্থানীয় নির্বাচন। এখানে দলীয় বিষয় প্রভাব পড়বে না।

নির্বাচনকালীন দায়িত্ব প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, জনগণের আস্থা অর্জন ছাড়া কেবল শক্তি প্রয়োগ করে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশ বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
৩৭ মিনিট আগে
নিহত আমেনা বেগমের বড় ভাই মোহাম্মদ ফোরকান বলেন, ‘বিয়ের সময় যৌতুক ও নগদ ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল। এরপরও বিভিন্ন সময়ে টাকা দাবি করে নির্যাতন চালানো হয়েছে। এখন আমার বোনকে বিষ খাইয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
৩৯ মিনিট আগে
পুলিশ জানায়, হামলার অভিযোগ এনে জামায়াতের যুব বিভাগের চরশাহী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি হেজবুল্লাহ সোহেল বাদী হয়ে ১৭০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এতে ১০ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ১৬০ জনকে আসামি করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
উল্লাসরত নেতা-কর্মীরা বলেন, কমিটি বিলুপ্তির এই সিদ্ধান্ত তাঁদের জন্য নতুন করে কাজ করার সুযোগ তৈরি করেছে। তাঁদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে দলীয় সাংগঠনিক সীমাবদ্ধতার কারণে তাঁরা প্রকাশ্যে রাজনৈতিক কার্যক্রম চালাতে পারেননি।
২ ঘণ্টা আগে