নোয়াখালী প্রতিনিধি

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার হাজীপুরে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত শিশু তাসফিয়া আক্তার জান্নাত হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার ও অভিযুক্ত সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী এবং বিভিন্ন সংগঠন। এ সময় তারা বেগমগঞ্জকে বাংলাদেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সন্ত্রাসের জনপদ হিসেবে আখ্যা দেন। শুক্রবার বিকেলে উপজেলার চৌমুহনী বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন চত্বরে এ কর্মসূচি পালন করেন তাঁরা। কর্মসূচিতে গণ অধিকার পরিষদ বেগমগঞ্জ শাখাসহ কয়েকটি ব্যানারে স্থানীয় লোকজন ও নিহতের পরিবার-স্বজনরা অংশগ্রহণ করেন।
বক্তারা বলেন, যারা শিশু তাসফিয়াকে নির্মমভাবে গুলি করে হত্যা করেছে তাঁরা সবাই এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী। এলাকায় মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয়, ইভটিজিং ও সকল ধরনের সন্ত্রাসী কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িত। হাজীপুরসহ পার্শ্ববর্তী প্রতিটি এলাকায় তাঁদের সন্ত্রাসী কার্যক্রমের ক্ষতের চিহ্ন রয়েছে। তাঁদের হাতে নির্যাতিত হয়েছে এলাকার বেশির ভাগ মানুষ। তাসফিয়ার হত্যাকারীরা সবাই চিহ্নিত, অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে তাঁদের গ্রেপ্তার করে শাস্তির দাবি করেন বক্তারা।
প্রসঙ্গত, গত বুধবার বিকেল ৩টার দিকে তাসফিয়াকে নিয়ে বাড়ির পার্শ্ববর্তী মালেকার বাপের দোকান এলাকার বন্ধু স্টোরে যায় তার বাবা। ওই দোকানে গিয়ে তাসফিয়ার জন্য চকলেট, জুস ও চিপস নিয়ে দোকান থেকে বের হওয়ার সময় মহিন, রিমন, আকবর, নাঈমের নেতৃত্বে ১৫-২০ জনের একদল সন্ত্রাসী মামুনের দোকানে এসে তুই (আবু জাহের) ওই দিন বৈঠকে ছিলি বলে গালাগালি করে। একপর্যায়ে তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়লে পাশে থাকা গ্যাসের সিলিন্ডারে লেগে তা লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। পরে তাঁরা দোকান থেকে বের হয়ে যাওয়ার সময় সন্ত্রাসীরা পেছন থেকে তাঁদের লক্ষ্য করে প্রথমে ইট নিক্ষেপ করলে মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত হয় তাসফিয়া।
পরে তাঁরা বাড়ি যাওয়ার সময় পেছন থেকে আরও দুই রাউন্ড শটগানের গুলি ছুড়ে সন্ত্রাসীরা। এতে তাসফিয়া ও জাহের গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটে পড়েন। গুলিবিদ্ধ তাসফিয়া ও আবু জাহেরকে উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায় স্থানীয় লোকজন। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা নেওয়ার পথে কুমিল্লায় পৌঁছালে অ্যাম্বুলেন্সে নানির কোলে মারা যায় তাসফিয়া।
মাটি কাটার জের ধরে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটলেও মাটি কাটা নিয়ে বিরোধের সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পৃক্ততা ছিল না মাওলানা আবু জাহের বা তাঁর মেয়ে তাসফিয়ার। তবে মাটি কাটা নিয়ে বৈঠকে ছিল এমন অভিযোগে সন্ত্রাসীদের টার্গেট হন মাওলানা আবু জাহের। আর সেই টার্গেটের শিকার হয়ে প্রাণ হারায় তাসফিয়া।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, নিহত তাসফিয়ার ফুফু লিমা আক্তার, চাচাতো ভাই ইমাম হোসেন, যুব অধিকার পরিষদ জেলা সদস্যসচিব শফিকুল ইসলাম, ছাত্র অধিকার পরিষদের জেলা যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মহিন উদ্দিন, বেগমগঞ্জ উপজেলা ছাত্র অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক সিনবাদ শাকিল প্রমুখ।

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার হাজীপুরে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত শিশু তাসফিয়া আক্তার জান্নাত হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার ও অভিযুক্ত সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী এবং বিভিন্ন সংগঠন। এ সময় তারা বেগমগঞ্জকে বাংলাদেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সন্ত্রাসের জনপদ হিসেবে আখ্যা দেন। শুক্রবার বিকেলে উপজেলার চৌমুহনী বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন চত্বরে এ কর্মসূচি পালন করেন তাঁরা। কর্মসূচিতে গণ অধিকার পরিষদ বেগমগঞ্জ শাখাসহ কয়েকটি ব্যানারে স্থানীয় লোকজন ও নিহতের পরিবার-স্বজনরা অংশগ্রহণ করেন।
বক্তারা বলেন, যারা শিশু তাসফিয়াকে নির্মমভাবে গুলি করে হত্যা করেছে তাঁরা সবাই এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী। এলাকায় মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয়, ইভটিজিং ও সকল ধরনের সন্ত্রাসী কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িত। হাজীপুরসহ পার্শ্ববর্তী প্রতিটি এলাকায় তাঁদের সন্ত্রাসী কার্যক্রমের ক্ষতের চিহ্ন রয়েছে। তাঁদের হাতে নির্যাতিত হয়েছে এলাকার বেশির ভাগ মানুষ। তাসফিয়ার হত্যাকারীরা সবাই চিহ্নিত, অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে তাঁদের গ্রেপ্তার করে শাস্তির দাবি করেন বক্তারা।
প্রসঙ্গত, গত বুধবার বিকেল ৩টার দিকে তাসফিয়াকে নিয়ে বাড়ির পার্শ্ববর্তী মালেকার বাপের দোকান এলাকার বন্ধু স্টোরে যায় তার বাবা। ওই দোকানে গিয়ে তাসফিয়ার জন্য চকলেট, জুস ও চিপস নিয়ে দোকান থেকে বের হওয়ার সময় মহিন, রিমন, আকবর, নাঈমের নেতৃত্বে ১৫-২০ জনের একদল সন্ত্রাসী মামুনের দোকানে এসে তুই (আবু জাহের) ওই দিন বৈঠকে ছিলি বলে গালাগালি করে। একপর্যায়ে তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়লে পাশে থাকা গ্যাসের সিলিন্ডারে লেগে তা লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। পরে তাঁরা দোকান থেকে বের হয়ে যাওয়ার সময় সন্ত্রাসীরা পেছন থেকে তাঁদের লক্ষ্য করে প্রথমে ইট নিক্ষেপ করলে মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত হয় তাসফিয়া।
পরে তাঁরা বাড়ি যাওয়ার সময় পেছন থেকে আরও দুই রাউন্ড শটগানের গুলি ছুড়ে সন্ত্রাসীরা। এতে তাসফিয়া ও জাহের গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটে পড়েন। গুলিবিদ্ধ তাসফিয়া ও আবু জাহেরকে উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায় স্থানীয় লোকজন। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা নেওয়ার পথে কুমিল্লায় পৌঁছালে অ্যাম্বুলেন্সে নানির কোলে মারা যায় তাসফিয়া।
মাটি কাটার জের ধরে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটলেও মাটি কাটা নিয়ে বিরোধের সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পৃক্ততা ছিল না মাওলানা আবু জাহের বা তাঁর মেয়ে তাসফিয়ার। তবে মাটি কাটা নিয়ে বৈঠকে ছিল এমন অভিযোগে সন্ত্রাসীদের টার্গেট হন মাওলানা আবু জাহের। আর সেই টার্গেটের শিকার হয়ে প্রাণ হারায় তাসফিয়া।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, নিহত তাসফিয়ার ফুফু লিমা আক্তার, চাচাতো ভাই ইমাম হোসেন, যুব অধিকার পরিষদ জেলা সদস্যসচিব শফিকুল ইসলাম, ছাত্র অধিকার পরিষদের জেলা যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মহিন উদ্দিন, বেগমগঞ্জ উপজেলা ছাত্র অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক সিনবাদ শাকিল প্রমুখ।

রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ যাত্রাবাড়ী ও ডেমরা থানা নিয়ে গঠিত ঢাকা-৫ আসন। ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে বিরাট ভূমিকা পালন করেন এই এলাকার শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ। ওই আন্দোলনের বিজয়ে তাঁরা যেমন বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন তেমনি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও জয়-পরাজয়ের হিসাব নির্ধারণে শিক্ষার্থীসহ তরুণ ভোট
২ ঘণ্টা আগে
নাটোর পৌরবাসীকে দ্রুত ও আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ভারত সরকার উপহার হিসেবে দিয়েছিল প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকার লাইফসাপোর্ট (আইসিইউ) অ্যাম্বুলেন্স। মুমূর্ষু রোগীদের জীবন বাঁচানোর সে বাহনটি এখন ব্যবহার করা হচ্ছে গণভোটের প্রচারণায়। নির্বাচনকে সামনে রেখে নাটোর পৌর কর্তৃপক্ষ অ্যাম্বুলেন্সটি প্
৩ ঘণ্টা আগে
ঝিনাইদহে জলাতঙ্ক (র্যাবিস) রোগপ্রতিরোধী ভ্যাকসিনের (টিকা) সংকট দেখা দিয়েছে। সদরসহ জেলার পাঁচটি সরকারি হাসপাতালে ভ্যাকসিনের সরবরাহ নেই। চিকিৎসকেরা রোগীদের বাইরে থেকে ভ্যাকসিন সংগ্রহের পরামর্শ দিতে বাধ্য হচ্ছেন। তবে জেলার ফার্মেসিগুলোতেও এই ভ্যাকসিন পাওয়া যাচ্ছে না।
৩ ঘণ্টা আগে
নীলফামারীতে তিস্তা সেচনালার দিনাজপুর খালের বাঁ তীরের পাড় ভেঙে শতাধিক একর ফসলি জমি খালের পানিতে তলিয়ে গেছে। গতকাল সোমবার বেলা ৩টার দিকে জেলা সদরের ইটাখোলা ইউনিয়নের সিংদই গ্রামের কামারপাড়ায় দিনাজপুর খালের বাঁ তীরের পাড় প্রায় ২০ ফুট ধসে যায়।
৩ ঘণ্টা আগে