মাঈনুদ্দিন খালেদ, নাইক্ষ্যংছড়ি

পার্বত্য জেলা বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির তুমব্রু সীমান্তে সন্ত্রাসীদের হামলায় প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) কর্মকর্তার মৃত্যুর পর থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। ঘটনার পর ওই এলাকায় যাতায়াতে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে; পুরো এলাকাজুড়ে সৃষ্টি করা হয়েছে নিরাপত্তাবলয়।
গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় ঘুমধুম ইউনিয়নের তুমব্রু খালঘেঁষা কোনারপাড়া সীমান্তের শূন্যরেখাসংলগ্ন এলাকায় র্যাব ও ডিজিএফআই যৌথ অভিযানে নামলে গুলিতে নিহত হন বিমানবাহিনীর স্কোয়াড্রন লিডার রিজওয়ান রুশদী। তখন র্যাবের এক সদস্যও গুলিবিদ্ধ হন।
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মাদক চোরাচালানকারীদের সঙ্গে সংঘর্ষ চলাকালে তাঁদের গুলিতে ‘দায়িত্বরত অবস্থায়’ ডিজিএফআইয়ের একজন কর্মকর্তা (বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর কর্মকর্তা) দেশের জন্য আত্মত্যাগ করে শহীদ হন। এ ছাড়া র্যাবের এক সদস্য আহত হয়েছেন।’
বান্দরবান জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. জাহাঙ্গীর বলেন, ‘র্যাবের একটি দল সেখানে মাদক উদ্ধারে অভিযান পরিচালনার সময় সশস্ত্র দুষ্কৃতকারীরা তাঁদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে।’
আহত র্যাব কনস্টেবল সোহেল বড়ুয়াকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখান থেকে রাতেই তাঁকে চট্টগ্রামে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এদিকে তুমব্রু সীমান্ত থেকে কোনো অপরাধী যাতে তৎসংলগ্ন উখিয়ার ক্যাম্পগুলোতে প্রবেশ করতে না পারে, সে ব্যাপারে সতকর্তা বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন-৮) সহকারী পুলিশ সুপার মো. ফারুক আহমেদ।
তুমব্রু বাজার ব্যবসায়ী আবদুল কাদের, গ্রাম পুলিশ আবদুল জাবব্বার ও মেম্বার দীল মোহাম্মদ এই প্রতিবেদককে জানান, তুমব্রু কোনায় গোলাগুলি ও হতাহতের ঘটনার পর থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। স্থানীয়রা নির্ঘুম রাত কাটিয়েছে। ঘুমধুম ইউনিয়ন পরিষদ, বিজিবি, আর্মড পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে থাকা বাহিনী নিরাপত্তাবলয় জোরদার করেছে। বহিরাগতদের সীমান্তে যেতে নিষেধ করা হচ্ছে।
নাইক্ষ্যংছড়ির উপজেলা নির্বাহী অফিসার সালমা ফেরদৌস বলেন, মাদক কারবারিদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংঘটিত ঘটনায় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহায়ক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় ইউনিয় পরিষদ ও অন্যান্য বাহিনী ঘটনাস্থলে রয়েছে। বিজিবির টহল জোরদার করা হয়েছে। সতর্ক সীমান্তরক্ষীসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

পার্বত্য জেলা বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির তুমব্রু সীমান্তে সন্ত্রাসীদের হামলায় প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) কর্মকর্তার মৃত্যুর পর থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। ঘটনার পর ওই এলাকায় যাতায়াতে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে; পুরো এলাকাজুড়ে সৃষ্টি করা হয়েছে নিরাপত্তাবলয়।
গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় ঘুমধুম ইউনিয়নের তুমব্রু খালঘেঁষা কোনারপাড়া সীমান্তের শূন্যরেখাসংলগ্ন এলাকায় র্যাব ও ডিজিএফআই যৌথ অভিযানে নামলে গুলিতে নিহত হন বিমানবাহিনীর স্কোয়াড্রন লিডার রিজওয়ান রুশদী। তখন র্যাবের এক সদস্যও গুলিবিদ্ধ হন।
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মাদক চোরাচালানকারীদের সঙ্গে সংঘর্ষ চলাকালে তাঁদের গুলিতে ‘দায়িত্বরত অবস্থায়’ ডিজিএফআইয়ের একজন কর্মকর্তা (বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর কর্মকর্তা) দেশের জন্য আত্মত্যাগ করে শহীদ হন। এ ছাড়া র্যাবের এক সদস্য আহত হয়েছেন।’
বান্দরবান জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. জাহাঙ্গীর বলেন, ‘র্যাবের একটি দল সেখানে মাদক উদ্ধারে অভিযান পরিচালনার সময় সশস্ত্র দুষ্কৃতকারীরা তাঁদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে।’
আহত র্যাব কনস্টেবল সোহেল বড়ুয়াকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখান থেকে রাতেই তাঁকে চট্টগ্রামে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এদিকে তুমব্রু সীমান্ত থেকে কোনো অপরাধী যাতে তৎসংলগ্ন উখিয়ার ক্যাম্পগুলোতে প্রবেশ করতে না পারে, সে ব্যাপারে সতকর্তা বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন-৮) সহকারী পুলিশ সুপার মো. ফারুক আহমেদ।
তুমব্রু বাজার ব্যবসায়ী আবদুল কাদের, গ্রাম পুলিশ আবদুল জাবব্বার ও মেম্বার দীল মোহাম্মদ এই প্রতিবেদককে জানান, তুমব্রু কোনায় গোলাগুলি ও হতাহতের ঘটনার পর থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। স্থানীয়রা নির্ঘুম রাত কাটিয়েছে। ঘুমধুম ইউনিয়ন পরিষদ, বিজিবি, আর্মড পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে থাকা বাহিনী নিরাপত্তাবলয় জোরদার করেছে। বহিরাগতদের সীমান্তে যেতে নিষেধ করা হচ্ছে।
নাইক্ষ্যংছড়ির উপজেলা নির্বাহী অফিসার সালমা ফেরদৌস বলেন, মাদক কারবারিদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংঘটিত ঘটনায় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহায়ক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় ইউনিয় পরিষদ ও অন্যান্য বাহিনী ঘটনাস্থলে রয়েছে। বিজিবির টহল জোরদার করা হয়েছে। সতর্ক সীমান্তরক্ষীসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
২ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে