পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চট্টগ্রামের পটিয়ার ১৭টি ইউনিয়নের মধ্যে ৩ জন স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী ও ৩ জন সাধারণ সদস্য এবং ২ জন সংরক্ষিত নারী সদস্যের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। সোমবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে প্রার্থিতা যাচাই-বাছাই শেষে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আরাফাত আল হোসাইনী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মনোনয়ন বাতিল হওয়া চেয়ারম্যান প্রার্থীরা হলেন, ছনহরা ইউপির ইসলামী আন্দোলনের চেয়ারম্যান প্রার্থী মোহাম্মদ আইয়ুব, কাশিয়াইশ ইউনিয়নের স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী মোহাম্মদ কাইছ ও কুসুমপুরা ইউনিয়নের স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী জাকারিয়া ডালিম।
হাইদগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত নারী ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের তসলিমা নুর, হাবিলাসদ্বীপ ইউনিয়নের ১, ২ ও ৩ নম্বর সংরক্ষিত নারী ওয়ার্ডের শারমিন আকতার, কুসুমপুরা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের আবু তৈয়ব, কেলিশহর ইউনিয়নের ৬ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মোহাম্মদ রফিক ও মোহাম্মদ খোরশেদের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, বাতিল হওয়া ৩ জন চেয়ারম্যান প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মোহাম্মদ আইয়ুব তাঁর দলীয় কোনো বৈধ কাগজ পত্র দেখাতে না পারায় মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। এ দিকে ঋণ খেলাপির দায়ে কাশিয়াইশ ইউনিয়ন পরিষদের স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ কাইছ এবং আয়কর রির্টানের সত্যায়িত কপি দেখাতে না পারায় কুসুমপুরা ইউনিয়নের স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী জাকারিয়া ডালিমের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।
এ ছাড়াও বড়লিয়া ইউনিয়ন পরিষদের আওয়ামী লীগের মনোনীত একক চেয়ারম্যান প্রার্থী ও বর্তমান চেয়ারম্যান শাহীনুল ইসলাম সানু, শোভনদণ্ডী ইউনিয়ন পরিষদের আওয়ামী লীগের মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী ও বর্তমান চেয়ারম্যান এহছানুল হক বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পথে।
উপজেলার ১৭টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে কুসুমপুর ও হাবিলাসদ্বীপ ইউনিয়নে হবে ইভিএম পদ্ধতিতে এবং বাকি ১৫টি ইউনিয়নে ব্যালট পেপারে ভোট গ্রহণ করা হবে।
পটিয়া উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আরাফাত আল হোসাইনী জানান, উপজেলার ১৭টি ইউনিয়ন পরিষদে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন প্রাপ্ত ১৭ জন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ৪৩ জন মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছিলেন। সাধারণ সদস্য পদে ৬১৬ জন, সংরক্ষিত সদস্য পদে ১৪১ জন মনোনয়ন ফরম জমা দেন। সোমবার যাচাই-বাছাই শেষে ৩ জন চেয়ারম্যান, ২ জন সংরক্ষিত নারী সদস্য এবং ৩ জন সাধারণ সদস্যের মনোনয়ন ফরম বাতিল করা হয়েছে। বর্তমানে ৫৭ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী, ৬১৩ জন সাধারণ সদস্য ও ১৩৯ জন সংরক্ষিত নারী সদস্যের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
৩০ নভেম্বর (মঙ্গলবার) থেকে ২ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাদ পড়া প্রার্থীরা আপিল করতে পারবেন। আপিল নিষ্পত্তি ৩ ডিসেম্বর থেকে ৫ ডিসেম্বর। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ৬ ডিসেম্বর। প্রতীক বরাদ্দ ৭ ডিসেম্বর। ভোটগ্রহণ ২৬ ডিসেম্বর।

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চট্টগ্রামের পটিয়ার ১৭টি ইউনিয়নের মধ্যে ৩ জন স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী ও ৩ জন সাধারণ সদস্য এবং ২ জন সংরক্ষিত নারী সদস্যের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। সোমবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে প্রার্থিতা যাচাই-বাছাই শেষে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আরাফাত আল হোসাইনী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মনোনয়ন বাতিল হওয়া চেয়ারম্যান প্রার্থীরা হলেন, ছনহরা ইউপির ইসলামী আন্দোলনের চেয়ারম্যান প্রার্থী মোহাম্মদ আইয়ুব, কাশিয়াইশ ইউনিয়নের স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী মোহাম্মদ কাইছ ও কুসুমপুরা ইউনিয়নের স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী জাকারিয়া ডালিম।
হাইদগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত নারী ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের তসলিমা নুর, হাবিলাসদ্বীপ ইউনিয়নের ১, ২ ও ৩ নম্বর সংরক্ষিত নারী ওয়ার্ডের শারমিন আকতার, কুসুমপুরা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের আবু তৈয়ব, কেলিশহর ইউনিয়নের ৬ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মোহাম্মদ রফিক ও মোহাম্মদ খোরশেদের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, বাতিল হওয়া ৩ জন চেয়ারম্যান প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মোহাম্মদ আইয়ুব তাঁর দলীয় কোনো বৈধ কাগজ পত্র দেখাতে না পারায় মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। এ দিকে ঋণ খেলাপির দায়ে কাশিয়াইশ ইউনিয়ন পরিষদের স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ কাইছ এবং আয়কর রির্টানের সত্যায়িত কপি দেখাতে না পারায় কুসুমপুরা ইউনিয়নের স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী জাকারিয়া ডালিমের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।
এ ছাড়াও বড়লিয়া ইউনিয়ন পরিষদের আওয়ামী লীগের মনোনীত একক চেয়ারম্যান প্রার্থী ও বর্তমান চেয়ারম্যান শাহীনুল ইসলাম সানু, শোভনদণ্ডী ইউনিয়ন পরিষদের আওয়ামী লীগের মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী ও বর্তমান চেয়ারম্যান এহছানুল হক বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পথে।
উপজেলার ১৭টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে কুসুমপুর ও হাবিলাসদ্বীপ ইউনিয়নে হবে ইভিএম পদ্ধতিতে এবং বাকি ১৫টি ইউনিয়নে ব্যালট পেপারে ভোট গ্রহণ করা হবে।
পটিয়া উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আরাফাত আল হোসাইনী জানান, উপজেলার ১৭টি ইউনিয়ন পরিষদে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন প্রাপ্ত ১৭ জন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ৪৩ জন মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছিলেন। সাধারণ সদস্য পদে ৬১৬ জন, সংরক্ষিত সদস্য পদে ১৪১ জন মনোনয়ন ফরম জমা দেন। সোমবার যাচাই-বাছাই শেষে ৩ জন চেয়ারম্যান, ২ জন সংরক্ষিত নারী সদস্য এবং ৩ জন সাধারণ সদস্যের মনোনয়ন ফরম বাতিল করা হয়েছে। বর্তমানে ৫৭ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী, ৬১৩ জন সাধারণ সদস্য ও ১৩৯ জন সংরক্ষিত নারী সদস্যের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
৩০ নভেম্বর (মঙ্গলবার) থেকে ২ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাদ পড়া প্রার্থীরা আপিল করতে পারবেন। আপিল নিষ্পত্তি ৩ ডিসেম্বর থেকে ৫ ডিসেম্বর। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ৬ ডিসেম্বর। প্রতীক বরাদ্দ ৭ ডিসেম্বর। ভোটগ্রহণ ২৬ ডিসেম্বর।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৩ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৪ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে