
দেশের হাসপাতাল, ক্লিনিক বা ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোয় প্রতিদিন ২০০ থেকে ২৫০ টন মেডিকেল বর্জ্য জমা হয়। এসব বর্জ্য সাধারণ আবর্জনার মতো নয়। এর বড় একটি অংশ মারাত্মক সংক্রামক ও বিপজ্জনক। সঠিক ব্যবস্থাপনার অভাবে এই মেডিকেল বর্জ্য আমাদের জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য এক নীরব ঘাতক হয়ে দাঁড়িয়েছে।

কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালের পেছনের ফটক। এই ফটক ঘেঁষে ৯টি এবং ২০০ গজের মধ্যে গড়ে উঠেছে অর্ধশতাধিক ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ক্লিনিক। শুধু জেলা সদরের এই হাসপাতাল নয়, ১২টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনের চিত্র একই। প্রতিটি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আশপাশে রয়েছে ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ক্লিনিক।

মানিকগঞ্জের সিংগাইরে বিভিন্ন ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে জেলা সিভিল সার্জনের কার্যালয়ের অভিযানে দুই ডায়াগনস্টিক সেন্টার সিলগালা করা হয়েছে। আরও তিন প্রতিষ্ঠানের প্যাথলজি বিভাগের কার্যক্রম বন্ধ করা হয়েছে। কাগজপত্র যাচাই শেষে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

চিকিৎসকের স্বাক্ষর জাল করে বিভিন্ন ক্লিনিক্যাল রিপোর্ট দেওয়ার অভিযোগে মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড এলাকার নিউ হাই কেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ৪৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির ল্যাব সিলগালা করেছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।