কর্ণফুলী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

ব্যাটারিচালিত রিকশার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ায় চট্টগ্রামের কর্ণফুলীতে ট্রাফিক পুলিশ সদস্যের ওপর হামলার ঘটনায় তিনজনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ। গত সোমবার অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। গতকাল (মঙ্গলবার) আদালতে হাজির করলে বিচারক তাঁদের কারাগারে পাঠানোর এ আদেশ দেন।
এর আগে ওই দিন দুপুরে উপজেলার মইজ্জ্যেরটেক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে ভুক্তভোগী ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট মো. আল আমিন বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
কর্ণফুলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জহির হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ভিডিও ফুটেজ দেখে জড়িত তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিদের শিগগিরই গ্রেপ্তার করা হবে।’
পুলিশ জানায়, গত সোমবার সকালে নগরীর বন্দর বিভাগের সার্জেন্ট আল আমিন যানজট নিরসনে মইজ্জ্যেরটেক এলাকায় দায়িত্ব পালন করেছিলেন। এ সময় একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা আটক করেন তিনি। আটকের পর ২০ থেকে ২৫ জন লোক সার্জেন্ট আল আমিনের ওপর হামলা করে শরীরে থাকা ক্যামেরা ছিনিয়ে নেয়।
ওই স্থানে থাকা অপর ট্রাফিক পুলিশ সদস্য মো. আনোয়ার হোসেন রক্ষা করতে গেলে তাঁকেও মারধর করে তারা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কর্ণফুলী থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে সবাই পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে ঘটনাস্থলের সিসি ক্যামেরা ফুটেজ দেখে ঘটনায় জড়িত উপজেলার শিকলবাহা ইউনিয়নের আবুল কালাম (৫০), মো. সালাউদ্দিন (২৪) ও আব্দুল মোতালেব নিশান (১৬) নামে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
মামলার বাদী সার্জেন্ট মো. আল আমিন বলেন, ‘মহাসড়কে অবৈধ ব্যাটারিচালিত রিকশা-অটোরিকশা আটক করে ব্যবস্থা নেওয়ার সময়ই ২০-২৫ জন লোক এসে আমাদের মারধর করে। শরীরে থাকা ক্যামেরা ছিনিয়ে নেয়।’
কর্ণফুলী ট্রাফিক পুলিশের ইনচার্জ মোহাম্মদ আরিফ হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সড়কে দায়িত্ব পালনকালে অবৈধ ব্যাটারিচালিত রিকশা-অটোরিকশা আটক করে ব্যবস্থা নেওয়ার সময় আমাদের দুই সদস্যকে মারধর করে তারা। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’ বাকিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ব্যাটারিচালিত রিকশার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ায় চট্টগ্রামের কর্ণফুলীতে ট্রাফিক পুলিশ সদস্যের ওপর হামলার ঘটনায় তিনজনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ। গত সোমবার অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। গতকাল (মঙ্গলবার) আদালতে হাজির করলে বিচারক তাঁদের কারাগারে পাঠানোর এ আদেশ দেন।
এর আগে ওই দিন দুপুরে উপজেলার মইজ্জ্যেরটেক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে ভুক্তভোগী ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট মো. আল আমিন বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
কর্ণফুলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জহির হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ভিডিও ফুটেজ দেখে জড়িত তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিদের শিগগিরই গ্রেপ্তার করা হবে।’
পুলিশ জানায়, গত সোমবার সকালে নগরীর বন্দর বিভাগের সার্জেন্ট আল আমিন যানজট নিরসনে মইজ্জ্যেরটেক এলাকায় দায়িত্ব পালন করেছিলেন। এ সময় একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা আটক করেন তিনি। আটকের পর ২০ থেকে ২৫ জন লোক সার্জেন্ট আল আমিনের ওপর হামলা করে শরীরে থাকা ক্যামেরা ছিনিয়ে নেয়।
ওই স্থানে থাকা অপর ট্রাফিক পুলিশ সদস্য মো. আনোয়ার হোসেন রক্ষা করতে গেলে তাঁকেও মারধর করে তারা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কর্ণফুলী থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে সবাই পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে ঘটনাস্থলের সিসি ক্যামেরা ফুটেজ দেখে ঘটনায় জড়িত উপজেলার শিকলবাহা ইউনিয়নের আবুল কালাম (৫০), মো. সালাউদ্দিন (২৪) ও আব্দুল মোতালেব নিশান (১৬) নামে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
মামলার বাদী সার্জেন্ট মো. আল আমিন বলেন, ‘মহাসড়কে অবৈধ ব্যাটারিচালিত রিকশা-অটোরিকশা আটক করে ব্যবস্থা নেওয়ার সময়ই ২০-২৫ জন লোক এসে আমাদের মারধর করে। শরীরে থাকা ক্যামেরা ছিনিয়ে নেয়।’
কর্ণফুলী ট্রাফিক পুলিশের ইনচার্জ মোহাম্মদ আরিফ হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সড়কে দায়িত্ব পালনকালে অবৈধ ব্যাটারিচালিত রিকশা-অটোরিকশা আটক করে ব্যবস্থা নেওয়ার সময় আমাদের দুই সদস্যকে মারধর করে তারা। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’ বাকিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
৪১ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে