
আরব মহাসাগরে সোমালিয়ান জলদস্যুদের হাতে জিম্মি হওয়া বাংলাদেশি জাহাজ এমভি আবদুল্লাহ থেকে বাংলাদেশি নাবিকের অডিও বার্তা পাওয়া গেছে। তবে তাঁর পরিচয় জানা যায়নি।
ওই অডিও বার্তায় বলতে শোনা যায়, ‘আমাদের ভয়ভীতি দেখাচ্ছে ডাকাতেরা। আমি ওয়াশরুম থেকে ভয়েস দিচ্ছি। ওরা সাত থেকে আটজন আছে। আমাদের ওদের ডেরায় নিয়ে যাবে। ওদের সবার কাছে গান (অস্ত্র) আছে।’
একই অডিও বার্তায় বলা হয়, ‘আমরা মোজাম্বিক থেকে কয়লা নিয়ে দুবাইয়ের পথে যাচ্ছিলাম। ওরা (ডাকাতেরা) দুই মাস আগে ইরানি একটি ফিশিং বোট আটক করছিল। ওটা আমাদের জাহাজের সাথে বর্তমানে বাঁধা আছে। ওটা থেকেই মূলত ডাকাতরা আমাদের আক্রমণ করে। ওই ফিশিং বোটটা ওরা হয়তো ছেড়ে দেবে। ওই বোটের জন্য আমরা ডিজেল দিলাম। আমাদের নিয়ে ওরা (ডাকাতেরা) হয়তো ওদের আস্তানায় চলে যাবে।’
গতকাল মঙ্গলবার রাতে আরেকটি জাহাজে কর্মরত চট্টগ্রামের হালিশহর এলাকার আরমান হোসেন বাবু নামের একজনের কাছে এই বার্তা আসে। বার্তাটি আজকের পত্রিকার কাছে এসে পৌঁছেছে।
বাংলাদেশ মার্চেন্ট মেরিন অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. শাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, বেসরকারি শিপিং কোম্পানি এসআর শিপিং লিমিটেডের এমভি আব্দুল্লাহ জাহাজটি আফ্রিকার দেশ মোজাম্বিক থেকে কয়লা নিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দিকে যাচ্ছিল। পথে সোমালিয়ার অফকোস্টে ৪৫০ নটিক্যাল মাইল দূরে জলদস্যুদের কবলে পড়ে। জাহাজটিতে মোট ২৩ জন বাংলাদেশি নাবিক রয়েছেন। জলদস্যুরা জাহাজটির পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

রিফাতের দাবি, বাড়িটির দোতলায় এর মালিক বসবাস করেন। তবে তারা যে গ্যাস সিলিন্ডারে রান্না করেন সেটি রাখা ছিল নিচ তলায় গোডাউনে। সেই সিলিন্ডার বিস্ফোরণ হয়ে এই আগুনের সূত্রপাত।
৭ মিনিট আগে
মাদক কারবারে অর্জিত সম্পদ নিয়ে আতঙ্কে রয়েছেন রাজশাহীর গোদাগাড়ীর হেরোইন কারবারিরা। সম্প্রতি আদালতের নির্দেশে শীর্ষ দুই কারবারির সম্পদ ক্রোক করা হয়েছে। আরও ২০ জনের ব্যাপারে তদন্ত চলছে। পর্যায়ক্রমে গোদাগাড়ীর ১৮৪ হেরোইন মাফিয়ার ব্যাপারে তদন্ত হবে বলে জানা গেছে। এতে ঘুম হারাম হয়েছে মাদক কারবারিদের।
৩১ মিনিট আগে
বাল্যবিবাহ নিবন্ধনের অভিযোগ তদন্তে ‘প্রমাণিত’ হওয়ায় কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার পাঁচগাছি ইউনিয়নের নিকাহ রেজিস্ট্রার (কাজি) মো. হোসাইন আহম্মেদের নিবন্ধন লাইসেন্স বাতিল করেছে সরকার। একই সঙ্গে তাঁর নিবন্ধন এলাকা শূন্য ঘোষণা করে দ্রুত বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে...
৩৭ মিনিট আগে
কুমিল্লা নগরীতে নিবন্ধনের মাধ্যমে সর্বোচ্চ ১০ হাজার অটোরিকশাকে অনুমোদন দেওয়া হবে। নির্ধারিত সংখ্যার বাইরে কিংবা ভুয়া লাইসেন্স প্লেট ব্যবহার করে অটোরিকশা চালালে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের (কুসিক) প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প
৪০ মিনিট আগে