চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলায় এক তরুণের রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তাঁর শরীরে ছুরিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
আজ শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার ঢেমুশিয়ার ছয়কুড়িটিক্কাপাড়া গ্রামের সড়ক থেকে তরুণকে উদ্ধার করে স্থানীয়রা হাসপাতালে নেয়। সেখানে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করে। পরে খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।
নিহত তরুণের নাম মো. জাকের হোসেন (১৮)। তিনি ওই এলাকার মাছ বিক্রেতা আব্দুল কাদেরের ছেলে। তিনি বাবার সঙ্গে মাছ বিক্রিতে সহায়তা করতেন।
চকরিয়া সার্কেলের জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) এম এম রকীব উর রাজা আজকের পত্রিকাকে বলেন, পশ্চিম ঢেমুশিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সড়কের পাশে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়েছিলেন ওই তরুণ। তাঁর বুকের বাম পাঁজর ও বাম রানের মাংস পেশিতে ছুরিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে। স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি আরও বলেন, ধারণা করা হচ্ছে, ধারালো ছুরির আঘাতে জাকের নিহত হয়েছেন। কী কারণে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
নিহত জাকের এর বাবা আব্দুল কাদের সাংবাদিকদের বলেন, তাঁর ছেলেকে দুর্বৃত্তরা ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। তাঁর পরিবারের সঙ্গে কারও সঙ্গে শক্রতা নেই। কে বা কারা, কী কারণে হত্যা করেছে, তিনি জানেন না। তবে তিনি ছেলে খুনের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানান।
চকরিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. ইয়াছিন মিয়া আজকের পত্রিকাকে বলেন, নিহত তরুণের পরিবার ও স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা হয়েছে। পুলিশের দুটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আটক করতে চেষ্টা চালাচ্ছেন।
নিহতের মরদেহ সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানান পরিদর্শক ইয়াছিন।

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলায় এক তরুণের রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তাঁর শরীরে ছুরিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
আজ শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার ঢেমুশিয়ার ছয়কুড়িটিক্কাপাড়া গ্রামের সড়ক থেকে তরুণকে উদ্ধার করে স্থানীয়রা হাসপাতালে নেয়। সেখানে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করে। পরে খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।
নিহত তরুণের নাম মো. জাকের হোসেন (১৮)। তিনি ওই এলাকার মাছ বিক্রেতা আব্দুল কাদেরের ছেলে। তিনি বাবার সঙ্গে মাছ বিক্রিতে সহায়তা করতেন।
চকরিয়া সার্কেলের জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) এম এম রকীব উর রাজা আজকের পত্রিকাকে বলেন, পশ্চিম ঢেমুশিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সড়কের পাশে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়েছিলেন ওই তরুণ। তাঁর বুকের বাম পাঁজর ও বাম রানের মাংস পেশিতে ছুরিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে। স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি আরও বলেন, ধারণা করা হচ্ছে, ধারালো ছুরির আঘাতে জাকের নিহত হয়েছেন। কী কারণে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
নিহত জাকের এর বাবা আব্দুল কাদের সাংবাদিকদের বলেন, তাঁর ছেলেকে দুর্বৃত্তরা ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। তাঁর পরিবারের সঙ্গে কারও সঙ্গে শক্রতা নেই। কে বা কারা, কী কারণে হত্যা করেছে, তিনি জানেন না। তবে তিনি ছেলে খুনের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানান।
চকরিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. ইয়াছিন মিয়া আজকের পত্রিকাকে বলেন, নিহত তরুণের পরিবার ও স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা হয়েছে। পুলিশের দুটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আটক করতে চেষ্টা চালাচ্ছেন।
নিহতের মরদেহ সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানান পরিদর্শক ইয়াছিন।

চট্টগ্রামমুখী লেনে চলন্ত এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারবাহী ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের বিভাজকের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে উল্টে যায়। এ সময় দাঁড়িয়ে থাকা আব্দুর রহমান ট্রাকের ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই মারা যান।
১২ মিনিট আগে
বাদীর অভিযোগ, ওই বক্তব্যের মাধ্যমে মরহুম আরাফাত রহমান কোকো, তাঁর পরিবার, বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সংসদের নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের চরমভাবে মানহানি করা হয়েছে। এতে সামাজিকভাবে অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে বলেও নালিশে উল্লেখ করা হয়।
১৭ মিনিট আগে
এবার রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছ থেকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পেলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের দুই ইউনিয়ন) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন, ঔদ্ধত্যপূর্ণ ও অসৌজন্যমূলক আচরণ করে...
৪১ মিনিট আগে
খুব সকালে কড়া নিরাপত্তার মাধ্যমে চিন্ময়সহ ২৩ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিজিবি মিলিয়ে শতাধিক সদস্য আদালত প্রাঙ্গণে মোতায়েন করা হয়। খুব কম সময়ের মধ্যে আদালতে মামলার কার্যক্রম শেষ করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে