চট্টগ্রামের সীমা অক্সিজেন প্ল্যান্টে ভয়াবহ বিস্ফোরণের পর থেকে বিদ্যুৎহীন সীতাকুণ্ডের কদমরসুল এলাকা। বিস্ফোরণে বিদ্যুতের সঞ্চালন লাইনে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে বিদ্যুৎ না থাকায় এলাকাটিতে পানি সংকট দেখা দিয়েছে। ভোগান্তিতে পড়েছেন এলাকার পাঁচ হাজার বাসিন্দা।
অন্যদিকে এই অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে আরও দুই থেকে তিন দিন সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) ফৌজদারহাট বিপণন ও বিতরণ শাখার নির্বাহী প্রকৌশলী শেখ কাউসার মাসুম। তবে আগামীকাল শবে বরাতের রাতে এলাকার মানুষের কষ্ট লাগবে সর্বাত্মক চেষ্টার কথা জানান এই কর্মকর্তা।
প্রকৌশলী শেখ কাউসার মাসুম আজকের পত্রিকাকে আরও বলেন, ‘ওই এলাকার বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন পুরো নষ্ট হয়ে গেছে। ট্রান্সফরমার ও ক্যাবলসহ সব যন্ত্রপাতি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আমরা আপাতত আবাসিক গ্রাহকদের সংযোগ দেওয়ার জন্য কাজ করছি। বাণিজ্যিক গ্রাহকদের বিষয়টি ধাপে ধাপে দেখব।’
ফৌজদারহাট বিপিডিবির তথ্যমতে, সীতাকুণ্ডের কদমরসুল–কেশবপুরের ওই অংশে পাঁচটি ট্রান্সফরমার আছে। প্রতি ট্রান্সফরমার থেকে ২০০টি করে সংযোগ হিসাব করলে এলাকাটিতে এক হাজার পরিবারের বসবাস।
কেশবপুর এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ মাসুদ ও মোহাম্মদ সোলায়মান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘একেতো বিদ্যুৎ না থাকার ভোগান্তি, তার ওপর পানি নিয়ে সীমাহীন কষ্টে আছে এলাকার মানুষ। মোটর পাম্প দিয়ে পানি তোলা যাচ্ছে না। দূরের একটি টিউবওয়েল থেকে পানি এনে কোনোমতে রান্নার কাজ সামাল দিলেও কাপড়–চোপড় ধোয়া ও গোসল করা বন্ধ। মানুষের জীবনযাত্রা একেবারে বিষিয়ে উঠেছে।’

বর্ষা এলেই মৌলভীবাজারের টিলা-পাহাড়ঘেরা জনপদে নেমে আসে আতঙ্ক। তবু ঝুঁকি নিয়ে এসব স্থানে বসবাস করছে অন্তত ৫০ হাজার মানুষ। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত চার বছরে টিলাধসে অন্তত ১০ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। এরপরও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারী পরিবারগুলোর নিরাপদ পুনর্বাসনে দৃশ্যমান ও কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
২ ঘণ্টা আগে
গর্ভাবস্থার শুরু থেকে ঠাকুরগাঁও মা ও শিশুকল্যাণ কেন্দ্রে নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ নিচ্ছিলেন রাশেদা আক্তার। চিকিৎসকদের আশ্বাস আর সাশ্রয়ী খরচের কথা ভেবে আশা করেছিলেন, সরকারি এ প্রতিষ্ঠানেই নিরাপদে জন্ম নেবে তাঁর সন্তান। কিন্তু প্রসববেদনা নিয়ে গত বৃহস্পতিবার তিনি হাসপাতালে পৌঁছার পর আশাহত হন।
৩ ঘণ্টা আগে
মাগুরার শ্রীপুরে প্রতিবেশীদের হামলায় গুরুতর আহত আমিরুল মোল্যা (৫০) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তাঁর মৃত্যুর খবর এলাকায় পৌঁছানোর পর উপজেলার গয়েশপুর ইউনিয়নের সোয়া শতডাঙ্গা গ্রামে অন্তত ১০টি বাড়িঘরে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
৩ ঘণ্টা আগে
পাবনা শহরে রয়েছে অসংখ্য পুকুর, দিঘি ও প্রাকৃতিক জলাধার। একসময় এসব জলাধার ছিল সুপেয় পানির প্রধান উৎস, ভূগর্ভস্থ পানির ভারসাম্য রক্ষার কার্যকর মাধ্যম এবং নগরীর সৌন্দর্যের অনন্য নিদর্শন। কিন্তু দখল, দূষণ ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে এসব জলাধার হারিয়ে যাওয়ার পথে।
৩ ঘণ্টা আগে