Ajker Patrika

দুই শিশুকে অপহরণের পর হত্যা, ৫ আসামির মৃত্যুদণ্ড

কক্সবাজার প্রতিনিধি
প্রতীকী ছবি
প্রতীকী ছবি

কক্সবাজারের রামুতে অপহরণের পর সহোদর দুই শিশুকে হত্যার দায়ে পাঁচ আসামির মৃত্যুদণ্ড ও তিন নারীসহ চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার দুপুরে কক্সবাজারের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২-এর বিচারক মো. ওসমান গণির আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন রামু উপজেলার গর্জনিয়া ইউনিয়নের বড়বিল এলাকার জাহাঙ্গীর আলম, আব্দু শুক্কুর, আলমগীর হোসেন প্রকাশ বুলু, মিজানুর রহমান ও মো. শহীদুল্লাহ।

এ ছাড়া যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন একই এলাকার আবদুল মজিদ, ফাতেমা খাতুন, রাশেদা বেগম ও লায়লা বেগম।

রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি (পিপি) মীর মোশারফ হোসেন টিটু রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মামলার নথির বরাতে তিনি বলেন, ২০১৬ সালের ১৭ জানুয়ারি বিকেলে রামু উপজেলা গর্জনিয়া ইউনিয়নের বড়বিল এলাকার দোকান কর্মচারী মো. ফোরকানের দুই ছেলে হাসান শাকিল (১১) ও হোসেন কাজল (৮) নামের দুই শিশুকে বাড়ির অদূরে পাখির ছানা দেখার লোভ দেখিয়ে ওই এলাকার আবদু শুক্কুরের ছেলে জাহাঙ্গীর আলমসহ একটি চক্র অপহরণ করে।

হাসান বাইশাঁরী শাহনূর উদ্দিন দাখিল মাদ্রাসার ও হোসেন বড়বিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র ছিল।

মীর মোশারফ হোসেন টিটু জানান, অপহরণের পর ওই দিন রাতে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে পরিবারের কাছ থেকে চার লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে অপহরণকারী চক্র। পরে অপহৃত শিশুদের সন্ধান না পেয়ে তাঁদের বাবা বাদী হয়ে গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়িতে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে ২০১৬ সালের ১৯ জানুয়ারি মামলা করেন। মামলাটি নথিভুক্ত হওয়ার পরপরই দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

পরে গ্রেপ্তার আসামিদের স্বীকারোক্তিমতে স্থানীয় একটি পাহাড়ের জঙ্গলে গুমের উদ্দেশ্যে লুকিয়ে রাখা অবস্থায় দুই শিশুর মরদেহ পুলিশ উদ্ধার করে। পিপি আরও জানান, ২০১৬ সালের ৭ এপ্রিল মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেন। এরপর আদালত ২০১৯ সালের ২০ মার্চ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

মীর মোশারফ হোসেন আরও জানান, ৯ বছর ধরে মামলার বিচারিক কার্যক্রম শেষে আসামিদের বিরুদ্ধে সন্দেহাতীতভাবে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় আজ নির্ধারিত দিনে আদালত রায় ঘোষণা করেন।

এতে সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে পাঁচ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড ও চার আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন। এ ছাড়া তাঁদের বিভিন্ন অঙ্কের অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

রায় ঘোষণাকালে প্রধান আসামি জাহাঙ্গীর আলম উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া অন্যরা পলাতক রয়েছেন। নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় মোকারমা সুলতানা পুতু নামের এক তরুণীকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

ধর্ষণে বাধা দেওয়ায় ৩৪ বছরের নারীকে খুন ১৮ বছরের তরুণের

প্রযুক্তি ও অর্থনীতিতে দুর্বল পাকিস্তান কীভাবে আধুনিক যুদ্ধবিমান বানাল

আজকের রাশিফল: চোখের পানি মুছতে সঙ্গে রুমাল রাখুন, পেটের চর্বিটা আজ খুব ভাবাবে

বিদেশ থেকে মেশিন এনে টঙ্গিবাড়ীতে ইয়াবা তৈরি, বিপুল সরঞ্জামসহ যুবক আটক

বনশ্রীতে স্কুলছাত্রীকে হত্যা: নিজেদের হোটেলের কর্মচারী আটক

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত