কর্ণফুলী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় টাকা নিয়ে দুর্বৃত্তকে ছেড়ে দেওয়া ও ইউপি সদস্যের মাধ্যমে সমঝোতার প্রস্তাবের ঘটনায় আনোয়ারা থানা-পুলিশের তিন সদস্যকে সাময়িক প্রত্যাহার করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে তিন পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) কামরুল ইসলাম।
প্রত্যাহার হওয়া পুলিশ সদস্যরা হলেন—সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) ওমর ফারুক, কনস্টেবল মোহাম্মদ রিয়াজ ও মুজিবুর রহমান।
সহকারী পুলিশ সুপার কামরুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, তাঁদের (পুলিশ সদস্য) বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠায় আনোয়ারা থানার সকল কার্যক্রম থেকে বিরত রেখে চট্টগ্রাম পুলিশ লাইনে পাঠানো হয়েছে। তদন্তে ঘটনার সঙ্গে জড়িত এবং দায়িত্বে অবহেলা বা সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ভুক্তভোগী কিশোরীর বড় ভাই জানান, ঘটনার পাঁচ দিন পর গত সোমবার তিনি স্থানীয় চাতরী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের কাছে মৌখিকভাবে অভিযোগ করেন। এর আগে তিনি থানায় লিখিত অভিযোগ করলে পুলিশ চাতরী ইউনিয়নের ইউপি সদস্য ধনঞ্জন বিশ্বাস ভোলাকে দিয়ে অভিযুক্তদের সঙ্গে এক লাখ টাকায় সমঝোতার চেষ্টা করে পুলিশ। সমঝোতায় রাজি না হওয়ায় পুলিশ ভুক্তভোগী কিশোরীকে থানায় নিয়ে সারা রাত বসিয়ে রাখে। পরে শনিবার (১৮ মার্চ) তাঁকে দিয়ে রকিসহ চারজনের নাম উল্লেখ করে মামলা করায়।
এ ঘটনায় গতকাল বুধবার অভিযুক্ত পলাশ (২৬), শীংপকর (২৭) ও চন্দনকে (২৫) গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠায় পুলিশ।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (১৫ মার্চ) দুপুরে প্রেমিক রকির সঙ্গে পারকি সমুদ্র সৈকতে ঘুরতে যায় ভুক্তভোগী কিশোরী। সেখান থেকে উপজেলার চাতরী ইউনিয়নের পূর্ব সিংহরা ইছামতী এলাকায় গেলে রকিসহ গ্রেপ্তারকৃত তিন যুবক ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করেন। এ সময় পুলিশের টহল পুলিশের উপস্থিতি টের পেলে বাকিরা পালিয়ে গেলেও রকি যেতে পারেননি। এএসআই ওমর ফারুক ওই কিশোরীসহ রকিকে আটক করে কালাবিবি দিঘির মোড় এলাকায় নিয়ে যান। দুই ঘণ্টা পর ১৮ হাজার টাকার বিনিময়ে রকিকে ছেড়ে দেন এবং কিশোরীকে বাড়িতে পৌঁছে দেন।
এ ঘটনায় আজ বৃহস্পতিবার দৈনিক আজকের পত্রিকায় দলবদ্ধ ধর্ষণ, ‘টাকা নিয়ে’ দুর্বৃত্তকে ছেড়ে দিল পুলিশ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ হয়।

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় টাকা নিয়ে দুর্বৃত্তকে ছেড়ে দেওয়া ও ইউপি সদস্যের মাধ্যমে সমঝোতার প্রস্তাবের ঘটনায় আনোয়ারা থানা-পুলিশের তিন সদস্যকে সাময়িক প্রত্যাহার করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে তিন পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) কামরুল ইসলাম।
প্রত্যাহার হওয়া পুলিশ সদস্যরা হলেন—সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) ওমর ফারুক, কনস্টেবল মোহাম্মদ রিয়াজ ও মুজিবুর রহমান।
সহকারী পুলিশ সুপার কামরুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, তাঁদের (পুলিশ সদস্য) বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠায় আনোয়ারা থানার সকল কার্যক্রম থেকে বিরত রেখে চট্টগ্রাম পুলিশ লাইনে পাঠানো হয়েছে। তদন্তে ঘটনার সঙ্গে জড়িত এবং দায়িত্বে অবহেলা বা সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ভুক্তভোগী কিশোরীর বড় ভাই জানান, ঘটনার পাঁচ দিন পর গত সোমবার তিনি স্থানীয় চাতরী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের কাছে মৌখিকভাবে অভিযোগ করেন। এর আগে তিনি থানায় লিখিত অভিযোগ করলে পুলিশ চাতরী ইউনিয়নের ইউপি সদস্য ধনঞ্জন বিশ্বাস ভোলাকে দিয়ে অভিযুক্তদের সঙ্গে এক লাখ টাকায় সমঝোতার চেষ্টা করে পুলিশ। সমঝোতায় রাজি না হওয়ায় পুলিশ ভুক্তভোগী কিশোরীকে থানায় নিয়ে সারা রাত বসিয়ে রাখে। পরে শনিবার (১৮ মার্চ) তাঁকে দিয়ে রকিসহ চারজনের নাম উল্লেখ করে মামলা করায়।
এ ঘটনায় গতকাল বুধবার অভিযুক্ত পলাশ (২৬), শীংপকর (২৭) ও চন্দনকে (২৫) গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠায় পুলিশ।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (১৫ মার্চ) দুপুরে প্রেমিক রকির সঙ্গে পারকি সমুদ্র সৈকতে ঘুরতে যায় ভুক্তভোগী কিশোরী। সেখান থেকে উপজেলার চাতরী ইউনিয়নের পূর্ব সিংহরা ইছামতী এলাকায় গেলে রকিসহ গ্রেপ্তারকৃত তিন যুবক ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করেন। এ সময় পুলিশের টহল পুলিশের উপস্থিতি টের পেলে বাকিরা পালিয়ে গেলেও রকি যেতে পারেননি। এএসআই ওমর ফারুক ওই কিশোরীসহ রকিকে আটক করে কালাবিবি দিঘির মোড় এলাকায় নিয়ে যান। দুই ঘণ্টা পর ১৮ হাজার টাকার বিনিময়ে রকিকে ছেড়ে দেন এবং কিশোরীকে বাড়িতে পৌঁছে দেন।
এ ঘটনায় আজ বৃহস্পতিবার দৈনিক আজকের পত্রিকায় দলবদ্ধ ধর্ষণ, ‘টাকা নিয়ে’ দুর্বৃত্তকে ছেড়ে দিল পুলিশ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ হয়।

ব্যবসায়ীকে হুমকি-ধমকি, ভয় দেখানোর অভিযোগের মামলা থেকে অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও তাঁর ভাই আলিশান চৌধুরীকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আদনান জুলফিকার তাঁদের অব্যাহতির আদেশ দেন।
১৩ মিনিট আগে
রোববার রাত ২টার দিকে এক ব্যক্তি স্ত্রীসহ মানিকগঞ্জের বেতিলা এলাকায় নিজের ভ্যান চালিয়ে যাচ্ছিলেন। বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ভ্যানের চার্জ শেষ হয়ে গেলে তাঁরা নিরাপত্তার জন্য সদর হাসপাতালের সামনে অবস্থান নেন।
১৫ মিনিট আগে
মামলার চার্জশিট দাখিল করে ১৭ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে ১১ জন আসামি কারাগারে আছেন। ৯ জন আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মামলার এজাহার, চার্জশিট ও আসামিদের জবানবন্দি পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।
১৭ মিনিট আগে
নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলায় চোরাচালানের মাধ্যমে আনা ৩২টি ভারতীয় গরুসহ একজনকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় এসব গরু পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত ছয়টি পিকআপও জব্দ করা হয়েছে। আটক ব্যক্তির নাম আলমগীর মিয়া (৩৫)। তিনি সুনামগঞ্জ জেলার জামালগঞ্জ উপজেলার শায়েস্তাগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা।
১ ঘণ্টা আগে