কুতুবদিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি

দীর্ঘ ৫০ বছর পর জাতীয় গ্রিডের বিদ্যুৎ পেল সাগরকন্যা কুতুবদিয়ায়। প্রাথমিক ট্রায়ালে নেভাল কেব্লের মাধ্যমে গতকাল রাত ৯টা থেকে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত পরীক্ষামূলক এ বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়।
উপজেলার ১ হাজার ২০০ গ্রাহকের মিটারে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হলে খুশিতে নানা আবেগ প্রকাশ করতে থাকেন দ্বীপের মানুষ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায় সাগরকন্যা কুতুবদিয়ায় বিদ্যুৎ সরবরাহের খবরটি।
এর আগে ২০২১-২২ অর্থবছরে পেকুয়ার মগনামা থেকে আড়াই কিলোমিটার চ্যানেল পাড়ি দিয়ে ডাবল লাইনে (ইন্টারনেটসহ) সমুদ্রের তলদেশে মাটির সাত ফুট নিচে নেভাল কেব্ল স্থাপন করে বড়ঘোপ মিয়ারঘোনায় সাবস্টেশন নির্মিত হয়। অভ্যন্তরীণ লাইন সংযোগে বিভিন্ন সড়কে অসংখ্য গাছ কর্তনসহ পিলার বসানো হয়। শতভাগ সরবরাহ নিশ্চিত করতে যদিও এখনো প্রায় ১০ ভাগ কাজ বাকি রয়েছে। গতকাল উপজেলা সদরে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ সরবরাহ করে করেছে প্রকল্পটি।
এদিকে সাবমেরিন কেব্ল দিয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ দেখতে আসেন কুতুবদিয়া-মহেশখালী সংসদ সদস্য আশেক উল্লাহ রফিক। এ সময় সংক্ষিপ্ত বক্তব্য তিনি বলেন, ‘বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন করে যাচ্ছেন। এটি দ্বীপবাসীর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন।’
প্রকল্পটির পরিচালক মোহাম্মদ ফারুক আহমেদ বলেন, ‘কুতুবদিয়ায় অভ্যন্তরীণ লাইন সংযোগে অধিকসংখ্যক গাছ কাটায় প্রয়োজনীয় কাজের কিছুটা ধীর গতি হয়েছে।’ তবে আগামী দেড় মাসের মধ্যে মিটার আবেদন ও সংযোগে শতভাগ সরবরাহ নিশ্চিতের আশা করেন তিনি।
এ ছাড়া আরও বক্তব্য দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জর্জ মিত্র চাকমা, কুতুবদিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আওরঙ্গজেব মাতবর, সাধারণ সম্পাদক হাজি মোহাম্মদ তাহের।
এ সময় কুতুবদিয়া বিউবির আবাসিক প্রকৌশলী আবুল হাসনাতসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

দীর্ঘ ৫০ বছর পর জাতীয় গ্রিডের বিদ্যুৎ পেল সাগরকন্যা কুতুবদিয়ায়। প্রাথমিক ট্রায়ালে নেভাল কেব্লের মাধ্যমে গতকাল রাত ৯টা থেকে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত পরীক্ষামূলক এ বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়।
উপজেলার ১ হাজার ২০০ গ্রাহকের মিটারে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হলে খুশিতে নানা আবেগ প্রকাশ করতে থাকেন দ্বীপের মানুষ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায় সাগরকন্যা কুতুবদিয়ায় বিদ্যুৎ সরবরাহের খবরটি।
এর আগে ২০২১-২২ অর্থবছরে পেকুয়ার মগনামা থেকে আড়াই কিলোমিটার চ্যানেল পাড়ি দিয়ে ডাবল লাইনে (ইন্টারনেটসহ) সমুদ্রের তলদেশে মাটির সাত ফুট নিচে নেভাল কেব্ল স্থাপন করে বড়ঘোপ মিয়ারঘোনায় সাবস্টেশন নির্মিত হয়। অভ্যন্তরীণ লাইন সংযোগে বিভিন্ন সড়কে অসংখ্য গাছ কর্তনসহ পিলার বসানো হয়। শতভাগ সরবরাহ নিশ্চিত করতে যদিও এখনো প্রায় ১০ ভাগ কাজ বাকি রয়েছে। গতকাল উপজেলা সদরে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ সরবরাহ করে করেছে প্রকল্পটি।
এদিকে সাবমেরিন কেব্ল দিয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ দেখতে আসেন কুতুবদিয়া-মহেশখালী সংসদ সদস্য আশেক উল্লাহ রফিক। এ সময় সংক্ষিপ্ত বক্তব্য তিনি বলেন, ‘বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন করে যাচ্ছেন। এটি দ্বীপবাসীর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন।’
প্রকল্পটির পরিচালক মোহাম্মদ ফারুক আহমেদ বলেন, ‘কুতুবদিয়ায় অভ্যন্তরীণ লাইন সংযোগে অধিকসংখ্যক গাছ কাটায় প্রয়োজনীয় কাজের কিছুটা ধীর গতি হয়েছে।’ তবে আগামী দেড় মাসের মধ্যে মিটার আবেদন ও সংযোগে শতভাগ সরবরাহ নিশ্চিতের আশা করেন তিনি।
এ ছাড়া আরও বক্তব্য দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জর্জ মিত্র চাকমা, কুতুবদিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আওরঙ্গজেব মাতবর, সাধারণ সম্পাদক হাজি মোহাম্মদ তাহের।
এ সময় কুতুবদিয়া বিউবির আবাসিক প্রকৌশলী আবুল হাসনাতসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৭ ঘণ্টা আগে