কক্সবাজার প্রতিনিধি

‘তাঁকে ওপরের নির্দেশে মেরে ফেলা হচ্ছে, কেউ তাকে বাঁচাতে আসবে না’—এভাবেই প্রকাশ্যে ঘোষণা দিয়ে মোর্শেদ আলীকে (৩৮) পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়। গত বৃহস্পতিবার কক্সবাজার সদর উপজেলার পিএমখালী ইউনিয়নের চেরাংঘর বাজারে দুর্বৃত্তরা মোর্শেদ আলীকে হত্যা করে। এ ঘটনায় শনিবার রাতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলার নথি ও পুলিশ সূত্র থেকে জানা গেছে, কক্সবাজার সদর উপজেলার পিএমখালীতে একটি সেচ প্রকল্পের বিরোধ নিয়ে মোর্শেদ আলীকে হত্যা করা হয়। নিহতের ভাই জাহেদ আলী বাদী হয়ে পিএমখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সিরাজুল মোস্তফা, স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল মালেক, মাহমুদুল হক, চেরাংঘর বাজার কমিটির সভাপতি দিদারুল ইসলামসহ ২৬ জনের নাম উল্লেখ ছাড়াও মামলায় ৮-১০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় পুলিশ অভিযুক্ত তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। তাঁরা হলেন—চেরাংঘর বাজার কমিটির সভাপতি দিদারুল ইসলাম, মামলার অন্যতম অভিযুক্ত মাহমুদুল হকের দুই ভাগনে জাহেদুল ইসলাম ও মো. ইয়াছিন। গত শুক্রবার রাতে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে পিএমখালীর চেরাংঘর বাজারে ইফতারি কিনতে যায় মোর্শেদ আলী। এ সময় অভিযুক্তরা মোর্শেদকে রাস্তায় ফেলে লাঠি ও হাতুড়ি দিয়ে পেটায়। একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে। তাঁকে হত্যার করার সময় সিরাজুল মোস্তফা উপস্থিত লোকজনদের উদ্দেশ্য বলেন, ‘তাঁকে মেরে ফেলার জন্য ওপরের নির্দেশ রয়েছে। কেউ কাছে আসবে না।’
এদিকে, মোর্শেদকে হত্যা করার ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে ছড়িয়ে পড়েছে। ওই ভিডিও থেকে দেখা যায়, ঘটনাস্থলে শতাধিক মানুষের জটলা। কিন্তু সিরাজুল মোস্তফার ঘোষণার পর কেউই মোর্শেদ আলীকে রক্ষায় এগিয়ে আসেনি।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মুনীর উল গীয়াস আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সেচ প্রকল্পের বিরোধেই এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের ধরতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।’
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পর থেকে আওয়ামী লীগ নেতা সিরাজুল মোস্তফা, আবদুল মালেক, মাহমুদুল হকসহ অন্যান্য আসামিরা এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে।
মামলার বাদী ও নিহতের ভাই জাহেদ আলী জানান, সেচ প্রকল্পের নিয়ন্ত্রণের জন্য আসামিরা পরিকল্পিতভাবে তাঁর ভাইকে প্রকাশ্যে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করেছে। ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সিরাজুল মোস্তফার নির্দেশে আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল মালেক, মাহমুদুল হক, জয়নাল আবেদীন, কলিম উল্লাহসহ ৩৫ থেকে ৪০ জন তাঁর ভাইয়ের হত্যাকাণ্ডে অংশ নেয়।
জাহেদ আলী আরও জানান, ইফতারি কিনতে মোর্শেদ আলী চেরাংঘর বাজারে যান। রোজায় ক্লান্ত মোর্শেদের উপর যখন হামলা শুরু হয়, তখন হামলাকারীদের উদ্দেশে মোর্শেদ বারবার বলছিলেন, সারা দিন রোজায় তিনি খুব ক্লান্ত, মারলে যেন ইফতারের পরে মারেন। কিন্তু তাতেও তাঁদের মন গলেনি। ইফতারের আগমুহূর্তে বর্বরভাবে পিটিয়ে ও কুপিয়ে তাঁকে হত্যা করা হয়।
কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান বলেন, ‘এ ঘটনায় জড়িত আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের কেউই রক্ষা পাবে না। তাঁদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে। সন্ত্রাসী, ভূমিদস্যু, চাঁদাবাজদের জায়গা আওয়ামী লীগে নেই। অভিযুক্তদের দল থেকে বহিষ্কারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

‘তাঁকে ওপরের নির্দেশে মেরে ফেলা হচ্ছে, কেউ তাকে বাঁচাতে আসবে না’—এভাবেই প্রকাশ্যে ঘোষণা দিয়ে মোর্শেদ আলীকে (৩৮) পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়। গত বৃহস্পতিবার কক্সবাজার সদর উপজেলার পিএমখালী ইউনিয়নের চেরাংঘর বাজারে দুর্বৃত্তরা মোর্শেদ আলীকে হত্যা করে। এ ঘটনায় শনিবার রাতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলার নথি ও পুলিশ সূত্র থেকে জানা গেছে, কক্সবাজার সদর উপজেলার পিএমখালীতে একটি সেচ প্রকল্পের বিরোধ নিয়ে মোর্শেদ আলীকে হত্যা করা হয়। নিহতের ভাই জাহেদ আলী বাদী হয়ে পিএমখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সিরাজুল মোস্তফা, স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল মালেক, মাহমুদুল হক, চেরাংঘর বাজার কমিটির সভাপতি দিদারুল ইসলামসহ ২৬ জনের নাম উল্লেখ ছাড়াও মামলায় ৮-১০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় পুলিশ অভিযুক্ত তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। তাঁরা হলেন—চেরাংঘর বাজার কমিটির সভাপতি দিদারুল ইসলাম, মামলার অন্যতম অভিযুক্ত মাহমুদুল হকের দুই ভাগনে জাহেদুল ইসলাম ও মো. ইয়াছিন। গত শুক্রবার রাতে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে পিএমখালীর চেরাংঘর বাজারে ইফতারি কিনতে যায় মোর্শেদ আলী। এ সময় অভিযুক্তরা মোর্শেদকে রাস্তায় ফেলে লাঠি ও হাতুড়ি দিয়ে পেটায়। একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে। তাঁকে হত্যার করার সময় সিরাজুল মোস্তফা উপস্থিত লোকজনদের উদ্দেশ্য বলেন, ‘তাঁকে মেরে ফেলার জন্য ওপরের নির্দেশ রয়েছে। কেউ কাছে আসবে না।’
এদিকে, মোর্শেদকে হত্যা করার ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে ছড়িয়ে পড়েছে। ওই ভিডিও থেকে দেখা যায়, ঘটনাস্থলে শতাধিক মানুষের জটলা। কিন্তু সিরাজুল মোস্তফার ঘোষণার পর কেউই মোর্শেদ আলীকে রক্ষায় এগিয়ে আসেনি।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মুনীর উল গীয়াস আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সেচ প্রকল্পের বিরোধেই এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের ধরতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।’
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পর থেকে আওয়ামী লীগ নেতা সিরাজুল মোস্তফা, আবদুল মালেক, মাহমুদুল হকসহ অন্যান্য আসামিরা এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে।
মামলার বাদী ও নিহতের ভাই জাহেদ আলী জানান, সেচ প্রকল্পের নিয়ন্ত্রণের জন্য আসামিরা পরিকল্পিতভাবে তাঁর ভাইকে প্রকাশ্যে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করেছে। ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সিরাজুল মোস্তফার নির্দেশে আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল মালেক, মাহমুদুল হক, জয়নাল আবেদীন, কলিম উল্লাহসহ ৩৫ থেকে ৪০ জন তাঁর ভাইয়ের হত্যাকাণ্ডে অংশ নেয়।
জাহেদ আলী আরও জানান, ইফতারি কিনতে মোর্শেদ আলী চেরাংঘর বাজারে যান। রোজায় ক্লান্ত মোর্শেদের উপর যখন হামলা শুরু হয়, তখন হামলাকারীদের উদ্দেশে মোর্শেদ বারবার বলছিলেন, সারা দিন রোজায় তিনি খুব ক্লান্ত, মারলে যেন ইফতারের পরে মারেন। কিন্তু তাতেও তাঁদের মন গলেনি। ইফতারের আগমুহূর্তে বর্বরভাবে পিটিয়ে ও কুপিয়ে তাঁকে হত্যা করা হয়।
কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান বলেন, ‘এ ঘটনায় জড়িত আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের কেউই রক্ষা পাবে না। তাঁদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে। সন্ত্রাসী, ভূমিদস্যু, চাঁদাবাজদের জায়গা আওয়ামী লীগে নেই। অভিযুক্তদের দল থেকে বহিষ্কারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সোমবার ভোরে বাবুল মিয়ার মা ঘুম থেকে উঠে ছেলের ঘরের দরজা বাইরে থেকে লাগানো দেখতে পান। তাঁর ডাকে পরিবারের অন্য সদস্যরা জেগে ওঠেন। বাবলু মিয়ার ছোট ছেলে ঘরে গিয়ে বিছানায় তার মায়ের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ দেখতে পান। তবে ঘরে বা বাড়িতে বাবলু মিয়াকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
১৬ মিনিট আগে
নির্বাচনী পরিস্থিতি সম্পর্কে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এখন পর্যন্ত নির্বাচন পরিস্থিতি ভালোই মনে হচ্ছে। তবে প্রকৃত পরিস্থিতি বোঝা যাবে প্রচারণা শুরু হলে। তার আগে সবাই মনোনয়নসহ সাংবিধানিক বিষয়গুলো গুছিয়ে নিচ্ছে।’
১ ঘণ্টা আগে
শহরের গোয়ালপাড়া এলাকার বাসিন্দা ওয়াকার আলী দীর্ঘদিন ধরে তাঁর সাঙ্গপাঙ্গ নিয়ে মাছবাজারের ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে প্রতিদিন ১০০ থেকে ১৫০ টাকা করে চাঁদা আদায় করতেন। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে চাঁদা তুলতে গেলে ব্যবসায়ীরা দিতে অস্বীকৃতি জানান।
২ ঘণ্টা আগে
টানা সাত দিন ধরে ১০ ডিগ্রির নিচে তাপমাত্রা বিরাজ করছে উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে। ফলে এই জেলায় শীতের প্রভাব বেড়েছে। সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় জেলার তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
২ ঘণ্টা আগে