সোহেল মারমা, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামে প্রবাসী বন্ধুর পাঠানো ৮০ লাখ টাকার সোনা নিজেরাই আত্মসাৎ করে ডিবি পুলিশ ছিনিয়ে নিয়েছে বলে দোষারোপ করার অভিযোগ উঠেছে দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে। আজ শনিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গোয়েন্দা পুলিশের বন্দর জোনের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) নোবেল চাকমা।
জানা যায়, শ্যালকের বিয়ের জন্য ৮টি সোনার বার ও ৪০০ গ্রাম স্বর্ণালংকার দেশে পাঠিয়েছিলেন দুবাই প্রবাসী আরাফাত। এসব সোনার আনুমানিক বাজার মূল্য ৮০ লাখ টাকা। গত ২ ফেব্রুয়ারি পরিচিত পৃথক চার যাত্রীর মাধ্যমে স্বর্ণের বার ও স্বর্ণালংকারগুলো চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায়। শারজাহ থেকে চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে আসা এয়ার অ্যারাবিয়া বিমানের (জি-৯৫২২) ফ্লাইটে আসা ওই চারজন যাত্রীর কাছ থেকে সোনাগুলো বুঝে নেন প্রবাসী আরাফাতের দীর্ঘদিনের বন্ধু মহিউদ্দিন ও রাশেদুল হক।
সোনা বুঝে নেওয়ার পর আরাফাতের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে ভয়েস ম্যাসেজ পাঠিয়ে সোনা বুঝে পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন মহিউদ্দিন। কিছুক্ষণ পর মহিউদ্দিন ও রাশেদুল ফোন করে আরাফাতকে জানায় যে, স্বর্ণ গুলো ছিনতাই হয়ে গেছে। একই সঙ্গে ভয়েস ম্যাসেজ পাঠিয়ে বলা হয় ডিবি পুলিশ পরিচয়ে সাদা পোশাকে কে বা কারা স্বর্ণ গুলো ছিনিয়ে নিয়েছে।
গত ২২ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার বরাবরে এই সংক্রান্ত একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন প্রবাসী আরাফাতের স্বজন হিসেবে পরিচিত সাইফুল ইসলাম মানিক। পরে পুলিশ কমিশনার অভিযোগটি তদন্তের জন্য বন্দর জোনের গোয়েন্দা পুলিশকে নির্দেশনা দেন।
অভিযোগটির তদন্তের দায়িত্বে থাকা নগর গোয়েন্দা পুলিশের বন্দর জোনের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) নোবেল চাকমা আজকের পত্রিকাকে বলেন, এই অভিযোগ পেয়ে অভিযুক্ত দুজনকেই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
গোয়েন্দা কর্মকর্তা নোবেল বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে জানা গেছে অভিযুক্তরা নিজেরাই স্বর্ণ আত্মসাৎ করে পরে ডিবি পুলিশের ওপর দোষারোপ করেছিলেন। উভয় পক্ষের মধ্যে ব্যবসায়িক লেনদেনের বিরোধের কথাও অভিযুক্তরা বলছেন। আমরা তাঁদেরকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে যাচ্ছি। এই সংক্রান্ত বিস্তারিত পরবর্তীতে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জানানো হবে।’
এদিকে ডিবি পুলিশের হাতে আটকের আগে গত বৃহস্পতিবার মোবাইলে কথা হয় মহিউদ্দিন মহিম ও রাশেদুল হকের সঙ্গে। তবে দুজনই তখন এই ঘটনার সঙ্গে তাঁরা জড়িত নন বলে আজকের পত্রিকার কাছে দাবি করেন।
মহিউদ্দিন মহিম বলেন, ‘আমি মোবাইল ও কাপড়ের ব্যবসা করি। আমার কোনো স্বর্ণের ব্যবসা নাই। এসব স্বর্ণ নিয়ে আমি কি করব।’ এ ছাড়া আরাফাত কিংবা রাশেদুল নামে তিনি কাউকে চিনেন না বলে দাবি করেন তিনি।
একইভাবে রাশেদুল হক বলেন, ‘আমি কখনো বিমানবন্দরে যাইনি। অভিযোগকারীকেও আমি চিনি না। আমি একটি মার্কেটে মোবাইলের ব্যবসা করি। আমার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ মিথ্যা।’
ডিবি পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানান, অভিযোগের তদন্ত শুরুর পর দুজনই আত্মগোপনে চলে গিয়েছিলেন। এদের মধ্যে শুক্রবার রাতে মহিউদ্দিনকে আটক করে ডিবি পুলিশ। পরে রাশেদুলকেও আটক করা হয়। আটককৃত দুজনই বর্তমানে ডিবির হেফাজতে রয়েছেন। ডিবি পুলিশের কাছে তাঁরা সোনার বারগুলো নিজেরাই রেখে দেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন।
এদিকে আজকের পত্রিকার হাতে থাকা একটি ভয়েস ম্যাসেজে রাশেদুলকে বলতে দেখা যায়, ইপিজেড থেকে পার হওয়ার পরই সিভিল পোশাকের একটি টিম তাঁদের গাড়িটি থামিয়ে সোনার বারগুলো নিয়ে যায়। এটা একটি সাজানো নাটক ছিল বলে জানায় পুলিশ।
এদিকে গত ২ ফেব্রুয়ারি ওই ঘটনার পর ভুক্তভোগীর পক্ষ থেকে বারবার তাগাদা দেওয়া হয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বিষয়টি জানানোর জন্য। কিন্তু অভিযুক্তরা নানা অজুহাত ও তালবাহানা করতে থাকে বলে অভিযোগ ওঠে।

চট্টগ্রামে প্রবাসী বন্ধুর পাঠানো ৮০ লাখ টাকার সোনা নিজেরাই আত্মসাৎ করে ডিবি পুলিশ ছিনিয়ে নিয়েছে বলে দোষারোপ করার অভিযোগ উঠেছে দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে। আজ শনিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গোয়েন্দা পুলিশের বন্দর জোনের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) নোবেল চাকমা।
জানা যায়, শ্যালকের বিয়ের জন্য ৮টি সোনার বার ও ৪০০ গ্রাম স্বর্ণালংকার দেশে পাঠিয়েছিলেন দুবাই প্রবাসী আরাফাত। এসব সোনার আনুমানিক বাজার মূল্য ৮০ লাখ টাকা। গত ২ ফেব্রুয়ারি পরিচিত পৃথক চার যাত্রীর মাধ্যমে স্বর্ণের বার ও স্বর্ণালংকারগুলো চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায়। শারজাহ থেকে চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে আসা এয়ার অ্যারাবিয়া বিমানের (জি-৯৫২২) ফ্লাইটে আসা ওই চারজন যাত্রীর কাছ থেকে সোনাগুলো বুঝে নেন প্রবাসী আরাফাতের দীর্ঘদিনের বন্ধু মহিউদ্দিন ও রাশেদুল হক।
সোনা বুঝে নেওয়ার পর আরাফাতের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে ভয়েস ম্যাসেজ পাঠিয়ে সোনা বুঝে পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন মহিউদ্দিন। কিছুক্ষণ পর মহিউদ্দিন ও রাশেদুল ফোন করে আরাফাতকে জানায় যে, স্বর্ণ গুলো ছিনতাই হয়ে গেছে। একই সঙ্গে ভয়েস ম্যাসেজ পাঠিয়ে বলা হয় ডিবি পুলিশ পরিচয়ে সাদা পোশাকে কে বা কারা স্বর্ণ গুলো ছিনিয়ে নিয়েছে।
গত ২২ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার বরাবরে এই সংক্রান্ত একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন প্রবাসী আরাফাতের স্বজন হিসেবে পরিচিত সাইফুল ইসলাম মানিক। পরে পুলিশ কমিশনার অভিযোগটি তদন্তের জন্য বন্দর জোনের গোয়েন্দা পুলিশকে নির্দেশনা দেন।
অভিযোগটির তদন্তের দায়িত্বে থাকা নগর গোয়েন্দা পুলিশের বন্দর জোনের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) নোবেল চাকমা আজকের পত্রিকাকে বলেন, এই অভিযোগ পেয়ে অভিযুক্ত দুজনকেই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
গোয়েন্দা কর্মকর্তা নোবেল বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে জানা গেছে অভিযুক্তরা নিজেরাই স্বর্ণ আত্মসাৎ করে পরে ডিবি পুলিশের ওপর দোষারোপ করেছিলেন। উভয় পক্ষের মধ্যে ব্যবসায়িক লেনদেনের বিরোধের কথাও অভিযুক্তরা বলছেন। আমরা তাঁদেরকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে যাচ্ছি। এই সংক্রান্ত বিস্তারিত পরবর্তীতে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জানানো হবে।’
এদিকে ডিবি পুলিশের হাতে আটকের আগে গত বৃহস্পতিবার মোবাইলে কথা হয় মহিউদ্দিন মহিম ও রাশেদুল হকের সঙ্গে। তবে দুজনই তখন এই ঘটনার সঙ্গে তাঁরা জড়িত নন বলে আজকের পত্রিকার কাছে দাবি করেন।
মহিউদ্দিন মহিম বলেন, ‘আমি মোবাইল ও কাপড়ের ব্যবসা করি। আমার কোনো স্বর্ণের ব্যবসা নাই। এসব স্বর্ণ নিয়ে আমি কি করব।’ এ ছাড়া আরাফাত কিংবা রাশেদুল নামে তিনি কাউকে চিনেন না বলে দাবি করেন তিনি।
একইভাবে রাশেদুল হক বলেন, ‘আমি কখনো বিমানবন্দরে যাইনি। অভিযোগকারীকেও আমি চিনি না। আমি একটি মার্কেটে মোবাইলের ব্যবসা করি। আমার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ মিথ্যা।’
ডিবি পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানান, অভিযোগের তদন্ত শুরুর পর দুজনই আত্মগোপনে চলে গিয়েছিলেন। এদের মধ্যে শুক্রবার রাতে মহিউদ্দিনকে আটক করে ডিবি পুলিশ। পরে রাশেদুলকেও আটক করা হয়। আটককৃত দুজনই বর্তমানে ডিবির হেফাজতে রয়েছেন। ডিবি পুলিশের কাছে তাঁরা সোনার বারগুলো নিজেরাই রেখে দেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন।
এদিকে আজকের পত্রিকার হাতে থাকা একটি ভয়েস ম্যাসেজে রাশেদুলকে বলতে দেখা যায়, ইপিজেড থেকে পার হওয়ার পরই সিভিল পোশাকের একটি টিম তাঁদের গাড়িটি থামিয়ে সোনার বারগুলো নিয়ে যায়। এটা একটি সাজানো নাটক ছিল বলে জানায় পুলিশ।
এদিকে গত ২ ফেব্রুয়ারি ওই ঘটনার পর ভুক্তভোগীর পক্ষ থেকে বারবার তাগাদা দেওয়া হয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বিষয়টি জানানোর জন্য। কিন্তু অভিযুক্তরা নানা অজুহাত ও তালবাহানা করতে থাকে বলে অভিযোগ ওঠে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
২ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
২ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৩ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে