
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল ভবনে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি) মেরামতের সময় বিস্ফোরণে দগ্ধ কর্মচারী মো. তানভীরও মারা গেছেন। আজ শুক্রবার দুপুরে চমেক হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) তিনি মারা যান।
তানভীর দুর্ঘটনার পর থেকে ১১ দিন চিকিৎসাধীন ছিলেন। এ নিয়ে এসি বিস্ফোরণের ঘটনায় আহত তিন কর্মচারীর সবাই একে একে মারা গেলেন।
তানভীর চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়া থানার ডিসি রোড এলাকায় থাকতেন। চমেক হাসপাতালে দায়িত্বরত পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক আলাউদ্দিন তালুকদার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে ১৩ অক্টোবর বেলা ১১টার দিকে চমেক হাসপাতালের একটি সাততলা ভবনের ছাদে এসি মেরামতের সময় সেটি বিস্ফোরিত হয়। এ সময় শওকত ওসমান নামের একজন কর্মচারী ছাদ থেকে ছিটকে নিচে পড়ে যান। অপর দুজনের মধ্যে মিশকাত ও তানভীর ছাদে দগ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলে পড়ে ছিলেন। পরে তিনজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
আহত ব্যক্তিদের হাসপাতালে ভর্তির চার ঘণ্টা পর আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রথমে শওকত মারা যান। পরে ১৭ অক্টোবর মিশকাত ও আজ দুপুরে তানভীরও চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালে মারা যান। তাঁরা গণপূর্ত বিভাগের অধীনে হাসপাতালের টেকনিশিয়ান হিসেবে কর্মরত ছিলেন। কর্মচারীদের সবাই চট্টগ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। তাঁদের বয়স ২৮ থেকে ৩২ বছরের মধ্যে।

মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখানে নিজ বসতঘর থেকে রুবেল হাওলাদার (৩৮) নামে এক ব্যক্তির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল রোববার (১০ মে) বিকেলে উপজেলার জৈনসার ইউনিয়নের চম্পকদি গ্রামের মোল্লাবাড়ি থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত রুবেল ওই গ্রামের আলিম হাওলাদারের ছেলে।
১৯ মিনিট আগে
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় আবারও একটি বাসায় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় বাবা ও তিন ছেলে দগ্ধ হয়েছেন। গুরুতর অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।
২৯ মিনিট আগে
ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় মো. শুভ মিয়া (১৪) নামের এক স্কুলছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল রোববার রাত ৯টার দিকে উপজেলার কানুরামপুর-ত্রিশাল সড়কের চরশ্রীরামপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
১ ঘণ্টা আগে
মায়ের জন্য ওষুধ কিনতে বাসা থেকে বের হয় স্কুলছাত্র ইয়াছিন আরাফাত (১৭)। ৯ মাস আগে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের সূত্র উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, নামের সঙ্গে মিল থাকায় ভুলবশত সন্দেহভাজন হিসেবে ইয়াছিনকে হত্যা করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে