কুমিল্লা প্রতিনিধি

কুমিল্লায় যুবদল নেতা তৌহিদুর ইসলাম হত্যার বিচার দাবিতে লাশ নিয়ে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছে স্বজন ও এলাকাবাসী। আজ শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর আগে সকালে নিহতের নিজ গ্রাম সদর উপজেলার পাঁচথুবীতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেন এলাকাবাসী।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন নিহতের ভাই আবুল কালাম আজাদ টিপু, সাদেকুর রহমান, চাচা আবুল বাশার, স্ত্রী ইয়াসমিন নাহার, এলাকাবাসীর পক্ষে দীঘিরপাড় আলেকজান মেমোরিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক মো. শাহজাহান, মো. মনির হোসেন, লুৎফুর রহমান লুতুসহ অন্যরা।
মানববন্ধনে বক্তারা অবিলম্বে দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় এতে বিচার দাবি করেন। দ্রুত বিচার না হলে কঠোর আন্দোলনের হুমকি দেন তাঁরা।
এদিকে মানববন্ধনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কুমিল্লা মহানগরের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ রাশেদুল হাসান ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্ত করে বিচারের সহযোগিতার আশ্বাস দিলে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন শেষ করেন এলাকাবাসী।
এ সময় কুমিল্লা মহানগরের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ রাশেদুল হাসান বলেন, ‘বাংলাদেশ আর্মির ওপর আমাদের পূর্ণ আস্থা আছে। আমরা বিশ্বাস রাখতে চাই, এই বিষয়টির একটি সুষ্ঠু বিচার হবে এবং ভুক্তভোগী পরিবারকে যথাযথ সহযোগিতা করা হবে।’
সেনাবাহিনীর কমান্ডিং অফিসার (সিও) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মাহমুদুল হাসানের বরাত দিয়ে মুহাম্মদ রাশেদুল হাসান আরও বলেন, তৌহিদুল ভাইয়ের পরিবারের সঙ্গে কর্নেল মাহমুদুল হাসানের কথা বলেছেন। এ সময় তিনি এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের বিচার নিশ্চিত করা হবে বলে জানান। পাশাপাশি তাঁর পরিবারের যে ধরনের সহযোগিতা প্রয়োজন, সেভাবে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
উল্লেখ্য, কুমিল্লায় যৌথ বাহিনী তুলে নেওয়ার পর হাসপাতালে যুবদল নেতা তৌহিদুর ইসলামের লাশ পায় পরিবার। গতকাল শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তাঁর মৃত্যুর খবর পায় পরিবার। তবে কখন তাঁর মৃত্যু হয়েছে সে তথ্য জানা যায়নি।

তৌহিদুর ইসলাম আদর্শ সদর উপজেলার পাঁচথুবী ইউনিয়নের পাঁচথুবী গ্রামের মোখলেছুর রহমানের ছেলে ও ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক।
পরিবার সূত্রে জানায়, তৌহিদের বাবা চার দিন আগে মারা গেছেন। গতকাল তাঁর বাবার কুলখানির অনুষ্ঠান ছিল। সে জন্য তিনি বাড়িতে আসেন। গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে সেনাবাহিনীর তিনটি গাড়ি ও একটি লাল রঙের গাড়ি বাড়িতে আসে। তৌহিদুল ইসলামের কাছে অস্ত্র আছে—এমন অভিযোগে তাঁকে ধরে নিয়ে যায়। পরদিন দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কোতোয়ালি মডেল থানা–পুলিশের মাধ্যমে তারা জানতে পারেন তিনি নাকি হাসপাতালে আছেন। পরে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে তাঁর লাশ পাওয়া যায়। তাঁর শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে।
তৌহিদুল চট্টগ্রাম বন্দরে একটি শিপিং এজেন্টে চাকরি করতেন। গত রোববার তাঁর বাবা মোখলেছুর রহমানের মৃত্যুর খবরে তিনি বাড়ি আসেন। সংসারে তাঁর স্ত্রী ও চার কন্যাসন্তান রয়েছে।

কুমিল্লায় যুবদল নেতা তৌহিদুর ইসলাম হত্যার বিচার দাবিতে লাশ নিয়ে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছে স্বজন ও এলাকাবাসী। আজ শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর আগে সকালে নিহতের নিজ গ্রাম সদর উপজেলার পাঁচথুবীতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেন এলাকাবাসী।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন নিহতের ভাই আবুল কালাম আজাদ টিপু, সাদেকুর রহমান, চাচা আবুল বাশার, স্ত্রী ইয়াসমিন নাহার, এলাকাবাসীর পক্ষে দীঘিরপাড় আলেকজান মেমোরিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক মো. শাহজাহান, মো. মনির হোসেন, লুৎফুর রহমান লুতুসহ অন্যরা।
মানববন্ধনে বক্তারা অবিলম্বে দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় এতে বিচার দাবি করেন। দ্রুত বিচার না হলে কঠোর আন্দোলনের হুমকি দেন তাঁরা।
এদিকে মানববন্ধনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কুমিল্লা মহানগরের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ রাশেদুল হাসান ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্ত করে বিচারের সহযোগিতার আশ্বাস দিলে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন শেষ করেন এলাকাবাসী।
এ সময় কুমিল্লা মহানগরের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ রাশেদুল হাসান বলেন, ‘বাংলাদেশ আর্মির ওপর আমাদের পূর্ণ আস্থা আছে। আমরা বিশ্বাস রাখতে চাই, এই বিষয়টির একটি সুষ্ঠু বিচার হবে এবং ভুক্তভোগী পরিবারকে যথাযথ সহযোগিতা করা হবে।’
সেনাবাহিনীর কমান্ডিং অফিসার (সিও) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মাহমুদুল হাসানের বরাত দিয়ে মুহাম্মদ রাশেদুল হাসান আরও বলেন, তৌহিদুল ভাইয়ের পরিবারের সঙ্গে কর্নেল মাহমুদুল হাসানের কথা বলেছেন। এ সময় তিনি এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের বিচার নিশ্চিত করা হবে বলে জানান। পাশাপাশি তাঁর পরিবারের যে ধরনের সহযোগিতা প্রয়োজন, সেভাবে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
উল্লেখ্য, কুমিল্লায় যৌথ বাহিনী তুলে নেওয়ার পর হাসপাতালে যুবদল নেতা তৌহিদুর ইসলামের লাশ পায় পরিবার। গতকাল শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তাঁর মৃত্যুর খবর পায় পরিবার। তবে কখন তাঁর মৃত্যু হয়েছে সে তথ্য জানা যায়নি।

তৌহিদুর ইসলাম আদর্শ সদর উপজেলার পাঁচথুবী ইউনিয়নের পাঁচথুবী গ্রামের মোখলেছুর রহমানের ছেলে ও ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক।
পরিবার সূত্রে জানায়, তৌহিদের বাবা চার দিন আগে মারা গেছেন। গতকাল তাঁর বাবার কুলখানির অনুষ্ঠান ছিল। সে জন্য তিনি বাড়িতে আসেন। গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে সেনাবাহিনীর তিনটি গাড়ি ও একটি লাল রঙের গাড়ি বাড়িতে আসে। তৌহিদুল ইসলামের কাছে অস্ত্র আছে—এমন অভিযোগে তাঁকে ধরে নিয়ে যায়। পরদিন দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কোতোয়ালি মডেল থানা–পুলিশের মাধ্যমে তারা জানতে পারেন তিনি নাকি হাসপাতালে আছেন। পরে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে তাঁর লাশ পাওয়া যায়। তাঁর শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে।
তৌহিদুল চট্টগ্রাম বন্দরে একটি শিপিং এজেন্টে চাকরি করতেন। গত রোববার তাঁর বাবা মোখলেছুর রহমানের মৃত্যুর খবরে তিনি বাড়ি আসেন। সংসারে তাঁর স্ত্রী ও চার কন্যাসন্তান রয়েছে।

রাজধানীর কদমতলী এলাকায় শাহাবুদ্দিন (৪০) নামে এক ভাঙ্গারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে কদমতলী কুদার বাজার আদর্শ সড়ক এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। মুমূর্ষু অবস্থায় স্বজনরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসলে চিকিৎসক রাত সাড়ে ১১টার দিকে মৃত ঘোষণা করেন।
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ কর্মীদের বিএনপিতে ভেড়ানোর অভিযোগ উঠেছে খোদ দলটির কোনো কোনো নেতার বিরুদ্ধে। এ নিয়ে দলীয় নেতারা একে অপরকে দায়ী করছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এ বিষয়ে কথা চালাচালি হচ্ছে। এদিকে আওয়ামী লীগ কর্মীদের দলে ভেড়ানোকে আশঙ্কাজনক বলছেন বিএনপির শীর্ষ নেতারা।
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নাটোর-২ (সদর-নলডাঙ্গা) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও সাবেক উপমন্ত্রী রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুর প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মাঠে রয়েছেন তাঁর স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন। ১ জানুয়ারি যাচাই-বাছাই শেষে নির্বাচন কমিশন রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু ও সাবিনা ইয়াসমিনসহ...
১ ঘণ্টা আগে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে শেরপুরের তিনটি নির্বাচনী এলাকাতেই স্বতন্ত্র প্রার্থীদের চাপে পড়েছে বিএনপি। আর দীর্ঘদিন একক প্রার্থী নিয়ে মাঠে থাকলেও জোটের প্রার্থী ঘোষণা নিয়ে চাপে পড়েছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন জোটও।
২ ঘণ্টা আগে