চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলায় মাতামুহুরী নদীতে নিখোঁজের ১৯ ঘণ্টা পর এক জেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে নদীর বাটাখালী ব্রিজ এলাকা থেকে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল মরদেহটি উদ্ধার করে।
এর আগে গতকাল সোমবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে মাতামুহুরী নদীতে ডুব দিয়ে জাল ছাড়িয়ে আনতে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছিলেন তিনি।
মরদেহ উদ্ধার হওয়া জেলের নাম আবুল কাশেম (৫২)। তিনি চকরিয়া পৌরসভার হালকাকারা গ্রামের জালিয়াপাড়ার আব্দুল খালেকের ছেলে।
কাশেমের সঙ্গে মাছ শিকারে যাওয়া জামাল উদ্দিন বলেন, ‘আমরা আরও পাঁচ জেলে মাতামুহুরী নদীতে মাছ ধরতে যাই। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে নদীর বাটাখালী ব্রিজের পাশে জাল দিয়ে মাছ শিকার করছিলাম। এ সময় নদীর তলদেশে একটি জাল আটকে যায়। তখন কাশেম জাল ছাড়িয়ে আনতে নদীর তলদেশে ডুব দেন। এরপর আর ওঠেননি।’
‘আমরা অনেক খোঁজাখুঁজি করি। পরবর্তীতে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়ার পর নদীতে তল্লাশি করেও খোঁজ পায়নি। পরে ডুবুরি দল এসে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে।’ বলেন জামাল উদ্দিন।
চকরিয়া পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের কমিশনার সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘মাতামুহুরী নদীতে ঝাঁকি জাল ফেলে মাছ ধরে জীবিকা চালাতেন কাশেম। নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজের ১৯ ঘণ্টা পর মরদেহ উদ্ধার হয়েছে।
চকরিয়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মকর্তা (টিম লিডার) লিটন কান্তি দেব বলেন, ‘ঘটনার পরপরই ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দল নদীতে তল্লাশি চালায়। সন্ধান না পেয়ে চট্টগ্রাম থেকে ডুবুরি দলকে খবর দেওয়া হয়। ডুবুরি দল আসার পর মঙ্গলবার সকাল সোয়া ১১টার দিকে নিখোঁজ কাশেমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।’
এ বিষয়ে চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘মাতামুহুরী নদীতে নিখোঁজ জেলের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলায় মাতামুহুরী নদীতে নিখোঁজের ১৯ ঘণ্টা পর এক জেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে নদীর বাটাখালী ব্রিজ এলাকা থেকে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল মরদেহটি উদ্ধার করে।
এর আগে গতকাল সোমবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে মাতামুহুরী নদীতে ডুব দিয়ে জাল ছাড়িয়ে আনতে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছিলেন তিনি।
মরদেহ উদ্ধার হওয়া জেলের নাম আবুল কাশেম (৫২)। তিনি চকরিয়া পৌরসভার হালকাকারা গ্রামের জালিয়াপাড়ার আব্দুল খালেকের ছেলে।
কাশেমের সঙ্গে মাছ শিকারে যাওয়া জামাল উদ্দিন বলেন, ‘আমরা আরও পাঁচ জেলে মাতামুহুরী নদীতে মাছ ধরতে যাই। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে নদীর বাটাখালী ব্রিজের পাশে জাল দিয়ে মাছ শিকার করছিলাম। এ সময় নদীর তলদেশে একটি জাল আটকে যায়। তখন কাশেম জাল ছাড়িয়ে আনতে নদীর তলদেশে ডুব দেন। এরপর আর ওঠেননি।’
‘আমরা অনেক খোঁজাখুঁজি করি। পরবর্তীতে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়ার পর নদীতে তল্লাশি করেও খোঁজ পায়নি। পরে ডুবুরি দল এসে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে।’ বলেন জামাল উদ্দিন।
চকরিয়া পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের কমিশনার সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘মাতামুহুরী নদীতে ঝাঁকি জাল ফেলে মাছ ধরে জীবিকা চালাতেন কাশেম। নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজের ১৯ ঘণ্টা পর মরদেহ উদ্ধার হয়েছে।
চকরিয়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মকর্তা (টিম লিডার) লিটন কান্তি দেব বলেন, ‘ঘটনার পরপরই ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দল নদীতে তল্লাশি চালায়। সন্ধান না পেয়ে চট্টগ্রাম থেকে ডুবুরি দলকে খবর দেওয়া হয়। ডুবুরি দল আসার পর মঙ্গলবার সকাল সোয়া ১১টার দিকে নিখোঁজ কাশেমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।’
এ বিষয়ে চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘মাতামুহুরী নদীতে নিখোঁজ জেলের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’

পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
২২ মিনিট আগে
ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে প্রতিবছর সুন্দরবনে অনেক বন্য প্রাণী মারা যায়। এসব প্রাকৃতিক দুর্যোগে বন্য প্রাণীদের নিরাপদে রাখতে বানানো হয়েছে সাতটি টাইগার টিলা (উঁচু কিল্লা)। বাঘ সংরক্ষণ প্রকল্পের আওতায় এসব বানানো হয়েছে। এ ছাড়া টিলার পাশে বন্য প্রাণীদের সুপেয় পানি সরবরাহে খনন করা হয়েছে মিষ্টি পানির পুকুর।
২৬ মিনিট আগে
দীর্ঘ ২৮ বছরের অচলাবস্থা কাটিয়ে ২০ জানুয়ারিতে হতে যাওয়া শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন নিয়ে যেন শঙ্কা কাটছে না। নির্বাচনে দুবার তফসিল ঘোষণা, নির্বাচন কমিশন কর্তৃক স্থগিত করা শেষে এখন ভোট গ্রহণ নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
২৮ মিনিট আগে
সেন্ট মার্টিনের পরিবেশ-প্রতিবেশ রক্ষায় গত বছর থেকে সরকার পর্যটক নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নেয়। পর্যটক সীমিত করার পাশাপাশি দ্বীপে নিষিদ্ধ পলিথিন ও একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিক পণ্য বহন রোধ করাসহ ভ্রমণে ১২টি নির্দেশনা বা শর্ত আরোপ করে।
৩১ মিনিট আগে