ছয় বছরের ছেলে ইয়ামিনকে নিয়ে চট্টগ্রামের পাহাড়তলীর চক্ষু হাসপাতালে যাচ্ছিলেন মোহাম্মদ ইকবাল (৪০)। কিন্তু ছেলেকে নিয়ে হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই বাবা-ছেলেকে বহনকারী সিএনজি অটোরিকশাকে ধাক্কা দেয় দ্রুতগতির পণ্যবাহী একটি লরি। এতে ইয়ামিন বেঁচে গেলেও ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ইকবালের।
আজ শুক্রবার সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে চট্টগ্রাম মহানগরীর পাহাড়তলী নিমতল এলাকায়। নিহত ইকবাল চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার বারশত ইউনিয়নের বাসিন্দা। পরিবারে মা-বাবা ছাড়াও ৩ ছেলে, ১ মেয়ে ও স্ত্রী রয়েছে ইকবালের। ইয়ামিন তাঁর মেজ ছেলে। তাঁর মরদেহ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. কামাল উদ্দিন বলেন, ‘ছেলে ইয়ামিনকে নিয়ে ভোরে সিএনজি অটোরিকশা করে ইকবাল চট্টগ্রাম নগরীর পাহাড়তলী চক্ষু হাসপাতালে যাচ্ছিলেন। সকাল আটটার দিকে আমাদের কাছে খবর আসে ইকবাল সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছেন। পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালে গিয়ে লাশ শনাক্ত করেছে। আমরা লাশ দাফনের ব্যবস্থা করেছি। এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে এলাকায়।’

দুপুরে গোসল সেরে নতুন পোশাক পরে বাবার সঙ্গে মোটরসাইকেলের সামনে বসেছিল সাড়ে পাঁচ বছরের শিশু বন্ধন চন্দ্র রায়। মোটরসাইকেলটি চালাচ্ছিলেন বাবা প্রশান্ত চন্দ্র রায়, আর পেছনে বসেছিলেন দাদা নির্মল চন্দ্র রায়। গন্তব্য ছিল তুলসীহাটের একটি বিয়েবাড়ি। কিন্তু সেই পথ আর শেষ করা হলো না তাঁদের।
৩ মিনিট আগে
মৌলভীবাজার সদর ও রাজনগর উপজেলায় ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে সুপেয় পানি সরবরাহ ও স্বাস্থ্যসম্মত শৌচাগার স্থাপনের প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল। সেই কাজ একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের নাম দিয়ে বাগিয়ে নেন জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের ড্রাফটসম্যান শাহিন আলম। এখন সেই প্রতিষ্ঠান লাপাত্তা।
৫ ঘণ্টা আগে
পরীক্ষার কক্ষে সবাই বেঞ্চে বসে লিখে যাচ্ছেন খাতায়। তাঁদের পাশে বসে লিখছেন আরেক শিক্ষার্থী কলি রানী। তাঁকে দেওয়া হয়েছে ছোট বেঞ্চ। আর সেখানে বসেই মনোযোগসহকারে পা দিয়ে উত্তর লিখে যাচ্ছেন তিনি।
৬ ঘণ্টা আগে
মৌলভীবাজারে তীব্র ওষুধসংকট, জনবল ঘাটতি, দায়িত্বে অবহেলাসহ নানা সমস্যায় জর্জরিত কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো। ফলে জেলার প্রত্যন্ত এলাকার প্রায় ১১ লাখ মানুষ এসব ক্লিনিক থেকে প্রয়োজনীয় ওষুধসহ কাঙ্ক্ষিত সেবা পাচ্ছে না। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলের বয়স্ক, গর্ভবতী নারী ও নিম্ন আয়ের মানুষ সবচেয়ে বেশি ভুক্তভোগী।
৬ ঘণ্টা আগে