দীঘিনালা (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি

খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলায় ট্রাক ও মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে লক্ষণ চন্দ্র দাশ (৫০) নামের একজনের মৃত্যু হয়েছে। আজ রোববার সন্ধ্যা ৭টায় দীঘিনালা উপজেলার মেরুং ইউপির ১ নম্বর ওয়ার্ডের জামতলি সুপারিবাগান এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, দীঘিনালাগামী একটি মোটরসাইকেল ও চট্টগ্রামগামী ভুসিভর্তি একটি ট্রাকের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই মোটরসাইকেলচালক লক্ষণ চন্দ্র দাশ মারা যান।
দীঘিনালা থানার উপপরিদর্শক সাখাওয়াত হোসেন বলেন, সড়ক দুর্ঘটনার খবর শুনে ঘটনাস্থলে এসে দেখি লক্ষণ চন্দ্র দাশ (৫০) রাস্তায় পড়ে আছেন। ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। আমরা উদ্ধার কার্যক্রম শেষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলায় ট্রাক ও মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে লক্ষণ চন্দ্র দাশ (৫০) নামের একজনের মৃত্যু হয়েছে। আজ রোববার সন্ধ্যা ৭টায় দীঘিনালা উপজেলার মেরুং ইউপির ১ নম্বর ওয়ার্ডের জামতলি সুপারিবাগান এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, দীঘিনালাগামী একটি মোটরসাইকেল ও চট্টগ্রামগামী ভুসিভর্তি একটি ট্রাকের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই মোটরসাইকেলচালক লক্ষণ চন্দ্র দাশ মারা যান।
দীঘিনালা থানার উপপরিদর্শক সাখাওয়াত হোসেন বলেন, সড়ক দুর্ঘটনার খবর শুনে ঘটনাস্থলে এসে দেখি লক্ষণ চন্দ্র দাশ (৫০) রাস্তায় পড়ে আছেন। ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। আমরা উদ্ধার কার্যক্রম শেষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
৪১ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে