প্রতিনিধি, কাপ্তাই (রাঙামাটি)

রাঙামাটির কাপ্তাই মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশনের জেটিঘাট মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে বেড়েছে মৎস্য ব্যবসায়ীদের ব্যস্ততা। প্রতিদিন এই মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র থেকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কাপ্তাই লেকের মাছ নিয়ে যাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। ফলে সরকার প্রতিদিন গড়ে ৩ থেকে ৪ লাখ টাকা রাজস্ব পাচ্ছে বলে জানালেন কেন্দ্রটির মার্কেটিং সহকারী আব্দুস সালাম সরকার।
গত মঙ্গলবার এই মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে গিয়ে কথা হয় কাপ্তাই উপজেলা মৎস্যজীবী লীগের সভাপতি মোস্তাক আহমেদের সঙ্গে। তিনি জানান, নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার পর গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে কাপ্তাই লেকে মাছ ধরা শুরু হয়। প্রতিদিন সকাল ৭টা থেকে রাত অবধি সরব থাকে এই মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র। লংগদু উপজেলার মাইনি মুখ ও কাট্রলি বিল, বরকলের সুভলং, বিলাইছড়ি উপজেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে জেলেরা মাছ ধরে ইঞ্জিনচালিত বোটে করে এই জেটিঘাটে নিয়ে আসেন। এখান থেকে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে মৎস্য ব্যাপারীরা মাছ নিয়ে যাচ্ছেন।
মৎস্য ব্যবসায়ী শাহাবুদ্দিন, জসিম সওদাগর ও নুরুল হক সওদাগর জানান, সাধারণত আইড়, কাঁচকি, চাপিলা, পাবদা ও বাচা মাছ এই মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে জেলেরা নিয়ে আসেন।
এই কেন্দ্রে গত ১৬ বছর ধরে ব্যবসা করছেন শরীয়তপুরের কালাম সওদাগর। তিনি জানান, প্রতিদিন তিনি এই কেন্দ্র থেকে মাছ কিনে বরফ দিয়ে ট্রাকে করে উত্তরবঙ্গে পাঠান।
কাপ্তাই মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশনের ব্যবস্থাপক মো. মাসুদ আলম জানান, কাপ্তাই লেকে চার মাস মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা থাকার পর গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে কাপ্তাই লেকে মাছ ধরা শুরু হয়েছে। গত ১ থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে জেলেরা ৪০০ মেট্রিক টন মাছ বিক্রি করেছেন। এর ফলে সরকার এই কেন্দ্র থেকে ৭৩ লাখ টাকা রাজস্ব আদায় করেছে।
মো. মাসুদ আরও জানান, এই মৌসুমে কাপ্তাই লেকে ছোট জাতের মাছের পাশাপাশি জেলেদের জালে বড় মাছও ধরা পড়ছে। ফলে এ বছর রাজস্ব আদায় গত বছর থেকে বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

রাঙামাটির কাপ্তাই মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশনের জেটিঘাট মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে বেড়েছে মৎস্য ব্যবসায়ীদের ব্যস্ততা। প্রতিদিন এই মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র থেকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কাপ্তাই লেকের মাছ নিয়ে যাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। ফলে সরকার প্রতিদিন গড়ে ৩ থেকে ৪ লাখ টাকা রাজস্ব পাচ্ছে বলে জানালেন কেন্দ্রটির মার্কেটিং সহকারী আব্দুস সালাম সরকার।
গত মঙ্গলবার এই মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে গিয়ে কথা হয় কাপ্তাই উপজেলা মৎস্যজীবী লীগের সভাপতি মোস্তাক আহমেদের সঙ্গে। তিনি জানান, নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার পর গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে কাপ্তাই লেকে মাছ ধরা শুরু হয়। প্রতিদিন সকাল ৭টা থেকে রাত অবধি সরব থাকে এই মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র। লংগদু উপজেলার মাইনি মুখ ও কাট্রলি বিল, বরকলের সুভলং, বিলাইছড়ি উপজেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে জেলেরা মাছ ধরে ইঞ্জিনচালিত বোটে করে এই জেটিঘাটে নিয়ে আসেন। এখান থেকে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে মৎস্য ব্যাপারীরা মাছ নিয়ে যাচ্ছেন।
মৎস্য ব্যবসায়ী শাহাবুদ্দিন, জসিম সওদাগর ও নুরুল হক সওদাগর জানান, সাধারণত আইড়, কাঁচকি, চাপিলা, পাবদা ও বাচা মাছ এই মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে জেলেরা নিয়ে আসেন।
এই কেন্দ্রে গত ১৬ বছর ধরে ব্যবসা করছেন শরীয়তপুরের কালাম সওদাগর। তিনি জানান, প্রতিদিন তিনি এই কেন্দ্র থেকে মাছ কিনে বরফ দিয়ে ট্রাকে করে উত্তরবঙ্গে পাঠান।
কাপ্তাই মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশনের ব্যবস্থাপক মো. মাসুদ আলম জানান, কাপ্তাই লেকে চার মাস মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা থাকার পর গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে কাপ্তাই লেকে মাছ ধরা শুরু হয়েছে। গত ১ থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে জেলেরা ৪০০ মেট্রিক টন মাছ বিক্রি করেছেন। এর ফলে সরকার এই কেন্দ্র থেকে ৭৩ লাখ টাকা রাজস্ব আদায় করেছে।
মো. মাসুদ আরও জানান, এই মৌসুমে কাপ্তাই লেকে ছোট জাতের মাছের পাশাপাশি জেলেদের জালে বড় মাছও ধরা পড়ছে। ফলে এ বছর রাজস্ব আদায় গত বছর থেকে বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের অধিকাংশই কোটিপতি। পাশাপাশি জামায়াতের প্রার্থীরা হলেন লাখপতি। নির্বাচনে কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ছয়জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নামলেও বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। এই দুই প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবিরা সুলতানার সোনার গয়না আছে ৩০ তোলার; যার দাম ৫০ হাজার টাকা। জামায়াতের...
২ ঘণ্টা আগে
বিরোধপূর্ণ একটি জমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) হস্তান্তর করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ৮ ডিসেম্বর চসিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ছয় একর জমি হস্তান্তর করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ওই জমি একসনা (এক বছরের জন্য) ইজারা নিয়ে ২০ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার উদ্যোগ...
২ ঘণ্টা আগে
চলতি আমন মৌসুমে সরকারি মূল্যে চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে জয়পুরহাট জেলার পাঁচ উপজেলায় হাস্কিং মিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। খাদ্য বিভাগের নথিতে সচল দেখানো বহু হাস্কিং মিল বাস্তবে বিদ্যুৎ সংযোগহীন, উৎপাদন বন্ধ কিংবা দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকলেও এসব মিলের নামেই সরকারি খাদ্যগুদামে...
৩ ঘণ্টা আগে