
চট্টগ্রাম আদালত কর্তৃক সম্প্রতি তিন শতাধিক পুলিশ সাক্ষীর বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি হয়েছে। বিচারাধীন বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মামলায় সাক্ষ্য না দেওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেন আদালত। এই পুলিশ সদস্যদের বেশির ভাগই একসময় নগর পুলিশে কর্মরত ছিলেন। পরে চট্টগ্রামের বাইরে বিভিন্ন স্থানে বদলি হয়ে যান।
নির্ধারিত তারিখে মামলার সাক্ষ্য দিতে গত কয়েক মাসে তিন শতাধিক পুলিশ সাক্ষীকে অন্তত ১০টি দাপ্তরিক চিঠি পাঠায় চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ (সিএমপি)। গত ১৯ নভেম্বর থেকে ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত চট্টগ্রাম ও জেলার বাইরে পুলিশের বিভিন্ন জোন, থানাসহ অন্যান্য বিভাগে এসব চিঠি দেওয়া হয়েছিল।
সর্বশেষ ২০ জানুয়ারি সিএমপির এক চিঠিতে ৩৩ জন পুলিশ সাক্ষীকে চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা আদালতে বিচারাধীন বিভিন্ন মামলায় সাক্ষ্য দিতে অনুরোধ করা হয়। তাঁদের মধ্যে আটজন সিএমপির বিভিন্ন বিভাগ ও জেলায় কর্মরত, বাকিরা ডিএমপিসহ বিভিন্ন জেলায় কর্মরত।
চিঠিতে সাক্ষীদের বিরুদ্ধে আদালত কর্তৃক গ্রেপ্তারি পরোয়ানা এবং অজামিনযোগ্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারিরও তথ্য রয়েছে। একাধিকবার সমন জারির পরও উপস্থিত না হলে আদালত এ ধরনের পরোয়ানা জারি করেন।
বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশনের মহাসচিব অ্যাডভোকেট জিয়া হাবীব আহসান বলেন, যেসব পুলিশ সাক্ষী চট্টগ্রাম থেকে বদলি হয়ে গেছেন, বেশির ভাগ ক্ষেত্রে তাঁদের নির্ধারিত তারিখে হাজির করা কঠিন হয়ে পড়ে। তবে পুলিশ সাক্ষীদের বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি করা হলেও তাঁদের গ্রেপ্তার করে আদালতে উপস্থাপনের নজির নেই।
আদালতের কর্মচারীরা জানান, অনেক সময় আদালত থেকে পুলিশ সাক্ষীর কাছে সমন নোটিশ জারির পর দেখা যায়, তিনি অন্যত্র বদলি হয়ে গেছেন। এতে সমন নোটিশ রিজার্ভ অফিস ও সিএমপি দপ্তর হয়ে সাক্ষীর নতুন কর্মস্থলে পৌঁছাতে অনেক সময় লাগে। আবার যখন সাক্ষীর কাছে পৌঁছায়, তখন আর মামলার তারিখে উপস্থিত হওয়ার সময় থাকে না। কখনো সাক্ষীর কাছে সমন নোটিশ যথাসময়ে পৌঁছায় না। কখনো পৌঁছালেও পুলিশ সদস্যরা আসেন না।
একাধিক পুলিশ সাক্ষীর অভিযোগ, রিজার্ভ অফিস, থানা ও পুলিশের বিভিন্ন বিভাগের প্রধানেরা গুরুত্ব না দেওয়ায় অনেক সময় সমন নোটিশ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পৌঁছালেও দিনের পর দিন ফেলে রাখা হয়। আবার এক জেলা থেকে আরেক জেলায় যাওয়ার জন্য যে ছাড়পত্র নিতে হয়, সেটিও সব সময় মেলে না।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পুলিশের এসব সাক্ষীর একটি অংশ জুলাই অভ্যুত্থান চলাকালে চট্টগ্রামে কর্মরত ছিলেন। পরে তাঁরা বদলি হয়ে যান। এমন পুলিশ সদস্যদের একাংশও সাক্ষ্য দিতে আসছেন না।
চট্টগ্রাম মহানগরের একটি আদালতের বেঞ্চ সহকারী ওমর ফুয়াদ বলেন, পুরোনো কর্মকর্তারা বিভিন্ন কারণে ইদানীং সাক্ষ্য দিতে আসছেন না। তবে আগের তুলনায় পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে।
ওমর ফুয়াদ বলেন, পুলিশের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট, সমন জারির একটা প্রক্রিয়ামাত্র। যাঁদের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট হয়েছে, তাঁরা পরে যখন আদালতে উপস্থিত হন, তখন আদালত তাঁদের নির্ধারিত তারিখে উপস্থিত না হওয়ার কারণ জানতে চান।
সে সময় বিচারক সন্তুষ্ট হলে তাঁদের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের উপকমিশনার মো. হাসান ইকবাল চৌধুরী আজকের পত্রিকাকে বলেন, আদালতে বিভিন্ন মামলার তারিখে পুলিশ সদস্যরা নিয়মিত সাক্ষ্য দিতে আসছেন। কোনো অসুবিধা হচ্ছে না। তবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ঘটনা ঘিরে যাঁরা তখন দায়িত্ব পালন করেছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে কিছুটা ভিন্ন হতে পারে।

বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলা সদরের ভেগাই হালদার পাবলিক একাডেমির সামনে ফুটপাত অবৈধভাবে দখল করে অস্থায়ী দোকান বসানো হয়েছে। এতে পথচারীদের চলাচল ব্যাহত হচ্ছে এবং বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি।
৩০ মিনিট আগে
আসন্ন রমজান মাস উপলক্ষে চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ পৌর এলাকার মধ্য চরকুমিরা গ্রামের মুদিদোকানি শাহআলম নিয়েছেন ব্যতিক্রমী উদ্যোগ। তিনি তাঁর দোকানে আটটি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিনা লাভে, অর্থাৎ ক্রয়মূল্যে বিক্রি শুরু করেছেন।
৩৩ মিনিট আগে
রাজধানীর ডেমরায় গ্রেপ্তার হানি ট্র্যাপের ৬ সদস্যকে কারাগারে পাঠিয়েছেন ঢাকা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে আদালতে হাজির করা হলে বিকেলেই তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়।
১ ঘণ্টা আগে
দীর্ঘ ৫৩ বছর পর গাজীপুরের কাপাসিয়ায় এবার সংসদ নির্বাচনে জয় পেয়েছে জামায়াতে ইসলামী। ধানের শীষের প্রার্থীকে পরাজিত করে বিজয়ী হয়েছেন জামায়াতের সালাহউদ্দিন আইয়ুবী। মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের জন্মস্থান কাপাসিয়ায় ভোটের এমন ফলে হতবাক অনেকে।
১ ঘণ্টা আগে