রাঙ্গুনিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার ৬ নম্বর পোমরা ইউনিয়নের তালুকদারপাড়ার নিজ বাড়ি থেকে ৭ বছর আগে হারিয়ে যান মানসিক ভারসাম্যহীন বৃদ্ধ সন্তোষ দেব (৬০)। গতকাল শনিবার বৃদ্ধ সন্তোষ দেব বাড়ি ফিরে আসেন।
স্বজনেরা সম্ভাব্য জায়গায় খোঁজাখুঁজির পরেও তাঁর সন্ধান মেলেনি। শেষে তাঁকে ফিরে পাওয়ার আশা ছেড়ে দেন আত্মীয়স্বজন ও তাঁর সন্তানেরা। হঠাৎ জন্মদাতা পিতাকে খুঁজে পেয়ে আবেগে আপ্লুত পুরো পরিবার। পরিবারের সেই আনন্দ এখন ছড়িয়ে পড়েছে পুরো গ্রামে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার ভারতের আগরতলা থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলা সীমান্তের চেকপোস্টে ত্রিপুরাস্থ বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনের পক্ষ থেকে বৃদ্ধ সন্তোষ দেবকে ছেলে অন্ত দেবের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, দুই মেয়ে ও এক ছেলের জনক সন্তোষ দেব স্থানীয় মণীন্দ্রলাল দেবের সন্তান ছিলেন। তিনি ২০১৪ সালে হঠাৎ বাড়ি থেকে হারিয়ে যান। তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন, যে কারণে কাউকে কিছু না বলে মাঝেমধ্যে বাড়ি থেকে বের হয়ে যেতেন। পরিবারের লোকজন বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করে তাঁকে বাড়িতে নিয়ে আসতেন। তবে ২০১৪ সালে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর হদিস মেলেনি।
বাবা ফিরে আসার বিষয়ে সন্তোষ দেবের বড় মেয়ে রিফা দে বলেন, ‘আমার বাবাকে আমরা ভবঘুরের মতো খুঁজেছি। কিন্তু কোথাও খুঁজে না পাওয়ায় হতাশ হয়ে পড়ি। হঠাৎ আমার ছোট ভাই একটি সংস্থার মাধ্যমে জানতে পারে বাবা ভারতে আছেন। এরপরেই আমরা আবার খোঁজ নেওয়া শুরু করি। শেষ পর্যন্ত বাবাকে ফিরে পেয়েছি। বাবাকে ফিরে পাওয়ার অনুভূতি প্রকাশ করার মতো না। দীর্ঘ সাতটি বছর বাবাকে বাবা বলে ডাকতে পারিনি। আজ সাত বছর পর আবার বাবা ডাকতে পারছি।’
সন্তোষ দেবের ছেলে অন্ত দেব বলেন, ‘আমি অনেক ছোট থাকতে আমার বাবা বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। বাবাকে যখন হারিয়ে ফেলি, তখন আমি দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ি। বাবা মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন হওয়ায় কখন কোথায় যান, তার কোনো ঠিক ছিল না। একদিন হঠাৎ বাবাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও বাবার সন্ধান মেলেনি। পরে একটি সংস্থার মাধ্যমে জানতে পারি বাবাকে পাওয়া গেছে। তিনি ভারতের আগরতলায় একটি হাসপাতালে রয়েছেন। আজ বাবাকে কাছে পেয়েছি, এর থেকে আনন্দের আর কিছু হতে পারে না।’
সন্তোষ দেবের স্ত্রী গীতা রাণী বলেন, ‘আখাউড়া স্থলবন্দর থেকে ফোন আসে তাঁকে আমাদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। আমরা তাঁকে ফিরে পাওয়ার আশা ছেড়েই দিয়েছিলাম। অবশেষে ফিরে পেয়েছি। বাংলাদেশ সরকারের কাছে আমরা কৃতজ্ঞ।’
আখাউড়া স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন পুলিশ ইনচার্জ সাব-ইন্সপেক্টর আবু বক্কর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গত শুক্রবার সন্তোষ দেবকে তাঁর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ সময় সন্তোষ দেবের ছেলে অন্ত দেব ও তাঁর স্ত্রী গীতা রাণীসহ অন্য স্বজনেরা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে দীর্ঘ সাত বছর পর সন্তোষ দেব তাঁর নিজ এলাকায় ফিরে আসায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। তাঁকে একনজর দেখার জন্য ভিড় জমিয়েছে এলাকাবাসী। অনেকে বিশ্বাস করতে পারছিলেন না সন্তোষ দেব আবার ফিরে এসেছেন।

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার ৬ নম্বর পোমরা ইউনিয়নের তালুকদারপাড়ার নিজ বাড়ি থেকে ৭ বছর আগে হারিয়ে যান মানসিক ভারসাম্যহীন বৃদ্ধ সন্তোষ দেব (৬০)। গতকাল শনিবার বৃদ্ধ সন্তোষ দেব বাড়ি ফিরে আসেন।
স্বজনেরা সম্ভাব্য জায়গায় খোঁজাখুঁজির পরেও তাঁর সন্ধান মেলেনি। শেষে তাঁকে ফিরে পাওয়ার আশা ছেড়ে দেন আত্মীয়স্বজন ও তাঁর সন্তানেরা। হঠাৎ জন্মদাতা পিতাকে খুঁজে পেয়ে আবেগে আপ্লুত পুরো পরিবার। পরিবারের সেই আনন্দ এখন ছড়িয়ে পড়েছে পুরো গ্রামে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার ভারতের আগরতলা থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলা সীমান্তের চেকপোস্টে ত্রিপুরাস্থ বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনের পক্ষ থেকে বৃদ্ধ সন্তোষ দেবকে ছেলে অন্ত দেবের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, দুই মেয়ে ও এক ছেলের জনক সন্তোষ দেব স্থানীয় মণীন্দ্রলাল দেবের সন্তান ছিলেন। তিনি ২০১৪ সালে হঠাৎ বাড়ি থেকে হারিয়ে যান। তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন, যে কারণে কাউকে কিছু না বলে মাঝেমধ্যে বাড়ি থেকে বের হয়ে যেতেন। পরিবারের লোকজন বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করে তাঁকে বাড়িতে নিয়ে আসতেন। তবে ২০১৪ সালে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর হদিস মেলেনি।
বাবা ফিরে আসার বিষয়ে সন্তোষ দেবের বড় মেয়ে রিফা দে বলেন, ‘আমার বাবাকে আমরা ভবঘুরের মতো খুঁজেছি। কিন্তু কোথাও খুঁজে না পাওয়ায় হতাশ হয়ে পড়ি। হঠাৎ আমার ছোট ভাই একটি সংস্থার মাধ্যমে জানতে পারে বাবা ভারতে আছেন। এরপরেই আমরা আবার খোঁজ নেওয়া শুরু করি। শেষ পর্যন্ত বাবাকে ফিরে পেয়েছি। বাবাকে ফিরে পাওয়ার অনুভূতি প্রকাশ করার মতো না। দীর্ঘ সাতটি বছর বাবাকে বাবা বলে ডাকতে পারিনি। আজ সাত বছর পর আবার বাবা ডাকতে পারছি।’
সন্তোষ দেবের ছেলে অন্ত দেব বলেন, ‘আমি অনেক ছোট থাকতে আমার বাবা বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। বাবাকে যখন হারিয়ে ফেলি, তখন আমি দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ি। বাবা মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন হওয়ায় কখন কোথায় যান, তার কোনো ঠিক ছিল না। একদিন হঠাৎ বাবাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও বাবার সন্ধান মেলেনি। পরে একটি সংস্থার মাধ্যমে জানতে পারি বাবাকে পাওয়া গেছে। তিনি ভারতের আগরতলায় একটি হাসপাতালে রয়েছেন। আজ বাবাকে কাছে পেয়েছি, এর থেকে আনন্দের আর কিছু হতে পারে না।’
সন্তোষ দেবের স্ত্রী গীতা রাণী বলেন, ‘আখাউড়া স্থলবন্দর থেকে ফোন আসে তাঁকে আমাদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। আমরা তাঁকে ফিরে পাওয়ার আশা ছেড়েই দিয়েছিলাম। অবশেষে ফিরে পেয়েছি। বাংলাদেশ সরকারের কাছে আমরা কৃতজ্ঞ।’
আখাউড়া স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন পুলিশ ইনচার্জ সাব-ইন্সপেক্টর আবু বক্কর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গত শুক্রবার সন্তোষ দেবকে তাঁর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ সময় সন্তোষ দেবের ছেলে অন্ত দেব ও তাঁর স্ত্রী গীতা রাণীসহ অন্য স্বজনেরা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে দীর্ঘ সাত বছর পর সন্তোষ দেব তাঁর নিজ এলাকায় ফিরে আসায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। তাঁকে একনজর দেখার জন্য ভিড় জমিয়েছে এলাকাবাসী। অনেকে বিশ্বাস করতে পারছিলেন না সন্তোষ দেব আবার ফিরে এসেছেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের অধিকাংশই কোটিপতি। পাশাপাশি জামায়াতের প্রার্থীরা হলেন লাখপতি। নির্বাচনে কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ছয়জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নামলেও বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। এই দুই প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবিরা সুলতানার সোনার গয়না আছে ৩০ তোলার; যার দাম ৫০ হাজার টাকা। জামায়াতের...
৩ ঘণ্টা আগে
বিরোধপূর্ণ একটি জমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) হস্তান্তর করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ৮ ডিসেম্বর চসিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ছয় একর জমি হস্তান্তর করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ওই জমি একসনা (এক বছরের জন্য) ইজারা নিয়ে ২০ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার উদ্যোগ...
৩ ঘণ্টা আগে
চলতি আমন মৌসুমে সরকারি মূল্যে চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে জয়পুরহাট জেলার পাঁচ উপজেলায় হাস্কিং মিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। খাদ্য বিভাগের নথিতে সচল দেখানো বহু হাস্কিং মিল বাস্তবে বিদ্যুৎ সংযোগহীন, উৎপাদন বন্ধ কিংবা দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকলেও এসব মিলের নামেই সরকারি খাদ্যগুদামে...
৩ ঘণ্টা আগে