
চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে নাশকতার অভিযোগে জামায়াতের ১২ নেতা কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ রোববার তাঁদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। গতকাল শনিবার রাতে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়।
বিষয়টি আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেছেন জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল খালেক।
গ্রেপ্তাররা হলেন–উপজেলার মাধবপুর গ্রামের সাইদুল ইসলাম, মারুফদাহ গ্রামের শাহ আলম, নতুনপাড়া গ্রামের রেজাউল করিম, বালিহুদা গ্রামের ফজলুর রহমান, নতুন চাকলা গ্রামের আতিকুর রহমান, আশতলাপাড়ার নুরুজ্জামান বিশ্বাস, বেনিপুর গ্রামের রবিউল হোসেন, কাটাপোল গ্রামের মিনাজ উদ্দিন, গোয়ালপাড়া গ্রামের জহুর আলম, কন্দর্পপুর গ্রামের মইনুদ্দিন, বৈদ্যনাথপুর গ্রামের ওলিউর রহমান ও মৃগিমারী গ্রামের হাসানুজ্জামান।
জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল খালেক বলেন, ‘গতকাল সন্ধ্যায় জামায়াতের নেতা-কর্মীরা নাশকতার পরিকল্পনা করছে এমন সংবাদ পায় পুলিশ। পুলিশের উপপরিদর্শক রায়হানের নেতৃত্ব একটি দল বৈদ্যনাথপুর গ্রামের একটি আম বাগানে অভিযান চালায়। সেখানে জামায়াতের প্রায় ৬০ / ৭০ নেতা-কর্মী ছিল। পুলিশের উপস্থিতি টেরে পেয়ে কয়েকজন পালিয়ে যান। পরে মাধবপুর ও হাসাদহ এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১২ জামায়াতের নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
ওসি আরও বলেন, ‘এ সময় তাঁদের কাছ থেকে চারটি বোমা সাদৃশ্য বস্তু ও বেশ কিছু জিহাদি বই উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে বিস্ফোরক ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে ৩৪ জনের নাম উল্লেখসহ আরও ৩৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা করেছে।’

চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে নাশকতার অভিযোগে জামায়াতের ১২ নেতা কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ রোববার তাঁদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। গতকাল শনিবার রাতে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়।
বিষয়টি আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেছেন জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল খালেক।
গ্রেপ্তাররা হলেন–উপজেলার মাধবপুর গ্রামের সাইদুল ইসলাম, মারুফদাহ গ্রামের শাহ আলম, নতুনপাড়া গ্রামের রেজাউল করিম, বালিহুদা গ্রামের ফজলুর রহমান, নতুন চাকলা গ্রামের আতিকুর রহমান, আশতলাপাড়ার নুরুজ্জামান বিশ্বাস, বেনিপুর গ্রামের রবিউল হোসেন, কাটাপোল গ্রামের মিনাজ উদ্দিন, গোয়ালপাড়া গ্রামের জহুর আলম, কন্দর্পপুর গ্রামের মইনুদ্দিন, বৈদ্যনাথপুর গ্রামের ওলিউর রহমান ও মৃগিমারী গ্রামের হাসানুজ্জামান।
জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল খালেক বলেন, ‘গতকাল সন্ধ্যায় জামায়াতের নেতা-কর্মীরা নাশকতার পরিকল্পনা করছে এমন সংবাদ পায় পুলিশ। পুলিশের উপপরিদর্শক রায়হানের নেতৃত্ব একটি দল বৈদ্যনাথপুর গ্রামের একটি আম বাগানে অভিযান চালায়। সেখানে জামায়াতের প্রায় ৬০ / ৭০ নেতা-কর্মী ছিল। পুলিশের উপস্থিতি টেরে পেয়ে কয়েকজন পালিয়ে যান। পরে মাধবপুর ও হাসাদহ এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১২ জামায়াতের নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
ওসি আরও বলেন, ‘এ সময় তাঁদের কাছ থেকে চারটি বোমা সাদৃশ্য বস্তু ও বেশ কিছু জিহাদি বই উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে বিস্ফোরক ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে ৩৪ জনের নাম উল্লেখসহ আরও ৩৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা করেছে।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৫ ঘণ্টা আগে