মিরসরাই (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে সমাবেশকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের অনেককে মিরসরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার বিকেলে মিরসরাই সদর ইউনিয়নের সুফিয়া রোডের নুরজাহান কমিউনিটি সেন্টারে এই ঘটনা ঘটে।
পুলিশের উপস্থিতিতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে বলে আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেন মিরসরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন। তিনি বলেন, ‘আমরা খবর পাই রাজনৈতিক সমাবেশকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পুলিশ পরিস্থিত নিয়ন্ত্রণে আনে। এই ঘটনায় কোনো পক্ষ থেকে থানায় এখনো অভিযোগ আসেনি। নুরজাহান কমিউনিটি সেন্টারে রাজনৈতিক সমাবেশের বিষয়ে প্রশাসনের কোনো অনুমতি ছিল না।’
জানা গেছে, নুরজাহান কমিউনিটি সেন্টারে আজ বিকেলে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য গিয়াস উদ্দিনের কর্মী সমাবেশ চলছিল। এ সময় গিয়াস উদ্দিনের কর্মীদের সঙ্গে আওয়ামী লীগের সিনিয়র প্রেসিডিয়াম সদস্য সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এমপির অনুসারীদের মধ্যে হামলা হয়।
হামলায় আহত কয়েকজন হলেন উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক মাসুদ করিম রানা, অভি, রাহাত, মেহেদী, হৃদয়, পলাশ, সাইফুল, নুরুল বাকী, সবুজ, কামরুল, সেলিম, সাবেক কাউন্সিলর রহিমউল্লাহ ও রনি। আহতদের মধ্যে অনেককে স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
আওয়ামী লীগ নেতা গিয়াস উদ্দিনের দাবি, মিরসরাই উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক মাসুদ করিম রানা ও ৯ নম্বর সদর মিরসরাই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শামসুল আলম দিদারের নেতৃত্বে এই হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলাকারীরা সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের সমর্থক।
গিয়াস উদ্দিন বলেন, ‘মাসুদ করিম রানা ও শামসুল আলম দিদারের নেতৃত্বে আমার শান্তিপূর্ণ সমাবেশে লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে কমিউনিটি সেন্টারের মূল ফটকের বাইরে তালা দিয়ে ভেতরে অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় বের হওয়ার পথ অবরুদ্ধ হওয়ায় নারী কর্মীসহ নেতা-কর্মীরা সবাই অসহায় হয়ে হামলার শিকার হয়েছেন। এই ঘটনায় আহত ১৫ জন নেতা-কর্মীকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর।’
মিরসরাই ৯ নম্বর সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শামসুল আলম দিদার বলেন, ‘আমাদের মিরসরাই ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের শান্তির জনপদ। এখানে রাজনীতি করতে হলে সাংগঠনিক উপজেলা ও ইউনিয়নের কমিটি রয়েছে। আগামী ৬ অক্টোবর মিরসরাইতে চট্টগ্রাম উত্তরজেলা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সমাবেশের কর্মসূচি রয়েছে।’
শামসুল আলম দিদার আরও বলেন, ‘আসন্ন সমাবেশ সফল করার জন্য প্রতিদিন বিভিন্ন ইউনিয়নে মতবিনিময় সভা হচ্ছে। আমরা বিশৃঙ্খলা না হওয়ার জন্য গিয়াস উদ্দিনকে অনুরোধ করতে যাই, যেন ৬ অক্টোবর পর্যন্ত অন্য সভা-সমাবেশ না করেন। তখন তাঁর কিছু অনুসারী উত্তেজিত হয়ে তেড়ে এসে আমাদের ওপর হামলা করে। আমরা কারও ওপর হামলা করি নাই। হামলায় আমাদের পাঁচজন নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন।’

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে সমাবেশকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের অনেককে মিরসরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার বিকেলে মিরসরাই সদর ইউনিয়নের সুফিয়া রোডের নুরজাহান কমিউনিটি সেন্টারে এই ঘটনা ঘটে।
পুলিশের উপস্থিতিতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে বলে আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেন মিরসরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন। তিনি বলেন, ‘আমরা খবর পাই রাজনৈতিক সমাবেশকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পুলিশ পরিস্থিত নিয়ন্ত্রণে আনে। এই ঘটনায় কোনো পক্ষ থেকে থানায় এখনো অভিযোগ আসেনি। নুরজাহান কমিউনিটি সেন্টারে রাজনৈতিক সমাবেশের বিষয়ে প্রশাসনের কোনো অনুমতি ছিল না।’
জানা গেছে, নুরজাহান কমিউনিটি সেন্টারে আজ বিকেলে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য গিয়াস উদ্দিনের কর্মী সমাবেশ চলছিল। এ সময় গিয়াস উদ্দিনের কর্মীদের সঙ্গে আওয়ামী লীগের সিনিয়র প্রেসিডিয়াম সদস্য সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এমপির অনুসারীদের মধ্যে হামলা হয়।
হামলায় আহত কয়েকজন হলেন উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক মাসুদ করিম রানা, অভি, রাহাত, মেহেদী, হৃদয়, পলাশ, সাইফুল, নুরুল বাকী, সবুজ, কামরুল, সেলিম, সাবেক কাউন্সিলর রহিমউল্লাহ ও রনি। আহতদের মধ্যে অনেককে স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
আওয়ামী লীগ নেতা গিয়াস উদ্দিনের দাবি, মিরসরাই উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক মাসুদ করিম রানা ও ৯ নম্বর সদর মিরসরাই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শামসুল আলম দিদারের নেতৃত্বে এই হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলাকারীরা সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের সমর্থক।
গিয়াস উদ্দিন বলেন, ‘মাসুদ করিম রানা ও শামসুল আলম দিদারের নেতৃত্বে আমার শান্তিপূর্ণ সমাবেশে লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে কমিউনিটি সেন্টারের মূল ফটকের বাইরে তালা দিয়ে ভেতরে অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় বের হওয়ার পথ অবরুদ্ধ হওয়ায় নারী কর্মীসহ নেতা-কর্মীরা সবাই অসহায় হয়ে হামলার শিকার হয়েছেন। এই ঘটনায় আহত ১৫ জন নেতা-কর্মীকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর।’
মিরসরাই ৯ নম্বর সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শামসুল আলম দিদার বলেন, ‘আমাদের মিরসরাই ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের শান্তির জনপদ। এখানে রাজনীতি করতে হলে সাংগঠনিক উপজেলা ও ইউনিয়নের কমিটি রয়েছে। আগামী ৬ অক্টোবর মিরসরাইতে চট্টগ্রাম উত্তরজেলা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সমাবেশের কর্মসূচি রয়েছে।’
শামসুল আলম দিদার আরও বলেন, ‘আসন্ন সমাবেশ সফল করার জন্য প্রতিদিন বিভিন্ন ইউনিয়নে মতবিনিময় সভা হচ্ছে। আমরা বিশৃঙ্খলা না হওয়ার জন্য গিয়াস উদ্দিনকে অনুরোধ করতে যাই, যেন ৬ অক্টোবর পর্যন্ত অন্য সভা-সমাবেশ না করেন। তখন তাঁর কিছু অনুসারী উত্তেজিত হয়ে তেড়ে এসে আমাদের ওপর হামলা করে। আমরা কারও ওপর হামলা করি নাই। হামলায় আমাদের পাঁচজন নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন।’

রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ যাত্রাবাড়ী ও ডেমরা থানা নিয়ে গঠিত ঢাকা-৫ আসন। ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে বিরাট ভূমিকা পালন করেন এই এলাকার শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ। ওই আন্দোলনের বিজয়ে তাঁরা যেমন বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন তেমনি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও জয়-পরাজয়ের হিসাব নির্ধারণে শিক্ষার্থীসহ তরুণ ভোট
৩ ঘণ্টা আগে
নাটোর পৌরবাসীকে দ্রুত ও আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ভারত সরকার উপহার হিসেবে দিয়েছিল প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকার লাইফসাপোর্ট (আইসিইউ) অ্যাম্বুলেন্স। মুমূর্ষু রোগীদের জীবন বাঁচানোর সে বাহনটি এখন ব্যবহার করা হচ্ছে গণভোটের প্রচারণায়। নির্বাচনকে সামনে রেখে নাটোর পৌর কর্তৃপক্ষ অ্যাম্বুলেন্সটি প্
৪ ঘণ্টা আগে
ঝিনাইদহে জলাতঙ্ক (র্যাবিস) রোগপ্রতিরোধী ভ্যাকসিনের (টিকা) সংকট দেখা দিয়েছে। সদরসহ জেলার পাঁচটি সরকারি হাসপাতালে ভ্যাকসিনের সরবরাহ নেই। চিকিৎসকেরা রোগীদের বাইরে থেকে ভ্যাকসিন সংগ্রহের পরামর্শ দিতে বাধ্য হচ্ছেন। তবে জেলার ফার্মেসিগুলোতেও এই ভ্যাকসিন পাওয়া যাচ্ছে না।
৪ ঘণ্টা আগে
নীলফামারীতে তিস্তা সেচনালার দিনাজপুর খালের বাঁ তীরের পাড় ভেঙে শতাধিক একর ফসলি জমি খালের পানিতে তলিয়ে গেছে। গতকাল সোমবার বেলা ৩টার দিকে জেলা সদরের ইটাখোলা ইউনিয়নের সিংদই গ্রামের কামারপাড়ায় দিনাজপুর খালের বাঁ তীরের পাড় প্রায় ২০ ফুট ধসে যায়।
৪ ঘণ্টা আগে