নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামে গুলিতে দুজনকে হত্যা মামলায় শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ হোসেন ওরফে ছোট সাজ্জাদকে সাত দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া নগরী ও জেলায় হত্যাসহ আরও বিভিন্ন অভিযোগে মোট আটটি মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেওয়া হয়।
আজ রোববার দুপুরে ছোট সাজ্জাদকে চট্টগ্রামের দ্বিতীয় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে বাকলিয়া থানা-পুলিশ ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে। শুনানি শেষে বিচারক ইব্রাহীম খলিল তাঁর সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
একই আদালত চান্দগাঁও থানা-পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে পাঁচটি ও বায়েজিদ বোস্তামী থানার একটি মামলায় ছোট সাজ্জাদকে গ্রেপ্তার দেখানোর অনুমতি দিয়েছেন। এ ছাড়া জেলার হাটহাজারী থানা-পুলিশ হত্যাসহ দুটি মামলায় সাজ্জাদকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করলে তা মঞ্জুর করা হয়।
গত ১৫ মার্চ ছোট সাজ্জাদকে ঢাকার বসুন্ধরা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। সেই থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।
চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি-প্রসিকিউশন) মফিজ উদ্দিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, বাকলিয়া থানা-পুলিশ গুলিতে দুজনকে হত্যা মামলায় সাজ্জাদকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড চেয়েছিল। শুনানি শেষে আদালত সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন। শুনানি শেষে আসামি সাজ্জাদকে কারাগারে ফিরিয়ে নেওয়া হয়।
মফিজ উদ্দিন আরও বলেন, এ ছাড়া আদালত চান্দগাঁও থানা-পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে পাঁচটি ও বায়েজিদ বোস্তামী থানার একটি মামলায় ছোট সাজ্জাদকে গ্রেপ্তার দেখানোর অনুমতি দিয়েছেন।
এদিকে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের পরিদর্শক (প্রসিকিউশন) হাবিবুর রহমান বলেন, হাটহাজারী থানা-পুলিশ হত্যাসহ দুটি মামলায় সাজ্জাদকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেছিল। শুনানি শেষে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-২–এর বিচারক বেগম নাজমুন নাহার আবেদন মঞ্জুর করেছেন।
বাকলিয়া থানা ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, গত ৩০ মার্চ গভীর রাতে নগরীর বাকলিয়া থানার রাজাখালী এলাকা থেকে একাধিক মোটরসাইকেলে থাকা সন্ত্রাসীরা প্রাইভেট কার লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে শুরু করে। প্রাইভেট কারটি বাকলিয়া অ্যাকসেস রোড দিয়ে প্রবেশ করে নগরীর চকবাজার থানার চন্দনপুরায় পৌঁছানোর পর থেমে যায়। তখন বেপরোয়াভাবে গুলিবর্ষণ করে সন্ত্রাসীরা। এতে দুই যুবক নিহত ও দুজন আহত হন। নিহত যুবকেরা হলেন বখতেয়ার হোসেন মানিক ও মো. আব্দুল্লাহ।
এ ঘটনায় মানিকের মা ফিরোজা বেগম কারাগারে থাকা ছোট সাজ্জাদ, তাঁর স্ত্রী শারমিন আক্তার তামান্নাসহ সাতজনকে আসামি করে বাকলিয়া থানায় মামলা করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, ছোট সাজ্জাদ ও তাঁর স্ত্রীর পরিকল্পনা অনুসারে আসামিরা গুলি করে মানিকসহ দুজনকে হত্যা করেছেন।

চট্টগ্রামে গুলিতে দুজনকে হত্যা মামলায় শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ হোসেন ওরফে ছোট সাজ্জাদকে সাত দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া নগরী ও জেলায় হত্যাসহ আরও বিভিন্ন অভিযোগে মোট আটটি মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেওয়া হয়।
আজ রোববার দুপুরে ছোট সাজ্জাদকে চট্টগ্রামের দ্বিতীয় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে বাকলিয়া থানা-পুলিশ ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে। শুনানি শেষে বিচারক ইব্রাহীম খলিল তাঁর সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
একই আদালত চান্দগাঁও থানা-পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে পাঁচটি ও বায়েজিদ বোস্তামী থানার একটি মামলায় ছোট সাজ্জাদকে গ্রেপ্তার দেখানোর অনুমতি দিয়েছেন। এ ছাড়া জেলার হাটহাজারী থানা-পুলিশ হত্যাসহ দুটি মামলায় সাজ্জাদকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করলে তা মঞ্জুর করা হয়।
গত ১৫ মার্চ ছোট সাজ্জাদকে ঢাকার বসুন্ধরা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। সেই থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।
চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি-প্রসিকিউশন) মফিজ উদ্দিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, বাকলিয়া থানা-পুলিশ গুলিতে দুজনকে হত্যা মামলায় সাজ্জাদকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড চেয়েছিল। শুনানি শেষে আদালত সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন। শুনানি শেষে আসামি সাজ্জাদকে কারাগারে ফিরিয়ে নেওয়া হয়।
মফিজ উদ্দিন আরও বলেন, এ ছাড়া আদালত চান্দগাঁও থানা-পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে পাঁচটি ও বায়েজিদ বোস্তামী থানার একটি মামলায় ছোট সাজ্জাদকে গ্রেপ্তার দেখানোর অনুমতি দিয়েছেন।
এদিকে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের পরিদর্শক (প্রসিকিউশন) হাবিবুর রহমান বলেন, হাটহাজারী থানা-পুলিশ হত্যাসহ দুটি মামলায় সাজ্জাদকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেছিল। শুনানি শেষে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-২–এর বিচারক বেগম নাজমুন নাহার আবেদন মঞ্জুর করেছেন।
বাকলিয়া থানা ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, গত ৩০ মার্চ গভীর রাতে নগরীর বাকলিয়া থানার রাজাখালী এলাকা থেকে একাধিক মোটরসাইকেলে থাকা সন্ত্রাসীরা প্রাইভেট কার লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে শুরু করে। প্রাইভেট কারটি বাকলিয়া অ্যাকসেস রোড দিয়ে প্রবেশ করে নগরীর চকবাজার থানার চন্দনপুরায় পৌঁছানোর পর থেমে যায়। তখন বেপরোয়াভাবে গুলিবর্ষণ করে সন্ত্রাসীরা। এতে দুই যুবক নিহত ও দুজন আহত হন। নিহত যুবকেরা হলেন বখতেয়ার হোসেন মানিক ও মো. আব্দুল্লাহ।
এ ঘটনায় মানিকের মা ফিরোজা বেগম কারাগারে থাকা ছোট সাজ্জাদ, তাঁর স্ত্রী শারমিন আক্তার তামান্নাসহ সাতজনকে আসামি করে বাকলিয়া থানায় মামলা করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, ছোট সাজ্জাদ ও তাঁর স্ত্রীর পরিকল্পনা অনুসারে আসামিরা গুলি করে মানিকসহ দুজনকে হত্যা করেছেন।

যশোরে জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে দুজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের একজন রফিকুল ইসলাম (৪৫)। তিনি যশোর সদরের চুড়ামনকাটি ইউনিয়নের জগহাটি গ্রামের তবজেল মল্লিকের ছেলে; অন্যজন আব্দুল আলিম পলাশ (৩৫)। তিনি একই গ্রামের হজরত আলীর ছেলে। পেশায় তিনি একজন মুদিদোকানদার।
১১ মিনিট আগে
সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১টি বিভাগের শিক্ষার্থীরা ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন। আজ সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ভবনের সামনে তাঁরা এ ঘোষণা দেন।
৩০ মিনিট আগে
খুলনায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা পরিচয়ে ২০ লাখ চাঁদা দাবির অভিযোগে গ্রেপ্তার তিনজনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার পুলিশ তাঁদের আদালতে হাজির করলে শুনানি শেষে বিচারক এ আদেশ দেন।
১ ঘণ্টা আগে
ডিএমপির মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মইনুল হক বলেন, সন্ধ্যায় বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে কয়েকজন আহত হয়েছেন। তবে কতজন আহত হয়েছেন, তা প্রাথমিকভাবে জানা যায়নি। পুলিশ খবর পেয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক রয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে