নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

সংবাদ প্রকাশের জেরে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) শিক্ষার্থী ও একটি পত্রিকার বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি রুদ্র ইকবালকে বহিষ্কারের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে শিক্ষা বিষয়ক সাংবাদিকদের সংগঠন ‘এডুকেশন রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-ইরাব’।
আজ বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনের সভাপতি অভিজিৎ ভট্টাচার্য ও সাধারণ সম্পাদক আকতারুজ্জামান এই প্রতিবাদ জানান।
বিবৃতিতে বলা হয়, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এএফএম আবদুল মঈন বলেছেন, দুর্নীতি-করাপশন উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করে বিষয়টি সত্য নয়। দুর্নীতি হলে দেশের উন্নতি হয়। উপাচার্যের এমন বক্তব্য গণমাধ্যমে প্রকাশ করলে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও একটি পত্রিকার প্রতিনিধি রুদ্র ইকবালকে বহিষ্কার করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
এ প্রেক্ষিতে সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ বলেন, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রুদ্র ইকবালের বহিষ্কারাদেশ অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে। নইলে দুর্নীতির পক্ষ নেওয়া উপাচার্যের বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের লিখিত অভিযোগ করা হবে।
তাঁরা আরও বলেন, দুর্নীতির পক্ষে সাফাই গাওয়া এমন উপাচার্যের বিষয়ে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা প্রয়োজন। বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত সাংবাদিকদের এ বিষয়ে শিক্ষা সাংবাদিকেরা সর্বাত্মক সহযোগিতা করবেন।
উল্লেখ্য, গত ৩১ জুলাই একটি দৈনিক পত্রিকার অনলাইন সংস্করণে ‘দুর্নীতি হচ্ছে তাই বাংলাদেশে উন্নয়ন হচ্ছে: কুবি উপাচার্য’ শীর্ষক শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়। এই সংবাদে বক্তব্য বিকৃত করে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে দাবি করেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে ইংরেজি বিভাগের ২০১৭-২০১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ও ওই পত্রিকার বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি মোহাম্মদ ইকবাল মনোয়ারকে গতকাল বুধবার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়।

সংবাদ প্রকাশের জেরে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) শিক্ষার্থী ও একটি পত্রিকার বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি রুদ্র ইকবালকে বহিষ্কারের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে শিক্ষা বিষয়ক সাংবাদিকদের সংগঠন ‘এডুকেশন রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-ইরাব’।
আজ বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনের সভাপতি অভিজিৎ ভট্টাচার্য ও সাধারণ সম্পাদক আকতারুজ্জামান এই প্রতিবাদ জানান।
বিবৃতিতে বলা হয়, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এএফএম আবদুল মঈন বলেছেন, দুর্নীতি-করাপশন উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করে বিষয়টি সত্য নয়। দুর্নীতি হলে দেশের উন্নতি হয়। উপাচার্যের এমন বক্তব্য গণমাধ্যমে প্রকাশ করলে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও একটি পত্রিকার প্রতিনিধি রুদ্র ইকবালকে বহিষ্কার করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
এ প্রেক্ষিতে সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ বলেন, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রুদ্র ইকবালের বহিষ্কারাদেশ অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে। নইলে দুর্নীতির পক্ষ নেওয়া উপাচার্যের বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের লিখিত অভিযোগ করা হবে।
তাঁরা আরও বলেন, দুর্নীতির পক্ষে সাফাই গাওয়া এমন উপাচার্যের বিষয়ে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা প্রয়োজন। বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত সাংবাদিকদের এ বিষয়ে শিক্ষা সাংবাদিকেরা সর্বাত্মক সহযোগিতা করবেন।
উল্লেখ্য, গত ৩১ জুলাই একটি দৈনিক পত্রিকার অনলাইন সংস্করণে ‘দুর্নীতি হচ্ছে তাই বাংলাদেশে উন্নয়ন হচ্ছে: কুবি উপাচার্য’ শীর্ষক শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়। এই সংবাদে বক্তব্য বিকৃত করে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে দাবি করেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে ইংরেজি বিভাগের ২০১৭-২০১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ও ওই পত্রিকার বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি মোহাম্মদ ইকবাল মনোয়ারকে গতকাল বুধবার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় বাসিন্দা হেলাল, মজিবর, আকবরসহ অনেকে বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে জটিল রোগে আক্রান্ত জামির উদ্দিন ঠিকমতো চলাফেরা করতে পারেন না। এসআই হাবিবুর রহমান তাঁকে আটক করে থানায় নিয়ে যান। আমরা এসআই হাবিবুরকে জামির উদ্দিন অসুস্থ, এ কথা বলেছি। কিন্তু তিনি তা তোয়াক্কা করেননি।’
১ ঘণ্টা আগে
ব্যবসায়ীকে হুমকি-ধমকি, ভয় দেখানোর অভিযোগের মামলা থেকে অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও তাঁর ভাই আলিশান চৌধুরীকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আদনান জুলফিকার তাঁদের অব্যাহতির আদেশ দেন।
১ ঘণ্টা আগে
রোববার রাত ২টার দিকে এক ব্যক্তি স্ত্রীসহ মানিকগঞ্জের বেতিলা এলাকায় নিজের ভ্যান চালিয়ে যাচ্ছিলেন। বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ভ্যানের চার্জ শেষ হয়ে গেলে তাঁরা নিরাপত্তার জন্য সদর হাসপাতালের সামনে অবস্থান নেন।
২ ঘণ্টা আগে
মামলার চার্জশিট দাখিল করে ১৭ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে ১১ জন আসামি কারাগারে আছেন। ৯ জন আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মামলার এজাহার, চার্জশিট ও আসামিদের জবানবন্দি পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।
২ ঘণ্টা আগে