চবি সংবাদদাতা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) বিচারবহির্ভূত দুটি হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে মশাল মিছিল করেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) নিপীড়নবিরোধী শিক্ষার্থীরা। আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জিরো পয়েন্ট এলাকা থেকে এই মিছিল বের করেন তাঁরা।
এ সময় ‘জুলাইয়ের বাংলায়, মব অ্যাটাকের ঠাঁই নাই’, ‘মব অ্যাটাকের বিরুদ্ধে, লড়াই হবে একসাথে’, ‘ভার্সিটিতে মানুষ মরে, প্রশাসন কী করে’ ইত্যাদি স্লোগান দেয় শিক্ষার্থীরা।
মিছিলের শিক্ষার্থী রোনাল চাকমা বলেন, ‘ঢাবি এবং জাবিতে বিচারবহির্ভূত যে নৃশংস হত্যাকাণ্ড হয়েছে তা শরীর শিউরে ওঠার মতো। আওয়ামী লীগের শাসন আমলে পাহাড় এবং সমতলে যে হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, তার কোনো সুষ্ঠু বিচার আমরা দেখিনি। এখন এসব হত্যাকাণ্ডের বিচার না হওয়া মানে আবার সেই শাসনামলে ফিরে যাওয়া। আমরা এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার চাই।’
সংগীত বিভাগের শিক্ষার্থী জসদ জাকির বলেন, ‘আজ আমরা ২৪ এর গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে মশাল নিয়ে দাঁড়িয়েছি, দাস প্রথা, সামন্ত এমনকি জমিদারি প্রথার পতন ঘটিয়ে এই আধুনিক যুগে সামন্তীয়ভাবে হত্যা মেনে নেওয়া যায় না। গতকাল রাতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ দুটি স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয়ে দুটি বিচারবহির্ভূত হত্যা সংগঠিত হয়েছে। এর সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করতে হবে, পরবর্তীকালে এমন ন্যক্কারজনক কাজ যেন কেউ করতে না পারে।’
উল্লেখ্য, গতকাল বুধবার জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) প্রান্তিক গেট এলাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী ও শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শামীম আহমেদকে দেখতে পান কয়েক শিক্ষার্থী। পরে তাঁকে কয়েক দফা পিটিয়ে প্রক্টর অফিসে নেওয়া হয়। সেখানেও কয়েক দফা মারধরের শিকার হন শামীম। পরবর্তীকালে তাঁকে আশুলিয়া পুলিশের হাতে তুলে দিলে গুরুতর আহত অবস্থায় গণস্বাস্থ্য সমাজভিত্তিক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে রাত ১১টার দিকে তিনি মারা যান। নিহত শামীম বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৯তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন।
অন্যদিকে একই দিন রাতেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মুসলিম হলে চোর সন্দেহে তোফাজ্জল হোসেন নামে মানসিক ভারসাম্যহীন এক যুবককে পিটিয়ে হত্যা করা হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) বিচারবহির্ভূত দুটি হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে মশাল মিছিল করেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) নিপীড়নবিরোধী শিক্ষার্থীরা। আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জিরো পয়েন্ট এলাকা থেকে এই মিছিল বের করেন তাঁরা।
এ সময় ‘জুলাইয়ের বাংলায়, মব অ্যাটাকের ঠাঁই নাই’, ‘মব অ্যাটাকের বিরুদ্ধে, লড়াই হবে একসাথে’, ‘ভার্সিটিতে মানুষ মরে, প্রশাসন কী করে’ ইত্যাদি স্লোগান দেয় শিক্ষার্থীরা।
মিছিলের শিক্ষার্থী রোনাল চাকমা বলেন, ‘ঢাবি এবং জাবিতে বিচারবহির্ভূত যে নৃশংস হত্যাকাণ্ড হয়েছে তা শরীর শিউরে ওঠার মতো। আওয়ামী লীগের শাসন আমলে পাহাড় এবং সমতলে যে হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, তার কোনো সুষ্ঠু বিচার আমরা দেখিনি। এখন এসব হত্যাকাণ্ডের বিচার না হওয়া মানে আবার সেই শাসনামলে ফিরে যাওয়া। আমরা এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার চাই।’
সংগীত বিভাগের শিক্ষার্থী জসদ জাকির বলেন, ‘আজ আমরা ২৪ এর গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে মশাল নিয়ে দাঁড়িয়েছি, দাস প্রথা, সামন্ত এমনকি জমিদারি প্রথার পতন ঘটিয়ে এই আধুনিক যুগে সামন্তীয়ভাবে হত্যা মেনে নেওয়া যায় না। গতকাল রাতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ দুটি স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয়ে দুটি বিচারবহির্ভূত হত্যা সংগঠিত হয়েছে। এর সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করতে হবে, পরবর্তীকালে এমন ন্যক্কারজনক কাজ যেন কেউ করতে না পারে।’
উল্লেখ্য, গতকাল বুধবার জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) প্রান্তিক গেট এলাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী ও শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শামীম আহমেদকে দেখতে পান কয়েক শিক্ষার্থী। পরে তাঁকে কয়েক দফা পিটিয়ে প্রক্টর অফিসে নেওয়া হয়। সেখানেও কয়েক দফা মারধরের শিকার হন শামীম। পরবর্তীকালে তাঁকে আশুলিয়া পুলিশের হাতে তুলে দিলে গুরুতর আহত অবস্থায় গণস্বাস্থ্য সমাজভিত্তিক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে রাত ১১টার দিকে তিনি মারা যান। নিহত শামীম বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৯তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন।
অন্যদিকে একই দিন রাতেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মুসলিম হলে চোর সন্দেহে তোফাজ্জল হোসেন নামে মানসিক ভারসাম্যহীন এক যুবককে পিটিয়ে হত্যা করা হয়।

রাজশাহী শহরে নির্মাণাধীন চারটি ফ্লাইওভারের নকশা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, নকশার ত্রুটির কারণে ফ্লাইওভারগুলো চালু হলে উল্টো সেগুলোর মুখেই যানজট সৃষ্টি হতে পারে। এ নিয়ে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনার আ ন ম বজলুর রশীদ ৬ জানুয়ারি সংশ্লিষ্টদের নিয়ে জরুরি বৈঠক ডেকেছেন।
৪০ মিনিট আগে
পদ্মা সেতুর দক্ষিণ প্রান্ত-সংলগ্ন মাদারীপুরের শিবচর এবং শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার জায়গা নিয়ে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় তাঁতপল্লি নির্মাণের কাজ শুরু করে ২০১৮ সালের শেষের দিকে। কাজের বেশ অগ্রগতিও হয়েছিল। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর বন্ধ হয়ে যায় প্রকল্পের কাজ।
১ ঘণ্টা আগে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নরসিংদীর পাঁচটি সংসদীয় আসনে ভোটের মাঠ ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। চায়ের আড্ডা থেকে শুরু করে গ্রামগঞ্জের অলিগলিতে প্রার্থী ও সমর্থকদের প্রচার-প্রচারণায় ছড়িয়ে পড়েছে নির্বাচনী আমেজ।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহীর ছয়টি সংসদীয় আসনে ৩৮টি মনোনয়নপত্র দাখিল হয়েছে। এর মধ্যে একজন প্রার্থী দুটি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। সে হিসেবে ভোটের মাঠে আছেন ৩৭ জন। তাঁদের মধ্যে ৩৪ জন অর্থাৎ প্রায় ৯২ শতাংশ প্রার্থীই উচ্চশিক্ষিত।
২ ঘণ্টা আগে