প্রতিনিধি, চুয়াডাঙ্গা

ভালো চিকিৎসার প্রথম শর্ত নির্ভুল পরীক্ষা। একজন সচেতন চিকিৎসক নির্ভুল পরীক্ষা ছাড়া কোনোভাবেই চিকিৎসা দিতে পারেন না। কিন্তু দেশের বিভিন্ন স্থানে আজ ব্যাঙের ছাতার মতো অনুমোদিত ও অবৈধ ডায়াগনস্টিক সেন্টার গজিয়ে উঠেছে। আর এসব ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ভিড়ে রোগী ও রোগীর স্বজনরা প্রকৃত ও ভালো ডায়াগনস্টিক সেন্টারের খোঁজ না পেয়ে নাম সর্বস্ব ডায়াগনস্টিক সেন্টারে শরীরের চিকিৎসা বিষয়ক নমুনা পরীক্ষা করে পড়ছেন অপচিকিৎসার ফাঁদে। নমুনা পরীক্ষার ভুল রিপোর্টের কারণে অনেকের প্রাণ সংশয় হচ্ছে।
বিগত দিনের মতো চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল সড়কের আকিক ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও দামুড়হুদা উপজেলার ইব্রাহিমপুর গ্রামের কে আর মালিক আধুনিক হাসপাতালের বিরুদ্ধে রোগীর রক্ত পরীক্ষা নির্ণয়ে ভুল রিপোর্ট দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে এ বিষয়ে উল্লেখিত দুটি প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে ভুল রিপোর্ট দেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করা হয়েছে। এদিকে, এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, বিষয়টি তদন্ত করবেন এবং প্রমাণিত হলে উল্লেখিত প্রতিষ্ঠান দুটির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণেরও আশ্বাস দিয়েছেন।
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে পুনরায় রক্ত পরীক্ষা করলে আগের রিপোর্ট ভুল বলে প্রমাণিত হয়। পরে গত শনিবার রাতে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি হন ওই রোগী। রোববার বিষয়টি জানাজানি হলে হাসপাতাল এলাকায় আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এদিকে, এ তথ্য ধামাচাপা দিতে বিভিন্ন মহলে দৌড়ঝাঁপ শুরু করে ডায়াগনস্টিক সেন্টার কর্তৃপক্ষ। এ ছাড়া একই ধরনের আরেকটি অভিযোগ পাওয়া গেছে দামুড়হুদা উপজেলার ইব্রাহিমপুর গ্রামের কে আর মালিক আধুনিক হাসপাতালের বিরুদ্ধে। সেখানেও এক রোগীর রক্ত পরীক্ষায় ভুল রিপোর্ট দেওয়ার অভিযোগ ওঠে।
জানা গেছে, গত ৮ আগস্ট দামুড়হুদা উপজেলার মাদ্রাসাপাড়ার সাইফুল ইসলামের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী মাসুরা খাতুন (৪০) আকিক ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা করেন। সেখান থেকে জানানো হয় মাসুরা খাতুনের রক্তের গ্রুপ এবি পজিটিভ। গত শনিবার তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে বিকেলে নেওয়া হয় সদর হাসপাতালে।
কর্তব্যরত চিকিৎসক রোগীর শরীরে রক্ত দেওয়ার পরামর্শ দেন। এ জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে আবারও রক্তের গ্রুপ নির্ণয় করা হলে সদর হাসপাতালের ব্লাড ব্যাংক থেকে জানানো হয় তাঁর রক্তের গ্রুপ বি পজিটিভ। বর্তমানে মাসুরা খাতুন সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
এ অভিযোগ স্বীকার করে আকিক ডায়াগনস্টিক সেন্টারের স্বত্বাধিকারী শরিফুল ইসলাম জানান, পরীক্ষা ঠিকই হয়েছে। কিন্তু রিপোর্ট প্রিন্ট দেওয়ার সময় এমন ভুল হয়েছে। এটি শুধুমাত্র রিপোর্ট টাইপ ও প্রিন্টের ভুল।
অপর দিকে, একই অভিযোগ পাওয়া গেছে দামুড়হুদা উপজেলার ইব্রাহিমপুর গ্রামের কে আর মালিক আধুনিক হাসপাতালের বিরুদ্ধেও। উপজেলার রামনগর গ্রামের শেফালী খাতুন রক্তের গ্রুপ নির্ণয়ের জন্য যান কে আর মালিক হাসপাতালে। সেখানে তাঁর রক্ত পরীক্ষায় বলা হয় এবি নেগেটিভ; কিন্তু পরে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে টেস্ট করা হলে এবি পজিটিভ পাওয়া যায়। তিনিও হাসপাতাল সড়কের রাজধানী ক্লিনিকে ভর্তি রয়েছেন। এ বিষয়টিকেও ভুল বলে স্বীকার করেছেন কে আর মালিক আধুনিক হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয়রা বলছেন, প্রাইভেট ক্লিনিকে বেশি টাকা দিয়ে টেস্ট করিয়েও যদি এমন ভুল রিপোর্ট পাওয়া যায়, তবে তা দুঃখজনক। এ জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এমন স্পর্শকাতর বিষয়গুলো তদারকি করা প্রয়োজন।
চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জন ডা. এ এস এম মারুফ হাসান জানান, রোগীর রক্ত পরীক্ষায় ভুল রিপোর্ট দেওয়া দুটি ক্লিনিকের বিরুদ্ধে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। অভিযোগ পেলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ভালো চিকিৎসার প্রথম শর্ত নির্ভুল পরীক্ষা। একজন সচেতন চিকিৎসক নির্ভুল পরীক্ষা ছাড়া কোনোভাবেই চিকিৎসা দিতে পারেন না। কিন্তু দেশের বিভিন্ন স্থানে আজ ব্যাঙের ছাতার মতো অনুমোদিত ও অবৈধ ডায়াগনস্টিক সেন্টার গজিয়ে উঠেছে। আর এসব ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ভিড়ে রোগী ও রোগীর স্বজনরা প্রকৃত ও ভালো ডায়াগনস্টিক সেন্টারের খোঁজ না পেয়ে নাম সর্বস্ব ডায়াগনস্টিক সেন্টারে শরীরের চিকিৎসা বিষয়ক নমুনা পরীক্ষা করে পড়ছেন অপচিকিৎসার ফাঁদে। নমুনা পরীক্ষার ভুল রিপোর্টের কারণে অনেকের প্রাণ সংশয় হচ্ছে।
বিগত দিনের মতো চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল সড়কের আকিক ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও দামুড়হুদা উপজেলার ইব্রাহিমপুর গ্রামের কে আর মালিক আধুনিক হাসপাতালের বিরুদ্ধে রোগীর রক্ত পরীক্ষা নির্ণয়ে ভুল রিপোর্ট দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে এ বিষয়ে উল্লেখিত দুটি প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে ভুল রিপোর্ট দেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করা হয়েছে। এদিকে, এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, বিষয়টি তদন্ত করবেন এবং প্রমাণিত হলে উল্লেখিত প্রতিষ্ঠান দুটির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণেরও আশ্বাস দিয়েছেন।
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে পুনরায় রক্ত পরীক্ষা করলে আগের রিপোর্ট ভুল বলে প্রমাণিত হয়। পরে গত শনিবার রাতে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি হন ওই রোগী। রোববার বিষয়টি জানাজানি হলে হাসপাতাল এলাকায় আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এদিকে, এ তথ্য ধামাচাপা দিতে বিভিন্ন মহলে দৌড়ঝাঁপ শুরু করে ডায়াগনস্টিক সেন্টার কর্তৃপক্ষ। এ ছাড়া একই ধরনের আরেকটি অভিযোগ পাওয়া গেছে দামুড়হুদা উপজেলার ইব্রাহিমপুর গ্রামের কে আর মালিক আধুনিক হাসপাতালের বিরুদ্ধে। সেখানেও এক রোগীর রক্ত পরীক্ষায় ভুল রিপোর্ট দেওয়ার অভিযোগ ওঠে।
জানা গেছে, গত ৮ আগস্ট দামুড়হুদা উপজেলার মাদ্রাসাপাড়ার সাইফুল ইসলামের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী মাসুরা খাতুন (৪০) আকিক ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা করেন। সেখান থেকে জানানো হয় মাসুরা খাতুনের রক্তের গ্রুপ এবি পজিটিভ। গত শনিবার তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে বিকেলে নেওয়া হয় সদর হাসপাতালে।
কর্তব্যরত চিকিৎসক রোগীর শরীরে রক্ত দেওয়ার পরামর্শ দেন। এ জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে আবারও রক্তের গ্রুপ নির্ণয় করা হলে সদর হাসপাতালের ব্লাড ব্যাংক থেকে জানানো হয় তাঁর রক্তের গ্রুপ বি পজিটিভ। বর্তমানে মাসুরা খাতুন সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
এ অভিযোগ স্বীকার করে আকিক ডায়াগনস্টিক সেন্টারের স্বত্বাধিকারী শরিফুল ইসলাম জানান, পরীক্ষা ঠিকই হয়েছে। কিন্তু রিপোর্ট প্রিন্ট দেওয়ার সময় এমন ভুল হয়েছে। এটি শুধুমাত্র রিপোর্ট টাইপ ও প্রিন্টের ভুল।
অপর দিকে, একই অভিযোগ পাওয়া গেছে দামুড়হুদা উপজেলার ইব্রাহিমপুর গ্রামের কে আর মালিক আধুনিক হাসপাতালের বিরুদ্ধেও। উপজেলার রামনগর গ্রামের শেফালী খাতুন রক্তের গ্রুপ নির্ণয়ের জন্য যান কে আর মালিক হাসপাতালে। সেখানে তাঁর রক্ত পরীক্ষায় বলা হয় এবি নেগেটিভ; কিন্তু পরে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে টেস্ট করা হলে এবি পজিটিভ পাওয়া যায়। তিনিও হাসপাতাল সড়কের রাজধানী ক্লিনিকে ভর্তি রয়েছেন। এ বিষয়টিকেও ভুল বলে স্বীকার করেছেন কে আর মালিক আধুনিক হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয়রা বলছেন, প্রাইভেট ক্লিনিকে বেশি টাকা দিয়ে টেস্ট করিয়েও যদি এমন ভুল রিপোর্ট পাওয়া যায়, তবে তা দুঃখজনক। এ জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এমন স্পর্শকাতর বিষয়গুলো তদারকি করা প্রয়োজন।
চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জন ডা. এ এস এম মারুফ হাসান জানান, রোগীর রক্ত পরীক্ষায় ভুল রিপোর্ট দেওয়া দুটি ক্লিনিকের বিরুদ্ধে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। অভিযোগ পেলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে