নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রাম ডায়াবেটিক জেনারেল হাসপাতালের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি জাহাঙ্গীর চৌধুরীর বিরুদ্ধে উঠা নানা দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তে জন্য কমিটি গঠন করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। তদন্ত কমিটিতে বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ডা. সমুন বড়ুয়াকে প্রধান করা হয়েছে।
গতকাল বুধবার এ সংক্রান্ত একটি চিঠি চট্টগ্রামের বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালককে দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রনালয়ের পক্ষ থেকে ওই চিঠি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. মো. সাখাওয়াত উল্লাহ।
এর আগে চলতি বছরের ২৫ জানুয়ারি দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগে চট্টগ্রাম ডায়াবেটিক জেনারেল হাসপাতালের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি জাহাঙ্গীর চৌধুরীসহ কমিটির সব সদস্যদের সাময়িক বরখাস্ত করে সমাজসেবা অধিদপ্তর। এর পর প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয় বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের অতিরিক্ত পরিচালক মোস্তফা মোস্তাকুর রহিম খানকে। তবে তিনি দায়িত্ব নিয়েও সাত দিনের মাথায় অব্যাহতি নেন।
গত বছরের ৫ অক্টোবর আজকের পত্রিকায় ‘হাসপাতালের মা-বাপ আমি’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে দুর্নীতির বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরা হয়। এর আগে জাহাঙ্গীর চৌধুরীর বিরুদ্ধে গত ২১ জুলাই তিন সদস্যের কমিটি গঠন করে সমাজসেবা অধিদপ্তর।
২০২২ সালের ২৪ আগস্ট এম এ জাফর জাহাঙ্গীর চৌধুরীর বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ, স্বজনদের গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ ও দুর্নীতির অভিযোগ আসে স্বাস্থ্য বিভাগে। ওই অভিযোগের প্রেক্ষিতে চলতি বছরের পয়লা জানুয়ারি চট্টগ্রামের বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ৪ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেন। ওই কমিটিতে সুমন বড়ুয়াকে সভাপতি রাখা হয়েছিল। পাশাপাশি জেলা প্রশাসনের একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, সমাজসেবা অধিদপ্তরের একজন প্রতিনিধি ও সিভিল সার্জন কার্যালয়ের চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. মো. নুরুল হায়দারকে সদস্য করা হয়েছিল।
এ সব নিয়ে বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. মো. সাখাওয়াত উল্লাহ বলেন, সম্প্রতি সমাজসেবা অধিদপ্তর চট্টগ্রাম ডায়াবেটিক হাসপাতালের কমিটি সাময়িক বরখাস্ত করার পর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এই কমিটি গঠন করলো। এখন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের গঠিত কমিটিতে দায়িত্ব পাওয়া সুমন বড়ুয়া খুব শিগগিরই তদন্ত করবেন। তদন্তে গড়মিল বা অভিযোগের সত্যতা মিললে আমরা আমাদের পক্ষ থেকেও হাসপাতালের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব। ’
আরও পডুন :

চট্টগ্রাম ডায়াবেটিক জেনারেল হাসপাতালের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি জাহাঙ্গীর চৌধুরীর বিরুদ্ধে উঠা নানা দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তে জন্য কমিটি গঠন করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। তদন্ত কমিটিতে বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ডা. সমুন বড়ুয়াকে প্রধান করা হয়েছে।
গতকাল বুধবার এ সংক্রান্ত একটি চিঠি চট্টগ্রামের বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালককে দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রনালয়ের পক্ষ থেকে ওই চিঠি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. মো. সাখাওয়াত উল্লাহ।
এর আগে চলতি বছরের ২৫ জানুয়ারি দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগে চট্টগ্রাম ডায়াবেটিক জেনারেল হাসপাতালের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি জাহাঙ্গীর চৌধুরীসহ কমিটির সব সদস্যদের সাময়িক বরখাস্ত করে সমাজসেবা অধিদপ্তর। এর পর প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয় বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের অতিরিক্ত পরিচালক মোস্তফা মোস্তাকুর রহিম খানকে। তবে তিনি দায়িত্ব নিয়েও সাত দিনের মাথায় অব্যাহতি নেন।
গত বছরের ৫ অক্টোবর আজকের পত্রিকায় ‘হাসপাতালের মা-বাপ আমি’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে দুর্নীতির বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরা হয়। এর আগে জাহাঙ্গীর চৌধুরীর বিরুদ্ধে গত ২১ জুলাই তিন সদস্যের কমিটি গঠন করে সমাজসেবা অধিদপ্তর।
২০২২ সালের ২৪ আগস্ট এম এ জাফর জাহাঙ্গীর চৌধুরীর বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ, স্বজনদের গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ ও দুর্নীতির অভিযোগ আসে স্বাস্থ্য বিভাগে। ওই অভিযোগের প্রেক্ষিতে চলতি বছরের পয়লা জানুয়ারি চট্টগ্রামের বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ৪ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেন। ওই কমিটিতে সুমন বড়ুয়াকে সভাপতি রাখা হয়েছিল। পাশাপাশি জেলা প্রশাসনের একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, সমাজসেবা অধিদপ্তরের একজন প্রতিনিধি ও সিভিল সার্জন কার্যালয়ের চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. মো. নুরুল হায়দারকে সদস্য করা হয়েছিল।
এ সব নিয়ে বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. মো. সাখাওয়াত উল্লাহ বলেন, সম্প্রতি সমাজসেবা অধিদপ্তর চট্টগ্রাম ডায়াবেটিক হাসপাতালের কমিটি সাময়িক বরখাস্ত করার পর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এই কমিটি গঠন করলো। এখন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের গঠিত কমিটিতে দায়িত্ব পাওয়া সুমন বড়ুয়া খুব শিগগিরই তদন্ত করবেন। তদন্তে গড়মিল বা অভিযোগের সত্যতা মিললে আমরা আমাদের পক্ষ থেকেও হাসপাতালের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব। ’
আরও পডুন :

নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলায় চোরাচালানের মাধ্যমে আনা ৩২টি ভারতীয় গরুসহ একজনকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় এসব গরু পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত ছয়টি পিকআপও জব্দ করা হয়েছে। আটক ব্যক্তির নাম আলমগীর মিয়া (৩৫)। তিনি সুনামগঞ্জ জেলার জামালগঞ্জ উপজেলার শায়েস্তাগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা।
৩৪ মিনিট আগে
কুড়িল বিশ্বরোড বিআরটিসি বাস কাউন্টারের পেছন রেললাইনের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় মানুষের জটলা দেখতে পান তিনি। এগিয়ে গিয়ে দেখেন রেললাইনের পাশেই ওই যুবক রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছেন।
১ ঘণ্টা আগে
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, দুর্নীতি রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় শত্রু। সাহস মানে কেবল বিপদের মুখে দাঁড়ানো নয়, বরং অন্যায় আদেশকে ‘না’ বলা এবং মজলুমের পক্ষে দাঁড়িয়ে সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করাই প্রকৃত সাহসিকতা।
১ ঘণ্টা আগে
দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার আত্রাই নদী থেকে অজ্ঞাতপরিচয় দুই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১২ জানুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার আত্রাই নদীর লক্ষিতলা ব্রিজের পাশ থেকে লাশ দুটি উদ্ধার করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে