উখিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি

উখিয়ার পার্শ্ববর্তী বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের তুমব্রু সীমান্তে আবারও থেমে থেমে ভেসে আসছে গুলির শব্দ। টানা কয়েক দিন সীমান্ত পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক থাকলেও আজ বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টা থেকে হঠাৎ গোলাগুলির শব্দ শুনতে পাচ্ছেন স্থানীয়রা।
তুমব্রু এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা মোহাম্মদ জামাল আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বিকেল ৪টা সন্ধ্যা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত সীমান্তের ওপারে রাখাইনের মংডুতে হওয়া গোলাগুলির শব্দ কমপক্ষে ৫০ বারের মতো শোনা গেছে। হঠাৎ এত গোলাগুলির কারণে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।’
ঘুমধুম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আজিজ সেলফোনে বলেন, ‘বৃহস্পতিবার বিকেলের পর থেকে একটানা গোলাগুলির শব্দ শোনা যাচ্ছে। তবে আগে সীমান্ত ঘেঁষা এলাকায় গোলাগুলি হতে দেখা গেলেও আজ গোলাগুলির শব্দে মনে হয়েছে সংঘর্ষস্থল সীমান্ত থেকে কিছুটা দূরের এলাকায়।’
জানা গেছে, এক মাসেরও বেশি সময় ধরে ঘুমধুম সীমান্তে গোলাগুলি চলছে। মর্টার শেলসহ ভারী অস্ত্রের গোলাবারুদের শব্দে নির্ঘুম রাত কাটছে সীমান্তবর্তী বাংলাদেশিদের। ওপারে গোলাগুলির কারণে এপারে ব্যাহত হচ্ছে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা।
ঘুমধুম উত্তর পাড়া এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ আজিজ জানান, গোলাবারুদের শব্দে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টারের ওড়াউড়ির কারণে মানুষ সারাক্ষণ আতঙ্কে থাকে। প্রায়ই আকাশসীমা লঙ্ঘন করে যুদ্ধবিমানগুলো উড়তে দেখা যায়।
মোহাম্মদ আজিজ বলেন, ‘গত ২৮ আগস্ট এবং ৩ সেপ্টেম্বর দুই দফায় চারটি মর্টার শেল এসে পড়েছিল তুমব্রু উত্তরপাড়া ও বাইশফাঁড়ি এলাকায়।’
এদিকে, মিয়ানমার ভিত্তিক গণমাধ্যম ইরাবতীর খবরে বলা হয়েছে, মিয়ানমার সেনাবাহিনীর সঙ্গে সেদেশের বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে সংঘর্ষ চলছে। সম্প্রতি সেই সংঘর্ষ আরও বেড়েছে। উভয়পক্ষের হতাহতের খবরও আসছে বিভিন্ন গণমাধ্যমে।
আরাকান আর্মির সঙ্গে সে দেশের সেনাবাহিনীর মূল সংঘর্ষ চলছে বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া এলাকায়। এর ফলে এই সংঘর্ষের প্রভাব পড়ছে বাংলাদেশেও।

উখিয়ার পার্শ্ববর্তী বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের তুমব্রু সীমান্তে আবারও থেমে থেমে ভেসে আসছে গুলির শব্দ। টানা কয়েক দিন সীমান্ত পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক থাকলেও আজ বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টা থেকে হঠাৎ গোলাগুলির শব্দ শুনতে পাচ্ছেন স্থানীয়রা।
তুমব্রু এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা মোহাম্মদ জামাল আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বিকেল ৪টা সন্ধ্যা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত সীমান্তের ওপারে রাখাইনের মংডুতে হওয়া গোলাগুলির শব্দ কমপক্ষে ৫০ বারের মতো শোনা গেছে। হঠাৎ এত গোলাগুলির কারণে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।’
ঘুমধুম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আজিজ সেলফোনে বলেন, ‘বৃহস্পতিবার বিকেলের পর থেকে একটানা গোলাগুলির শব্দ শোনা যাচ্ছে। তবে আগে সীমান্ত ঘেঁষা এলাকায় গোলাগুলি হতে দেখা গেলেও আজ গোলাগুলির শব্দে মনে হয়েছে সংঘর্ষস্থল সীমান্ত থেকে কিছুটা দূরের এলাকায়।’
জানা গেছে, এক মাসেরও বেশি সময় ধরে ঘুমধুম সীমান্তে গোলাগুলি চলছে। মর্টার শেলসহ ভারী অস্ত্রের গোলাবারুদের শব্দে নির্ঘুম রাত কাটছে সীমান্তবর্তী বাংলাদেশিদের। ওপারে গোলাগুলির কারণে এপারে ব্যাহত হচ্ছে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা।
ঘুমধুম উত্তর পাড়া এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ আজিজ জানান, গোলাবারুদের শব্দে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টারের ওড়াউড়ির কারণে মানুষ সারাক্ষণ আতঙ্কে থাকে। প্রায়ই আকাশসীমা লঙ্ঘন করে যুদ্ধবিমানগুলো উড়তে দেখা যায়।
মোহাম্মদ আজিজ বলেন, ‘গত ২৮ আগস্ট এবং ৩ সেপ্টেম্বর দুই দফায় চারটি মর্টার শেল এসে পড়েছিল তুমব্রু উত্তরপাড়া ও বাইশফাঁড়ি এলাকায়।’
এদিকে, মিয়ানমার ভিত্তিক গণমাধ্যম ইরাবতীর খবরে বলা হয়েছে, মিয়ানমার সেনাবাহিনীর সঙ্গে সেদেশের বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে সংঘর্ষ চলছে। সম্প্রতি সেই সংঘর্ষ আরও বেড়েছে। উভয়পক্ষের হতাহতের খবরও আসছে বিভিন্ন গণমাধ্যমে।
আরাকান আর্মির সঙ্গে সে দেশের সেনাবাহিনীর মূল সংঘর্ষ চলছে বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া এলাকায়। এর ফলে এই সংঘর্ষের প্রভাব পড়ছে বাংলাদেশেও।

যশোরে গত এক বছরে খুন হয়েছেন অন্তত ৬২ জন। অধিকাংশ হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়েছে বিদেশি পিস্তল। সীমান্ত দিয়ে যে হারে অস্ত্র ঢুকছে, সেই তুলনায় উদ্ধার তৎপরতা কম। এমন বাস্তবতায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
রবিশস্য ও বোরো মৌসুম চলছে। দেশের উত্তরাঞ্চলের কৃষিপ্রধান জেলা নীলফামারীতে মাঠজুড়ে কৃষকের ব্যস্ততা। আলু, গম, ভুট্টা, শাকসবজি ও বোরো ক্ষেতে সেচ ও পরিচর্যায় সময় কাটছে কৃষকদের। তবে এই ব্যস্ততার আড়ালে চলছে আরেক লড়াই—সার সংগ্রহের। আবাদের জন্য প্রয়োজনীয় সার পাচ্ছেন না অনেক কৃষক।
৩ ঘণ্টা আগে
বরিশাল নগরের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের রুপাতলীতে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী লালার দীঘি দখলবাজির কারণে ক্রমশ ছোট হয়ে আসছে। দীঘিটির দক্ষিণ পাড়ের ৫০ শতাংশ জায়গা পাইপের মাধ্যমে ভরাট করেছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনে বরিশাল নগরের রুপাতলী হাউজিং স্টেট কর্তৃপক্ষ। এ জন্য দীঘির বিশাল অংশ নিয়ে তারা পাইলিংও দিয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি) প্রধান ও সহপ্রধান নিয়োগের ক্ষেত্রে পরীক্ষাভিত্তিক ব্যবস্থা চালু করতে যাচ্ছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। এ ব্যবস্থায় ওই দুই পদের প্রার্থীদের লিখিত বা বাছাই এবং মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে।
৪ ঘণ্টা আগে